1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  4. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  5. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  6. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  7. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 

যে সকল মানুষ নেক কাজ করেও জাহান্নামে যাবে

  • প্রকাশিত: ০৯:২০ am | শুক্রবার ২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৩৮ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
যে সকল মানুষ নেক কাজ করেও জাহান্নামে যাবে।আ’ল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, আমি জিন এবং ইনসানকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য, আমার গোলামির

জন্য। (সুরা জিন) আবার পৃথিবীর সমস্ত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, শুধু যারা ইমান এনেছে এবং সত্কাজ করে ও ধৈর্যশীলেরা ছাড়া। (সুরা আসর) এই আয়াতের দ্বারা বোঝা গেল, যদি কোনো ব্যক্তি ইমান আনে এবং নেক কাজ করে, তা’হলে সে ক্ষতিগ্রস্ত নয়, অর্থাত্ সে জান্নাতি। কিন্তু কিছু কিছু

অপরাধ এমন রয়েছে, যা সত্কাজকেও মিটিয়ে দেয় বা ধ্বংস করে দেয়। তার মধ্যে ভয়াবহ কিছু পাপ কাজ তুলে ধরা হলো। যে ব্য’ক্তির মাঝে তা পাওয়া যাবে, সে শত পুণ্য কাজ করেও জাহান্নামি হবে। (মুসলিম)এক. অহংকার :অহংকার একটি

মারাত্মক ব্যাধি, যার ভেতরে অহংকার নামক ক্যানসার জায়গা করে নিয়েছে, সেই ব্যক্তির নেক কাজ মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যাবে। হাদিস শরি’ফে এসেছে, আগুন যেভাবে শুকনো লাকড়ি বা কাঠকে মুহূর্তের মধ্যে পুড়িয়ে ফেলে, ঠিক অহংকারও

মানুষের সত্কাজ পুড়িয়ে ফেলে। (বুখারি) অন্য এক হা’দিসে রাসুলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেন, যার ভেতরে লোভ, হিংসা আর অহংকার থাকবে, তার ব্যর্থতা অনিবার্য হয়ে দাঁড়াবে। দুই. গিবত :গিবত একটি মারাত্মক অপরাধ। কোনো ব্যক্তি যদি

ইবাদত করার পাশা’পাশি গিবত করে বেড়ায়, তাহলে তার ইবাদত মুহূর্তের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাবে। হাদিসে এসেছে, কোনো ব্যক্তির নামে গিবত করলে নিজের সব সওয়াব ঐ ব্যক্তির আমলনামায় চলে যায় আর তার পাপাচারগুলো নিজের কাছে চলে আসে। সুতরাং দেখা যায়, গিবতের পথ

পরিত্যাগ ক’রতে না পারলে নিজের নেক আমল ধ্বংস হয়ে যাবে, যা দ্ধারা জান্নাতে যাওয়া অসম্ভব। তিন. বান্দার হক্ব :রাসুলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেন, মানুষ নামাজ-রোজা আদায় না করলেও আল্লাহ যদি চান তাকে ক্ষমা করে জান্নাতে দিয়ে দেতে পারবেন। কিন্তু যদি কোনো ব্যক্তি

অন্যের হক্ব বা অ’ধিকার নষ্ট করে, অন্যের মাল আত্মসাত্ করে, তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহর আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তার হিসাব দিতে হবে। (মুসলিম)অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা বান্দার হক্বের

গুরুত্ব বোঝানোর ক্ষেত্রে এই কথা উল্লেখ করেছেন যে, বান্দা যদি তার পাওনা ক্ষমা না করে দেয়, তাহলে আমি আ’ল্লাহরও ক্ষমতা নেই সেদিন তাকে মাফ করে দেব। সে দুনিয়াতে যতই নামাজ-রোজা আর সত্কাজ করুক না কেন, পাওনাদারের

পাওনা বুঝিয়ে দিতে না পারলে সে জাহান্নামি (আবু দাউদ)। এভাবে কিয়ামতের দিন বহু নামাজি, হা’জি, অনেক আবেদ আমল নিয়ে আসার পরও উপরোক্ত বিষয়গুলোর জন্য তাদের জাহান্নামে যেতে হবে।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »