1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
অসহায় ও গৃহহীন ৬৬ হাজার পরিবারকে ঘর দিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গরিব তবুও দাদার শেষ ইচ্ছা পূরনে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে হেলিকপ্টারে বিয়ে বাজারে জমিদাতা পিতার জামে মসজিদের মিনার ভেঙ্গে দিল সন্তান! এবার করোনা ধ্বংসকারী নাকের স্প্রে আবিস্কার করল বাংলাদেশ রাতে ভাত না খেয়ে রুটি খাওয়ার উপকারিতা কারাগারে নারীর সাথে কয়েদির সময় পার : ৩ জনকে প্রত্যাহার ভারত থেকে ভ্যাক্সিন যারা নিয়ে আসছে তাদেরকেই আগে প্রয়োগ করা হোক: মুফতি ফয়জুল করিম এবার ধর্মীয় আলোচনায় এলো বাধা: তৌহিদী জনতার স্লোগানে প্রকম্পিত ময়মনসিংহ এবার আশুলিয়ায় শিশু ধ’র্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার এবার রংপুরে নির্মিত হচ্ছে ‘আল্লাহু লেখা স্তম্ভ’

কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে 

  • প্রকাশিত: ০৬:৫৭ am | বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪২৭ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন। এএফপির খবরে জানা গেছে, আর্জেন্টিনায় তিগ্রেতে নিজ বাসায় মা’রা

যান ম্যারাডোনা। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।এই কিছুদিন আগে মস্তিষ্কে সফল অ’স্ত্রোপচার হয়েছিল ম্যারাডোনার। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি

গিয়েছিলেন অতিরিক্ত অ্যালকোহল আসক্তি থেকে সেরে ওঠার নিরাময় কেন্দ্রে।এর পর বাসায় ফিরেছিলেন ম্যারাডোনা। সেখানেই আজ মা’রা যান তিনি।১৯৮৬ বিশ্বকাপে

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতান তিনি প্রায় একাই। ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস প্রদেশের লানুস শহরে জন্মগ্রহণ করেন ম্যারাডোনা।

দক্ষিণ প্রান্তের শহর ভিয়া ফিওরিতোতে তাঁর বেড়ে ওঠা। তিন কন্যা সন্তানের পর তিনিই ছিলেন মা-বাবার প্রথম পুত্র সন্তান।শৈল্পিক ফুটবল দিয়ে কিশোর বয়সেই নজর কাড়েন

ম্যারাডোনা। মাত্র আট বছর বয়সে যোগ দেন আর্জেন্টিনার যুব দলে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।১৯৭৭ সালে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে ডাক পান

ম্যারাডোনা। এরপর দেশের হয়ে চারটি বিশ্বকাপ আসরে অংশ নেন। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৮৬ সালে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। তবে ওই বিশ্বকাপে তাঁর

প্রথম গোলটি ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত। দ্বিতীয় গোলটি নিয়ে অবশ্য সমস্যা হয়নি। প্রায় ৬০ মিটার দূর থেকে প্রতিপক্ষের পাঁচ ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে

দ্বিতীয় গোল করেন ম্যারাডোনা। ওই গোলটিকে ২০০২ সালে ফিফা ডট কমের ভোটাররা শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবে নির্বাচিত করে।১৯৯০ সালের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন

ম্যারাডোনা। তবে সেবার আর বিশ্বকাপ ছোঁয়া হয়নি। পরের বছর ইতা’লিতে ড্রাগ টেস্টে কোকেইনের জন্য ধরা পড়ায় ১৫ মাসের জন্য ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ হন তিনি।

এরপর মাঠে ফিরে আর ছন্দ খুঁজে পাননি ম্যারাডোনা।শেষ পর্যন্ত ১৯৯৭ সালে বুটজোড়া তুলে রাখেন ম্যারাডোনা। ফুটবল ক্যারিয়ার শেষে নাম লেখান কোচিংয়ে। কিন্তু ফুটবল মাতানো ম্যারাডোনা কোচ হিসেবে

নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। কোচিং ক্যারিয়ারেও নানা সময় বিতর্কিত হয়েছেন কিংবদন্তি এই ফুটবলার।২০০৮ সালের নভেম্বরে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের

কোচের দায়িত্ব পান ম্যারাডোনা। কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপের পর দলের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সেই দায়িত্বও ছাড়তে হয় বিশ্বকাপ

জয়ী তারকাকে। শেষ সময়ে আর্জেন্টিনার প্রথম বিভাগের দল হিমনাসিয়ার কোচের দায়িত্বে ছিলেন ফুটবলের এই মহাতারকা।সূত্র -এনটিভি।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »