1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 

একসঙ্গে একই পরিবারের ৫ জনের দাফন

  • প্রকাশিত: ০৮:৪৯ pm | শনিবার ৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২১৯ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:একসঙ্গে একই পরিবারের ৫ জনের দাফন! একসঙ্গে পাঁচটি লাশ দাফন এর আগে দেখেনি এলাকাবাসী। তাই পরিবারের স্বজনদের সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা পাচ্ছিলেন না কেউই। শুধুই চারপাশ থেকে ভেসে আসছিল কান্না আর কান্না। যারা জানাজায় অংশ নেন

তাদের সবাই ছিলেন শোকে স্তব্ধ। সোমবার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের ফেচুয়ালঞ্জি গ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একসঙ্গে পাঁচজনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। বাকি একজনকে (বোন) তার স্বামীর বাড়িতে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল

ইসলাম সুজন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ রাজু আহমেদ রাজ্জাক সরকার, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম রুবেল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও আগিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ মৌলভী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফয়জুর সিরাজ জুয়েল, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ তালুকদার,

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেন প্রমুখ। তারা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক হাজার মানুষ জানাজায় অংশ নেন। পরে নিহতদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। যে পাঁচজনের লাশ একসঙ্গে দাফন হয়, তারা হলেন-মাওলানা ফারুক মিয়া (২৫), তার স্ত্রী মাসুমা আক্তার (২০),

তাদের তিন দিন বয়সের নবজাতক শহিদুল্লাহ, নিহত ফারুকের বড় ভাই নিজাম উদ্দিন (২৭), আরেক বড় ভাই আজিম উদ্দিনের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম (২৫)। অপরদিকে ফারুকের বড় বোন তামান্না আক্তার জুলেখার (৩২) লাশ তার স্বামীর বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সিধলা গ্রামে

দাফন করা হয়েছে বলে নিহতের স্বজনরা জানান। দুর্ঘটনার পর তার লাশ পুলিশের কাছ থেকে তার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার মাওলানা ফারুকের স্ত্রী মাসুমার প্রসব ব্যথা শুরু হলে প্রথমে তাকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে নেয়া হয়

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে স্বাভাবিকভাবে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। রোববার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতাল থেকে তারা ছাড়পত্র পেয়ে সিনএজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়িতে ফিরছিলেন। সঙ্গে ছিলেন পরিবারের অন্যরা। সিদ্ধান্ত ছিল বাড়ি ফিরে উৎসব করে দেয়া হবে শিশুর আকিকা। কিন্তু সে আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে।

অটোরিকশাটি নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের তারাকান্দা উপজেলার গাছতলা নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা শাহজালাল নামক একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সং’ঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন। পরে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি নিহতদের লাশ উদ্ধার করে পরে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে। পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)

উম্মে কুলসুম বলেন, ‘ইতোমধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। রোববার রাতেই নিহতদের বাড়িতে গিয়ে ওই বরাদ্দকৃত টাকা থেকে তাৎক্ষণিক নগদ ২০ হাজার টাকা নিহতের বড়ভাই আজিম উদ্দিনের হাতে তুলে দেয়া হয়।’ পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজন বলেন, এটা

এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। সামনে পাঁচটি লাশ একসঙ্গে। পরিবারের অবশিষ্ট কেউই বেঁচে নেই। এমন দৃশ্য এর আগে কেউ দেখেনি। তাদের সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা নেই।

তিনি বলেন, এমন দুর্ঘটনা আর যেন না হয়। সবাই যেন সাবধানে গাড়ি চালান। প্রশাসন থেকে চালকের লাইসেন্স যাচাই করতে হবে।তবেই দুর্ঘটনা কিছুটা কমতে পারে।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »