1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
কাশ্মীরে পাকিস্তানি সেনাদের গু’লিতে ভারতীয় বিএসএফ কর্মকর্তা নি’হত পবিত্র আজান হলো শান্তি আর প্রেমের প্রতীক: শিবসেনা নেতার মন্তব্য এবার মধুপুরে গোবরের মধ্যে পবিত্র কুরআন শরীফ ফেলে ইসলাম ধর্মকে অবমাননা বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে মামুনুল হকের পরিণতি খুব খারাপ হবে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী এবার সংবিধান থেকে ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অকারণে আলেমদের নিয়ে কটূকথা বলবেন না: ডা. জাফরুল্লাহ অনলাইনেও নিরাপদ নয় শিক্ষার্থীরা বাল্যবিয়ের অভিশাপে বৃষ্টির দুঃসহ জীবন শুধু ধ’র্ষণ নয়, কা’টাছেঁ’ড়া মৃ’তদে’হের সঙ্গে সেলফি তুলতো মুন্না বাড়ি তো নয় যেন মাটির প্রাসাদ

হযরত তালহা (রাঃ) এর কথা শুনে আল্লাহর রাসুল(সা.) দরদর করে কেঁদে ফেলেন!

  • প্রকাশিত: ০৯:২৫ am | মঙ্গলবার ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ২০৪ বার পঠিত

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী:হযরত তালহা (রাঃ) এর কথা শুনে আল্লাহর রাসুল(সা.) দরদর করে কেঁদে ফেলেন!হযরত তালহা (রাঃ) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য

সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান। অথচ নবীজী (সাঃ) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন।অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে

এই কথা নবীজীর কানে পৌছালো। নবীজী সাহাবিদের বললেন, আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল।

ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন, তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি?

আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি? একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ)! আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি।

নবীজী (সাঃ) বললেন, তাহলে তালহা! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন?তালহা কেদে কেঁদে বললেন, রাসুল (সাঃ)! আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র

জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলংগ থাকেন। স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলংগ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর

রাসুল (সাঃ)। ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া

আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কেঁদে ফেলেন। নবীজীর দাঁড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে

জানিয়ে দিলেন, তালহারে! নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে। আল্লাহু আকবার।(কাহিনী টি মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে)বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ছাহেব।
এবার সাকিব আল হাসানকে কুপিয়ে হত্যা করতে চান এই ব্যাক্তি !

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২০ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »