1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
রিজার্ভের টাকা নিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা করছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী - ২৪ ঘন্টাই খবর

রিজার্ভের টাকা নিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা করছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট করা হয়েছে: শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৩৪ বার পঠিত

রিজার্ভের টাকা নিয়ে বাংলাদেশে একটা অপপ্রচারের চেষ্টা হয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের বিরোধী দল থেকে রিজার্ভের টাকা গেল কোথায়

এ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন করে। সেই সঙ্গে সঙ্গে সারা বাংলাদেশে একটা অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে। তাদের আমি বলতে চাই, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন রিজার্ভ ছিল

মাত্র ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত এটা বৃদ্ধি পেয়েছিল মাত্র ৫ বিলিয়নের মতো। সেই জায়গা থেকে আমরা এই রিজার্ভ প্রায় ৪৮ বিলিয়নের কাছাকাছি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হই।

শনিবার (১২ নভেম্বর) সকালে গণভবনে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে যোগাযোগ-যাতায়াত-আমদানি সবকিছু পায় বন্ধ ছিল। যখন এই যোগাযোগটা খুলে গেছে, তখন আমাদের আমদানি করা, বিশেষ করে সারা বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে

বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। অর্থনৈতিক যে মন্দা দেখা দিয়েছে, তার আঘাতটা আমাদের দেশে এসে পড়েছে। আজকে রিজার্ভের টাকা থেকে আমাদের যেমন আমদানি ব্যয় মেটাতে হচ্ছে, পাশাপাশি আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থাও বিনা পয়সায় করেছি।

পৃথিবীর উন্নত কোনো দেশ বিনা পয়সার টেস্টের ব্যবস্থা করেনি, ভ্যাকসিনও দেয়নি। আমরা নগদ টাকা দিয়ে প্রথমে ভ্যাকসিন কিনি। এরপরে আমরা অনুদান পেয়েছি। আমরা কিন্তু নগদ টাকা দিয়ে কিনি—যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্যপণ্যের দাম কিন্তু সারা বিশ্বে বেড়ে গেছে। পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে। জ্বালানি-ভোজ্য তেল, গম, ভুট্টা, ডাল—যা কিছু আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। আমরা চাল উৎপাদন করছি, খাদ্য উৎপাদন করছি। আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ,

তারপরও আমাদের আমদানি করতে হয়। যখন বন্যা-ঘূর্ণিঝড়ে ফসল নষ্ট হলো তখন আমাদের ফসল আমদানি করতে হয়েছে। আমরা যেটুকু খরচ করেছি সেটা জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে। জনগণের খাদ্য, ক্যান্সারের ওষুধ কেনা… জনগণের

মঙ্গলের জন্য আমাদের করতে হয়েছে। সার, জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ আমাদের কিন্তু কিনতে হচ্ছে। নগদ টাকা দিয়ে আমরা কিনছি। তা ছাড়া, আমাদের রিজার্ভের টাকা দিয়ে আমরা কিন্তু বিমান কিনেছি। নদী ড্রেজিং, সেটাও আমরা নিজেদের রিজার্ভের টাকা দিয়ে করছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কিছু কিছু আমরা বিনিয়োগ করছি এই কারণে সেটা হলো, আমরা যদি অন্য দেশ থেকে লোন নিই আমাকে সুদসহ সেই ডলার পরিশোধ করতে হয়। আমাদের ডলার যদি আমরা খরচ করি, আমরা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে

দিচ্ছি, তাতে করে সুদসহ টাকাটা… আমাদের দেশের টাকা দেশেই থেকে যায়। সেটাকে লক্ষ করে ৮ বিলিয়নের মতো আমরা খরচ করেছি। যখন শ্রীলঙ্কা খুব অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়ে তাদেরও কিছু টাকা আমরা ধার দিয়েছি।

এখানে কিন্তু পয়সা কেউ তুলে নিয়ে চলে যায়নি। তাদের মনে সব সময় ও রকম ভয় থাকে, এ কথা তারা বলে। বিএনপি বিশেষ করে বলবে। বলার কারণটা হচ্ছে, তাদের নেতা তারেক জিয়া মানি লন্ডারিং কেসে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা

অর্থদণ্ড পেয়েছে এবং সে পলাতক আসামি। মানি লন্ডারিং যাদের অভ্যাস তারা শুধু ওইটাই জানে টাকা বোধ হয় সব নিয়ে যেতে হয়। আওয়ামী লীগ সরকার এ দেশের একটা অর্থও অপচয় করে না। প্রতিটি অর্থ ব্যয় করে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে-কল্যাণে এবং তাদের ভালো-মন্দ দেখে, বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, টাকা কেউ চিবিয়ে খায়নি, গিলেও খায়নি আর নিয়েও যায়নি। তবে হ্যাঁ, বিএনপি বলবে। তারা নিজেরা চুরি করে অর্থ-সম্পদ বানিয়েছে। কারণ তাদের তো কিছুই ছিল না। জিয়াউর রহমান যখন মারা যায়, আমরা ৪০ দিন

টেলিভিশনে দেখেছি, ভাঙা স্যুটকেস আর ছেঁড়া গেঞ্জি ছাড়া কিছু রেখে যায়নি। পরবর্তীতে দেখি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক তারা। জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করেই তারা তা হয়েছে।

সবাইকে উৎপাদনে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এক ইঞ্চি জমিও যাতে অনাবাদি না থাকে। বিশ্বব্যাপী একদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, তারপর করোনা, তার ওপর ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা; যার

ফলাফলে আজকে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম-পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। এক্ষেত্রে নিজেদের সফল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টি নিশ্চয়তার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের মাটি মানুষ আছে,

আমরা তা করতে পারব। যাদের নিজের জমি আছে সেখানে যাতে চাষ হয় সে ব্যবস্থা নেবেন। যদি কখনো বিশ্বে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় আমাদের বাংলাদেশে যেন সেই ধাক্কা কোনোভাবেই না লাগে। আমাদের সাবধানতা আমাদেরই নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। আমরা বঙ্গবন্ধু টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল তৈরি করছি। সবগুলোতেই আমাদের টাকা খরচ করতে হচ্ছে। রিজার্ভের টাকা তো লাগছে। এটা তো বাস্তবতা। মানুষের

যোগাযোগ-চলাচল আরও সহজ হয় যাতে তার ব্যবস্থা করছি। আমরা সড়ক, নৌ, রেল ও আকাশ পথ; সবগুলোর ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছি। এটা আকাশ থেকে পড়েনি। বেশিরভাগ কাজ আমরা নিজেদের অর্থ দিয়ে করছি। যেন কারো কাছে হাত পেতে চলতে না হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com