1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
সেঞ্চুরির পথে চিনি, সঙ্গ দিচ্ছে সয়াবিন তেল - ২৪ ঘন্টাই খবর

সেঞ্চুরির পথে চিনি, সঙ্গ দিচ্ছে সয়াবিন তেল

  • আপডেট করা হয়েছে: শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৭১ বার পঠিত

নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই লাগামহীন। চাল, ডাল, আটার বাইরে আলাদা করে অন্য কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনাও কম। আর এই ফাঁকেই নীরবে দাম বাড়ছে আরেক অত্যাবশ্যক পণ্য চিনির। পাশাপাশি

আগের মতোই নিজস্ব গতিতে বৃদ্ধির পথী ছুটে চলছে তেলের দাম। আজ শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর কাপ্তান বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, রায়ের বাজারের খুচরা ও পাইকারি দোকান ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

গত সপ্তাহে খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চিনির দাম ছিল ৮৪ থেকে ৮৮ টাকা। আজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়।পাশাপাশি একই ভাবে বাড়ছে খোলা বাজারে সয়াবিন তেলের দাম। সরকার দাম নির্ধারন করে দিলেও খোলা সয়াবিন তেলের এখন লিটার

বিক্রি হচ্ছে ১৬৩ থেকে ১৬৪ টাকা। ব্যাবসায়ীরা জনান, বোতলজাত সয়াবিন ও পাম তেলের দাম অনেকটা কমেছে। তবে ডিলাররা খোলা সয়াবিন তেলের দাম কমাননি। পাইকারি পর্যায়ে কমলে খুচরা বাজারেও কমে যাবে। তারা আরো বলছেন ,

আগে ৫০ কেজির চিনির বস্তা কিনতেন ৪২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪৩০০ টাকায়। দুইদিন আগে চিনি কিনতে হয়েছে ৪৫০০ টাকায়। তবে প্যাকেট জাত চিনির দাম গত এক সপ্তাহে বাড়েনি। সেগুলো প্যাকেটের গায়ে লেখা দামেই (৯৫ টাকা) বিক্রি হচ্ছে।

চিনির দামের বিষয়ে কথা হয় মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের পাইকারি ব্যবসায়ী শাকিলের সঙ্গে। তিনি জানান , কয়েকদিন আগেও ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে চিনি পাইকারি বিক্রি করতাম। দুই দিনে দাম বেড়ে যাওয়া এখন মানভেদে ৮৫ টাকা পর্যন্ত

বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মিলে চিনির দাম তেমন না বাড়লেও ট্রাক লোড করা ও পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া, ডিপো ও ডিলাররা সিন্ডিকেট করে দামবৃদ্ধি করছে। ফলে আমাদের বেশি দামে চিনি কিনতে হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে

খুচরা বাজারে। এছাড়া তেলের বর্তমান মূল্য সম্পর্কে ক্রেতারা জানান, নতুন দামে তেল বিক্রি করতে বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন। এদিকে, বিক্রেতাদের দাবি, বাড়তি দামে কেনার কারণে আগের দামেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

এছাড়া বাজারের খুচরা ব্যাবসায়ী শিফিক উদ্দিন বলেন, আগের দামে কেনা চিনি ৯০ টাকা দরে বিক্রি করছি। কিন্তু আজ পাইকারি কেনা-ই বেশি পড়েছে। তাই ৯৫ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি বস্তা চিনিতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দাম

বেড়েছে। সবকিছুর দাম বাড়ায় আমরা দোকানদাররাও ভালো অবস্থায় নেই। এসময় বাজারে চিনি কিনতে আসা শ্রমজীবী বলেন, আমরা-তো কোনোমতে খেয়ে বেঁচে আছি। নাস্তায় পিঠা খেলে চিনি লাগে, তাই সেগুলো খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। ১০০

টাকা কেজি চিনি কোনো দিন দেখিনি। সারাদিন পরিশ্রম শেষে আগে লেবুর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে একটু শরবত খেতাম। এখন শুধু লেবুর পানি খাই, চিনি দেই না। এছাড়া বাজার করতে আসা এক স্কুলশিক্ষক

বলেন, ‘বাজারে এসে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি, কী কিনব আর কী কিনব না। তেলের দাম কমানোর পরেও আগের দাম রয়ে গেছে। এদিকে চিনির দামের প্রভাব পড়েছে চা দোকানগুলোতে। চিনির দাম

বাড়ার অজুহাতে ৫ টাকার চা এখন ৮-১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাস্তার ধারের ২৫০ গ্রাম খোলা দুধ আগে বিক্রি হতো ২০ টাকায়। চিনির দাম বাড়ার কথা বলে দোকানিরে তা এখন বিক্রি করছেন ২৫ টাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com