1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
মোবাইলের সূত্র ধরে ১১ মাস পর ব্যবসায়ীর কঙ্কাল উদ্ধার আটক সেই পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা এই পাকিস্তানই একমাত্র আমাদের প্রকৃত বন্ধু: চীনের প্রেসিডেন্ট এসএসসি রেজাল্ট প্রকাশিত হচ্ছে রোববার ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংগ্রাম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের সমান:আয়াতুল্লাহিল খামেনেয়ী কটিয়াদীতে মসজিদে এতেকাফ করা অবস্থায় শিক্ষকের মৃ’ত্যু সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনা নিরসনে চীনের সঙ্গে আলোচনায় ভারত এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জন করোনায় আক্রান্ত লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশীকে গু’লি করে হ’ত্যা নড়াইলের স’ন্ত্রাসীদের হাতে নি’হত ক্রীড়াবিদ ও আ’লীগ নেতার দা’ফন সম্পন্ন অতিতের রেকর্ড ভেঙ্গে আজ আক্রান্ত ২০২৯ জন মৃ’ত্যু ১৫ জনের

রমজানের আগে আজহারীর গুরুত্বপূর্ণ ৭টি পরামর্শ জেনে নিন কি কি

  • প্রকাশিত: ১১:৫৫ am | মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৬৮ বার পঠিত

রমজানের আগে আজহারীর গুরুত্বপূর্ণ ৭টি পরামর্শ জেনে নিন কি কি।আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হবে মুসলিম উম্মাহর তাকওয়া ও আত্মগঠনের মাস পবিত্র রমজান। যার জন্য মুসলমানরা দীর্ঘ এগারো মাস অপেক্ষা করে থাকেন। কিন্তু চলতি বছরের রোজা স্বাভাবিকভাবে অন্যান্য বছরের মতো হবে না। মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এ বছরটা

কাটাতে হবে একটু ভিন্ন ভাবে।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদে আসা শিথিল করা হয়েছে। ঘরে বসে সবাইকে নামাজ ও দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছে প্রতিটি দেশের সরকার। কাবা শরিফ থেকে শুরু করে আল আকসার মতো ধর্মীয় সর্বোচ্চ পবিত্র স্থানসমূহকে ঘিরেও বিধিনিষেধ জারি আছে।

করোনার মহামারীর মধ্যে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের আমল নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন সময়ের আলোচিত ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এসব পরামর্শ দেন আজহারী। আজহারীর স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

১. এ বছর রমজানের শুরুতেই আপনার জাকাত আদায়ের পরিকল্পনা করে ফেলুন। আপনার জা’কাতবর্ষ পূর্ণ হতে কয়েক মাস বাকি থাকলেও সম্ভব হলে এ রমজানেই জাকাত আদায় করে দিন। জাকাত অগ্রিম আদায় করা যায়। তাই করোনা পরিস্থিতিতে অভুক্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, আপনার জাকাতের অর্থ পৌঁছে দিন তাদের হাতে।

কাজকর্ম সব বন্ধ থাকায় খাদ্যাভাবে কঠিন সময় পার করছে শ্রমজীবী স্বল্পআয়ের এ মানুষগুলো। এমন সংকটাপন্ন মুহূর্তে এর চেয়ে ভালো কোনো সৎকর্ম আর হতে পারে না।

পাশাপাশি বিগত বছরের অপরিশোধিত জাকাত থাকলে সেটিও এই রমজানে আদায়ের পরিকল্পনা করুন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করছেন- ‘এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পবিত্র অন্তরে যে জাকাত তোমরা দিয়ে থাক, তা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়’। (আল-রুম: ৩৯)

২. কোরআনুল কারিম কেন্দ্রিক রমজানে বিশেষ পরিকল্পনা করুন। খতম উঠানোর জন্য ওঠেপড়ে না লেগে বিশুদ্ধ তিলাওয়াত নিশ্চিত করুন এবং তাদাব্বুর তথা বুঝে বুঝে এবং অনুধাবন করে কোরআনিক মেসেজগুলো হৃদয়ঙ্গম করার চেষ্টা করুন। তাড়াহুড়ো করে অনেক খতমের চেয়ে বুঝে পড়া ও তিলাওয়াতের গুণগত মান নিশ্চিত করা বেশি জরুরি।

রমজান আসার আগেই কোরআনের বিশেষ কিছু অংশ বা কয়েকটি সুরা মুখস্ত করার পরিকল্পনা করুন। পরিবারের সবাই মিলে মুখস্তকৃত অংশগুলো একে অপরকে শোনাতে পারেন। কোয়ারেন্টিনকে কোরআন টাইম বানান। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করছেন- ‘এর পরও কি ওরা কোরআন নিয়ে গভীর ধ্যানে নিমগ্ন হয়ে তা অন্তরে ধারণ করবে না? নাকি ওদের মনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে? (মুহাম্মাদ: ২৪)।

৩. যেহেতু লকডাউন চলছে, সবাইকে বাসায় থাকতে হচ্ছে, হাতে এখন প্রচুর সময়। সময়গুলো প্রোডাক্টিভ কাজে বিনিয়োগ করুন। বাসায় ইসলামী হালাক্বার আয়োজন করতে পারেন, যেখানে পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে কোরআনের সরল বঙ্গানুবাদ, ম’র্মার্থ ও সংক্ষিপ্ত তাফসির কিংবা রিয়াদুস সালিহিনের মতো যে কোনো হাদিস গ্রন্থের ওপর বিষয়ভিত্তিক সামস্টিক পাঠের ব্যবস্থা থাকবে।

বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারের লেকচারগুলো ইউটিউব থেকে শুনুন, তাদের লাইভ প্রোগ্রামগুলোতে জয়েন করুন এবং এগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। নলেজ শেয়ারিং অনেক বড় সাদাকাহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমার পক্ষ হতে একটি বাণীও যদি তোমার জানা থাকে, তবে তা অন্যের কাছে ‘পৌঁছে দাও”। (বুখারি)

৪. তারাবিহর সা’লাতের ক্ষেত্রে, রাকাত বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। ধীরেসুস্থে, একাগ্রচিত্তে এবং তা’দিলুল আরকান মেনটেইন করে সালাত আদায় করুন। বিশ রাকাত নামাজ পড়তে পারাটাই উত্তম। আবার রাসুল (সা.) এর আট রাকাতের হাদিসের বর্ণনাও স্বতঃসিদ্ধ। তাই কোয়ান্টিটি নিয়ে বিতর্ক না করে, কোয়ালিটি সালাতের দিকে মনোযোগী হোন। ইসলামী শরিয়ায় যে ব্যাপারগুলোতে প্রশস্ততা রয়েছে, সেগুলো নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।

তা ছাড়া কোরআনে সুন্দর আমলের কথা বলা হয়েছে, বেশি আ’মলের কথা নয়। তাই স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্তভাবে রাতের সালাত দুই রাকাত করে যত বেশি আদায় করা যায়, ততই সওয়াব।

নিষ্প্রাণ সালাত আল্লাহতায়ালার কাছে মূল্যহীন, যদিও তা সংখ্যায় বেশি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘তোমাদের সাধ্যে যতটুকু কুলায় ত’তটুকুই ইবাদত করো। আল্লাহর শপথ, নিশ্চয়ই আল্লাহ কখনও ক্লান্ত হবেন না; বরং তোমরাই ক্লান্ত হয়ে পড়বে’। (মুসলিম)