1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  4. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  5. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  6. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  7. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 

যে সূরা কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করবে

  • প্রকাশিত: ০৮:২০ am | রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫২০ বার পঠিত

স্বদেশ বাংলা:
যে সূরা কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করবে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) এক ব্যক্তিকে বললেন, আমি কি তো’মাকে এমন একটি হাদিস শোনাব, যা শুনে তুমি খুশি হবে? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ শো’নান।ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, তুমি নিজে সূরা মূলক

পড় এবং পরিবারের সবাইকে এবং প্রতিবেশীকে তা শিক্ষা দাও। কারণ এটি মুক্তিদানকারী এবং ঝগড়াকারী।কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করে তার পাঠকারীকে সে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করবে ও কবরের আজাব থেকে বাঁচিয়ে রাখবে।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

বলেছেন, আমার একান্ত কামনা যে, এই সূরাটি আমার প্র’ত্যেক উম্মতের অন্তরে গেঁথে (মুখস্ত) থাকুক। (ইবনে কাসির)হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোরআন শরীফে ৩০ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা আছে, যা তার তিলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করা পর্যন্ত তার জন্য সুপারিশ করতেই থাকবে। সূরাটি হলো তাবারকাল্লাযি বি’য়াদিহিল মূলক। (আবু দাউদ)এছাড়া সূরাটি নিয়মিত পাঠের

আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক তিলাওয়াতের আমল করবে সে ক’বরের আজাব থেকে মুক্তি পাবে। (তিরমিজি)সুরা মূলক ৪১ বার তিলাওয়াত করলে সব বিপদ-আপদ হতে

রক্ষা পাওয়া যায় ও ঋণ পরিশোধ হয়।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুরা মূলক তিলাওয়াত না করে রাতে ঘুমাতে যেতেন না। (তিরমিজি)এই বর্ণনার উপর ভিত্তি করে আ’লেমরা এশার নামাজের পর সূরা মূলক তিলাওয়াতের আমল করার কথা বলেন।

সূরা মূলকের সারসংক্ষেপ:
সূরা মূলক : ১-৩০ এ সূরা নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩০। রুকু সংখ্যা ২।প্রথম এবং দ্বিতীয় রুকু, ১ থেকে ৩০ নম্বর আয়াত। আল্লাহর মহত্ব এবং বড়ত্ব এবং জীবন-মরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্য বলে সূরা শুরু

করা হয়েছে।তারপর আল্লাহর সৃষ্টি নৈপুন্যের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। যারা এসব দেখেও অস্বীকার করে তাদের কঠোর হু’শিয়ার করা হয়েছে।শেষের দিকে বড় একটা অংশ

আল্লাহ তায়ালা তার সৃষ্টির বিভিন্ন উপাদানের উপমা দিয়ে মানু’ষকে ইমানের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »