1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  5. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  6. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
ভুল করে’ আ’লীগ নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করলো পুলিশ, ২ এসআই প্রত্যাহার যেই দেশে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয় প্রতি ৩ মিনিটে ১বার কুরআন খতমের মাধ্যমে বিশ বছরে হাজারবার কোরআন খতমকারী সেই বৃদ্ধ আর নেই এবার ঠাকুরগাঁওয়ে কিল এবং ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধা ভিক্ষুকের টাকা ছিনতাই ছাত্রদল যেভাবে ইটপাটকেল মারছিল পুলিশ চরম ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার পবিত্র কুরআনের সর্বকনিষ্ঠ ক্যালিগ্রাফার মারজান এবার মসজিদ ভেঙে পার্ক নির্মাণ, যা বলছে কমিটি যে সূরা কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করবে এবার টানা তিনবার ‘বিশ্ব মুসলিম ব্যক্তিত্ব অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন এরদোগান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ :খুলেছে সিনেমা হল বন্ধ কেন পরীক্ষার হল?

২১ শে ফেব্রুয়ারীতে পুষ্পস্তবক না দিয়ে কোরআন খতম করলেন শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত: ০৩:০৩ pm | রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৬২ বার পঠিত

স্বদেশ বাংলা:
২১ শে ফেব্রুয়ারীতে পুষ্পস্তবক না দিয়ে কোরআন খতম করলেন শিক্ষার্থীরা।
দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা এবং মহান শহীদ দিবস। স্থায়ী-অস্থায়ী হাজার হাজার শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অ’র্পণের মাধ্যমে সবাই ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে। তবে

ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া গ্রামে।সেখানকার স্থা’নীয় মাদরাসা শিক্ষার্থীরা পুষ্পস্তবক অর্পণের পরিবর্তে শহীদ মিনারে কোরআন খতম করেছেন।নারিকেল বাড়িয়া গ্রামে আগের দিনই কলাগাছ দিয়ে তৈরি

করা হ’য়েছে অস্থায়ী শহীদ মিনার। রাত ১২টা ১ মিনিটে যথারীতি সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বরা। আজ সকালে ৩৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন স্থানীয় মাদরাসার

শিক্ষক হাফেজ মো.ফুয়াদ হোসেন।সবাই জুতা খুলে শহীদ মিনারের চারপাশে দাঁড়িয়ে যান তারা। এরপর ৩০ পারা পবিত্র কোরআন ভাগ করে ৩০ জনের হাতে তুলে দেওয়া হয়।এভাবে আধাঘণ্টার মধ্যেই পড়া শেষ হয়ে যায় পুরো কোরআন শরীফ। এরপর ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া

পরিচালনা করা হয়।এই ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মা’ধ্যমেও বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।বেশিরভাগ মানুষই এমন উদ্যোগের

প্রশংসা ক’রেছেন। তবে কেউ কেউ বলছেন, কোরআন খতম করলে সেটা মসজিদ-মাদরাসা বা অন্য কোথাও করা যেতো; এর জন্য শ’হীদ মিরারে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »