1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
ফাঁসির আগে দু’জনের যে ইচ্ছা পূরণ করলো কারা কর্তৃপক্ষ - Online newspaper in Bangladesh

ফাঁসির আগে দু’জনের যে ইচ্ছা পূরণ করলো কারা কর্তৃপক্ষ

  • আপডেট করা হয়েছে: শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩১২ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই নারীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়।

এর আগে শেষবারের মতো গত শনিবার সকালে তাদের সঙ্গে দেখা করেন স্বজনরা। এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়েও কাঁদেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের দুই আসামি আজিজুল ওরফে আজিজ (৫০) ও মিন্টু ওরফে কালু (৫০)। পরিবারের কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বলেন, গত সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিট ও ১০টা ৫০ মিনিটে আজিজ ও কালুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন, চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

ফাঁসির আগে আজিজ ও কালুর শেষ ইচ্ছা পূরণ করা হয়। খাওয়ানো হয় ইলিশ মাছ, গরুর কলিজা, তন্দুল রুটি ও মুরগির গ্রিল, মুরগির মাংস ও দই। দেখা করানো হয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বলেন, দুইজনের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পরিবারের লোকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো হয়েছে। তারা গত রোববার ইলিশ মাছ, গরুর কলিজা, তন্দুল রুটি ও মুরগির গ্রিল খেয়েছেন। সোমবার গত সোমবার(৪ অক্টোবর) মুরগির মাংস ও দই খাওয়ানো হয়।

এদিকে শনিবার সকালে আলমডাঙ্গার খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রুন্নুর নেতৃত্বে আজিজুলের বাবা বদর মণ্ডল ওরফে বদর ঘটক, মা রাসুলা খাতুন, বড়ভাই সভা মণ্ডলসহ অনেকের সঙ্গে সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করানো হয়।

গতকাল মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সকালে জানাজার পর চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায়লক্ষ্মীপুরে নিজ গ্রামের গোরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। তাদের জানাজায় এলাকার অসংখ্য মানুষ অংশ নেয়।

জানা গেছে, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা গ্রামের কমেলা খাতুন ও তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয় রায়লক্ষ্মীপুর মাঠে। এ ঘটনায় খুনের পরদিন নিহত কমেলা খাতুনের মেয়ে নারগিস বেগম আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুইজনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অন্য দুজন হলেন একই গ্রামের সুজন ও মহি।

মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি। ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সুজন, আজিজ ও মিন্টুকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এরপর আসামিপক্ষের লোকজন হাইকোর্টে আপিল করেন। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং আরেক আসামি সুজনকে খালাস দেন। ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান খালাসপ্রাপ্ত সুজন।

২০০৭ সালের ১০ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই আসামিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এতদিন এখানেই বন্দি আছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2021
Site Developed By Bijoyerbangla.com