1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
বিস্ময়কর সেই প্রিয় সাহাবি গাছ! - Online newspaper in Bangladesh

বিস্ময়কর সেই প্রিয় সাহাবি গাছ!

  • আপডেট করা হয়েছে: রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২১৪ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
বিশ্ব জাহানের একমাত্র মালিক আল্লাহ, যিনি এক এবং অদ্বিতীয়। তিনি তাঁর সার্বভৌমত্বের ঘোষণা দেয়ার জন্য যুগে যুগে অনেক নবী-রাসূল বা তাঁর প্রতিনিধি প্রেরণ ক”রেছেন এই পৃথিবীতে। যারা এই জগতে আল্লাহর এ”কত্ববাদ প্রচার করেছেন। কিন্তু মহান আল্লাহতায়ালা তাঁর অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে

গিয়ে শুধু তার প্রতিনিধিদের প্রচারের উপর বসে থাকেননি বরং বিস্ময়কর এবং অবিশ্বাস্য সব সৃষ্টি দিয়ে তিনি তাঁর একক শক্তি এবং ক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। তেমনই একটি প্রমাণ হচ্ছে সাহাবি গাছ। যাকে ইং”রেজিতে বলা হয় The Blessed Tree. সাহাবি গাছ এমনই একটি গাছ যে

গাছটি অবিশ্বাস্যভাবে শত বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বেষ্টিত মরুভূমিতে গত ১৫০০ বছর ধরে একাই দাঁড়িয়ে আছে। মরুভূমির রুক্ষ পরিবেশের কারণে জন্ম থেকেই এই গা”ছটি ছিল পাতাহীন শুকনো কিন্তু একসময় আল্লাহর হুকুমে গাছটি সবুজ পাতায় ভরে ওঠে ও আজ পর্যন্ত গাছটি সবুজ শ্যামল অবস্থায় আছে। অবিশ্বাস্য এই গাছটি

জর্ডানের মরুভূমির মধ্যবর্তী সাফাঈ নামক স্থানে অবস্থিত। জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ সর্বপ্রথম এই স্থানটিকে পবিত্র স্থান হিসেবে ঘোষণা দেন। ৫৮২ খ্রিস্টাব্দে সর্ব”কালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর বয়স তখন ১২ বছর।

মোহাম্মদ (সা.) তার চাচা আবু তালিবের সাথে বাণিজ্য উপলক্ষে তৎকালীন শাম বা সিরিয়ার উদ্দেশে মক্কা থেকে যাত্রা করেন। তাদের পরিভ্রমণের প’থে তারা সিরিয়ার অদূরে জর্ডানে এসে উপস্থিত হন। জর্ডানের সেই এলাকাটি ছিল শত শত মাইল ব্যাপী বিস্তৃত উত্তপ্ত বালুকাময় এক মরুভূমি। মোহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর চাচা আবু

তালিব মরুভূমি পাড়ি দেয়ার সময় ক্লান্ত হয়ে একটু বিশ্রামের জায়গা খুঁজছিলেন। কিন্তু আশপাশে তাঁরা কো”নো বসার জায়গা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। চারদিকে যত দূর চোখ যায় তারা কোনো বৃক্ষরাজির সন্ধান পেলেন না। কিন্তু দূরে একটি মৃতপ্রায় গাছ দেখতে পেলেন। উত্তপ্ত

মরুভূমির মাঝে গাছটি ছিল লতাপাতাহীন শীর্ণ এবং মৃতপ্রায়। শেষে উপায় না পেয়ে তারা মরুভূমির উত্তাপে শীর্ণ পাতাহীন সেই গাছের তলায় বসেন। কথিত আছে, মোহাম্মদ (সা.) তার চাচাকে নি’য়ে যখন গাছের তলায় বসে ছিলেন তখন তাদের ছায়া প্রদানের জন্য আল্লাহর নির্দেশে মৃতপ্রায়

গাছটি সজীব হয়ে ওঠে এবং গাছটির ডালপালা সবুজ পাতায় ভরে ওঠে। সেই গাছটিই বর্তমানে সাহাবি গাছ নামে পরিচিত। সে সময় দূরে দাঁড়িয়ে জারজিস ওরফে বুহাইরা নামের একজন খ্রিস্টান পাদ্রি সব কিছু দেখছিলেন। আবু তালিব মোহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে পাদ্রির নিকটবর্তী হলে তিনি

বলেন, আমি কোনোদিন এই গাছের নিচে কাউকে বসতে দেখিনি এবং এই গাছটিও ছিল পাতাহীন কিন্তু আজ গাছটি পাতা”য় পরিপূর্ণ। এই ছেলেটির নাম কী? চাচা আবু তালিব উত্তর দিলেন, মোহাম্মদ। পাদ্রি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, বাবার নাম কী? আবদুল্লাহ। মাতার নাম? আমিনা। বালক মোহাম্মাদ (সা.) কে দেখে এবং তার পরিচয়

শুনে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পাদ্রির চিনতে আর বাকি রইল না যে এই সেই বহু প্রতীক্ষিত শেষ নবী মোহাম্মদ (সা.)। পাদ্রি চাচা আবু তালিবকে ডেকে বললেন, তো”মার সাথে এই বালকটি সারা জগতের সর্দার, সারা বিশ্বের নেতা এবং সেই হবে এই জগতের শেষ নবী। আমি তাঁর সম্পর্কে বাইবেলে পড়েছি এবং আমি ঘোষণা দিচ্ছি এই

বালকটিই শেষ নবী। সাহাবি গাছ সেই ১৫০০ বছর পূর্ব হতে আজ পর্যন্ত সেইভাবেই জর্ডানের মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে। আজও গাছটি সবুজ পাতায় ভরা। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, এই গাছটি যেখানে অবস্থিত তেমন মরূদ্যানে কোনও গাছ

বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। গাছটির চারিধারে দিগন্ত জোড়া শুধুই মরু”ভূমি আর মরুভূমি। উত্তপ্ত বালুকাময় মরুভূমির মাঝে গাছটি একাই দাঁড়িয়ে থেকে আল্লাহর অসীম ক্ষ’মতার সাক্ষ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সেই সাথে প্রিয় রাসূল মোহাম্মদ (সা.)-এর স্মৃতি আঁকড়ে ধরে আছে।
আফগানিস্তানের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম:তালেবান

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2021
Site Developed By Bijoyerbangla.com