1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
সরকারি চাকরিজীবী হয়েও ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিনি - ২৪ ঘন্টাই খবর

সরকারি চাকরিজীবী হয়েও ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিনি

  • আপডেট করা হয়েছে: শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৩০ বার পঠিত

সরকারি চাকরিজবিী হয়েও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এস এম রিয়াদ হাসান। এমনকি সরকারি চাকরি পাওয়ার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে অবৈধভাবে থাকছেন তিনি। অথচ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীরা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকতে পারবেন না। অভিযোগ উঠেছে,

সরকারি চাকরি পাওয়ার পরও ছাত্রলীগের উপ-সাহিত্য সম্পাদক এস এম রিয়াদ হাসানকে সহ-সভাপতি হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও

সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। সরকারি চাকরিজীবী হওয়ার পর তাকে পদ থেকে অব্যাহতি না দিয়ে উল্টো পদোন্নতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা৷ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে সমালোচনামূলক

পোস্ট করেছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সেখানে তারিখ উল্লেখ

করা ছিল ৩১ জুলাই ২০২২। সম্প্রতি রিয়াদ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তবে তার চাকরিপ্রাপ্তির তারিখ ছিল এ বছরের ৫ জুলাই। জানা

যায়, রিয়াদ ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। কয়েক বছর আগেই তার স্নাতক-স্নাতকোত্তর শেষ হয়েছে। তবুও অবৈধভাবে থাকছেন ঢাবির শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে। তার

কক্ষে আছে টিভি, রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কুলার। ছাত্রলীগের আরেক সহ-সভাপতি সোহান খান সাংবাদিকদের বলেন, চাকরিজীবী হওয়ার কারণে এর আগে ছাত্রলীগ থেকে অনেককে অব্যাহতি দিয়েছিলেন জয়-লেখক। কিন্তু এখন দেখা গেছে চাকরি পাওয়ার

পর রিয়াদকে অব্যাহতি না দিয়ে পদোন্নতি দিয়ে তারা সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। তবে এবিষয়ে এস এম রিয়াদ হাসানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিয়ান খান জয় গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি (রিয়াদ) সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বা সাংগঠনিক সম্পাদক হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এসব পদের কোনোটিই শূন্য না থাকায় আমরা তাকে তা দিতে পারিনি। তাকে

সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়। প্রত্যাশিত পদ না পাওয়ায় তার মন খারাপ ছিল। যখন তাকে পদ দেওয়া হয়, তখন তিনি সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। কিন্তু যেহেতু এখন তিনি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাই তার পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com