1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
সিগারেটের গোডাউন পুড়ে পুরোটাই ছাই কিন্তু অক্ষত রইলো পবিত্র আল কোরআন - ২৪ ঘন্টাই খবর

সিগারেটের গোডাউন পুড়ে পুরোটাই ছাই কিন্তু অক্ষত রইলো পবিত্র আল কোরআন

  • আপডেট করা হয়েছে: শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৩৪ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌর সদরের চণ্ডীপাশা স’মিল এলাকায় সোম”বার দিবাগত রাতে আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির গোডাউনসহ ছয়টি ঘর অ”গ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে পবিত্র কোরআন শরীফ রয়েছে অক্ষ’ত। জ্বল’ন্ত সেই

অগ্নিকা’ণ্ডে পুড়েনি কোরআন শরীফের কোনো আরবি হরফ। সেই সঙ্গে অক্ষত রয়েছে দুইটি জা”য়নামাজ। এতে কেউ হতাহ’ত না হলেও ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষ’তি হয়েছে।এই খবর ছড়িয়ে পড়ে নান্দাইলের সর্বত্র। তা নিজ চোখে

দেখার জন্য উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন এ”সে ভিড় জমাচ্ছেন অগ্নিকা’ণ্ডের স্থানে। মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ আবদুর রহিম সুজন,

পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া এবং থানার ওসি মনসুর আহম্মদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয়রা জানান, ভোররাতে এই অগ্নিকা’ণ্ড ঘটে। আবুল খায়ের টো”ব্যাকো কোম্পানির গোডাউনসহ ফাহিম ভিলা নামে একটি বাসার ছয়টি ঘর পুড়ে যায়।বাসার ভিতরে ঘুম’ন্ত অবস্থায় লোকজনদের বের করতে পারলেও আগুন বিশালাকারে ছড়িয়ে

পড়ায় ঘরের আসবাবপত্র-মালামাল বের করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে দ্রুত আ”গুন নিয়ন্ত্র’ণে আনে। তারা আরও জানান, কোম্পানির গোডাউনে মশার কয়েল থেকে এ অগ্নিকা’ণ্ড ঘটতে পারে।টোব্যাকো কোম্পানির প্রতিনিধি আল মামুন জানান, ‘গোডাউনে কোম্পানির বিড়ি, সিগারেট এবং ম্যাচ থাকলেও

কোনো লোকজন ছিল না। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকা’ণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।’ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রুবেল মিয়া জানান, ‘এই ঘটনায় কেউ হ’তাহ’ত হননি। তবে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষ’য়ক্ষ’তির সঠিক পরিমাণ জানতে তদ’ন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’ আরো পড়ুন-মায়ের দোয়া আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের

ইমাম বানিয়েছে লন্ডনের এক কনফারেন্সে পবিত্র কাবা শরীফের এক ইমাম আল কালবানি এই কাহিনী বর্ণনা ক’রেন। এতে তিনি তার জীবনের একটি বাস্তবতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার উপর কোনো কারণে রেগে গিয়ে তার মা আল্লাহর কাছে যে দু‘আ করেছিলেন তাই তার জীবনে

সত্যে পরিণত হয়েছে। ‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে ছোটবেলায় ইমাম কালবানি খুব দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন বলে জানালেন। দুষ্টুমি করে প্রায়শই তিনি মা”কে রাগাতেন। কিন্তু তার মা ছিলেন খুবই দ্বীনদার একজন মহিলা, তিনি জানতেন আল্লাহর কাছে দু‘আর কী শক্তি। তিনি দু‘আ করাটা তার অভ্যাসে পরিণত

করেছিলেন। ছেলের উপর যখনি রেগে যেতেন তখনি তিনি বলতেন, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে পথ দেখান! আর তিনি যেন তোমাকে কাবার ইমাম বানান!’ ইমাম আল কা”লবানি বললেন, ‘আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করেছেন ও আমি আজ কাবার ইমাম।’ কালো মানুষ শাইখ আদিল আল

কালবানি পারস্য উপসাগরীয় এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান। নিউইয়র্ক টাইমস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে শাইখ কালবানি বলেছেন, ‘মসজিদুল হা”রামের নামাজের ইমামতি করা অসাধারণ সম্মানের, আর এই কাজ শুধুমাত্র আরব ভূখণ্ডের আরবদের জন্যই নির্ধারিত।’ ইমাম বলেন, যখন আপনার সন্তান খারাপ আচরণ

করবে তখন তাকে গালমন্দ করবেন না। এতে বিপর্যয় ঘটতে পারে। আমি একজনকে জানি যিনি তার ছেলেকে বলেছিলেন— ‘যাও মর’, অতঃপর তিনি সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, যখন সেই দিনই তার ছেলে মা”রা যায়। সুবহানআল্লাহ! প্রিয় সন্তানের পিতা এবং মাতাগণ! আপনাদের ভাষা সংবরণ করুন। আপনার ছেলে-মেয়েদের জন্য

ভাল দু‘আ করার অভ্যাস তৈরি করুন, এমনকি যখন আপনি অ”নেক রেগে যান তখনও তার জন্য দু‘আ করুন। ‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তিনটি দু‘আ আল্লাহ কখনও প্রত্যাখ্যান করেন না, ছেলেমেয়েদের জন্য তার পিতামাতার দু‘আ,

রোজাদারের দু‘আ এবং মুসাফিরের দু‘আ’। (বায়হাকী, তিরমিযী, হাদীসটি সহীহ সূত্রে বর্ণিত) বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ জাপানী তরুণীর একসময় হ”তাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। এই কথা গুলো বলেছেন জাপানি এক তরুণী

যিনি বৌদ্ধ ধর্মানুসারী ছিলেন পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। জাপানি ওই তরুণীর নাম নুর আরিসা মরিয়ম। ব”র্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তবে শিশুকাল থেকে বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে। ইসলাম গ্রহণের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মেজর

বিষয় ছিল মালেশিয়ান স্টাডিজ। ও এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মুসলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়।এসময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারি এর”পর অনেক মুসলিমদের সঙ্গে আমি দেখা করি এবং একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধর্ম হল ইসলাম। আরিসার ইসলাম

ধর্ম গ্রহণের বিসয়টি ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন। আরিসা বলেন, আমি জানি আমার জীবনে এখনও অনেক সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com