1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
সতর্কবার্তাঃ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে 'ওমিক্রন': স্বাস্থ্য অধিদপ্তর - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
এইমাত্র পাওয়াঃ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য আসলো বিশাল সুখবর! চাঞ্চল্যকরঃ টিকটক করতে সেতু থেকে লাফ দিয়ে যুবক নিখোঁজ এইমাত্র পাওয়াঃ বৈঠক শেষে ফুরফুরে মেজাজে ‘ফ্লাইং কিস’ দিয়ে রহস্যজনক বার্তা দিলেন সাকিব ব্রেকিং নিউজঃ ডিপ্লোমা কোর্স ৪ থেকে ৩ বছর হওয়া নিয়ে শিক্ষা মুন্ত্রি দীপু মনির বক্তব্য! মাত্র পাওয়াঃ অবশেষে‘সাকিব তার ভুল বুঝতে পেরেছে’ নিজের যোগ্যতা দেখিয়ে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টির জায়গা ছিনিয়ে নিলেন এবাদত এইমাত্র পাওয়াঃ পরীক্ষা হলে জালিয়াতি, মিলল ৬টি জাতীয় পরিচয়পত্র চোটের কারণে এশিয়া কাপের দলে অনেকে বাদ পরলেও যে কারণে বাদ পড়লেন না সোহান মাত্র পাওয়াঃ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস সকলকে ভেলকি দেখিয়ে এশিয়া কাপ দলে স্পেশালিস্ট হয়ে ফিরলেন সাব্বির

সতর্কবার্তাঃ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ‘ওমিক্রন’: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • আপডেট করা হয়েছে: রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২০৬ বার পঠিত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমায় আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’। আজ

রোববার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে এখন করোনা সংক্রমণের হার ২ শতাংশের নিচে। এরপরও আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো

কারণ নেই। কারণ ঘরের দরজায় বিপজ্জনক ধরন ‘ওমিক্রন’ কড়া নাড়ছে। এই মুহূর্তে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, মাস্ক পরতে হবে। এগুলো নিশ্চিত করতে পারলে ‘ওমিক্রন’ হোক বা অন্য কোনো ধরন হোক তা আমরা

মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি। এক্ষেত্রে কমিউনিটিতে আমাদের সবার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অংশগ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে অন্যকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করা এবং সহায়তার মধ্য দিয়েই আমরা এ ভাইরাসটিকে শতভাগ নিয়ন্ত্রণে

রাখতে পারবো বলে মনে করি।আফ্রিকান দেশগুলো থেকে যারা আসবে, তাদেরকেই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে, বাকি দেশগুলোর বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কী ভাবছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আফ্রিকান দেশগুলোতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে বলেই তাদের জন্য

বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অন্য যেকোনো দেশেও যদি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়, তাহলে তাদের বেলায়ও আমরা একইরকম সিদ্ধান্ত নেব। কারণ হলো কমিউনিটি ট্রান্সমিশন আর ইমপরট্যান্ট কেইস কিন্তু এক নয়। আফ্রিকায় যেটি হয়েছে সেটি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন, আর ইউরোপে যেটি হয়েছে সেটি ইমপরট্যান্ট কেইস।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com