1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
যেভাবে খু,ন হয়েছেন চিত্রনায়িকা শিমু - ২৪ ঘন্টাই খবর

যেভাবে খু,ন হয়েছেন চিত্রনায়িকা শিমু

  • আপডেট করা হয়েছে: সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১০৫ বার পঠিত

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুকে হ,ত্যা করে তার স্বামী সাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু ফরহাদ। তাদের দুজনের দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতে

এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিমু হ,ত্যার ঘটনায় নোবেল ও ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগপত্রের বিষয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে আদালতে।

স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর কলাবাগান এলাকার বাসায় থাকতেন শিমু। গত ১৭ জানুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার হযরতপুর ইউনিয়নের আলীপুর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশে ঝোপের ভেতর থেকে

শিমুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই দিনই কলাবাগান মডেল থানায় স্ত্রী নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিমুর স্বামী নোবেল। লা,শ উদ্ধারের পর তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে নিহত

নারীর পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে। পাশাপাশি অভিনেত্রী শিমুর বাসায় গিয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে। এ সময়ই একটি প্লাস্টিকের সুতোর সূত্র ধরে

উদঘাটন হয় হত্যার মূল রহস্য। লা,শ গুম করতে দুটো বস্তা যে প্লাস্টিকের সুতা দিয়ে সেলাই করা হয়েছিল, সেই সুতোই হুবহু এক বান্ডিল শিমুর স্বামী নোবেলের গাড়িতে পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোবেলকে আটক করে পুলিশ। কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় জিজ্ঞাসাবাদের পর

নোবেল ও তার বন্ধু ফরহাদ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি সকাল সোয়া ৮টায় নোবেলের বাসায় যান ফরহাদ। এসময় ফরহাদকে ড্রইংরুমে বসতে দিয়ে নোবেলকে জানান শিমু। নোবেল গিয়ে ফরহাদের সাথে দেখা করে রান্নাঘরে

চা বানাতে যান। এদিকে বেডরুমে বসে মোবাইল দেখতে থাকেন শিমু। নোবেল আবার সেই মোবাইল দেখতে চান। কিন্তু শিমু দেখাতে অস্বীকৃতি জানান। এনিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। হইচই শুনে

ফরহাদ উঠে শিমুর রুমে যান। তখন নোবেল ফরহাদকে বলেন, শিমুকে ধর, ওকে আজ মেরেই ফেলব। কথামতো ফরহাদ ধরতে গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন শিমু। এরপর নোবেল প্রথমে শিমুর গলা ধরতে গেলে তাকেও ধাক্কা মেরে

ফেলে দেন। এবার ফরহাদকে শিমুর গলা ধরার জন্য বলেন নোবেল। ফরহাদ গলা আর নোবেল দুই হাত চেপে ধরেন। একপর্যায়ে নিচে পরে যান শিমু। নোবেল শিমুর গলার ওপর পা দিয়ে দাঁড়ান। এতে প্রস্রাব করে দেন শিমু। এক সময় শিমু

নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এসময় নোবেল ফরহাদকে দেখতে বলেন, শিমু বেঁচে আছে কি না। ফরহাদ শিমুর হাত দেখে বলেন, ‘শিমু বেঁচে নেই।’ তখন তারা দুজনে মিলে ম,রদেহ লুকানোর পরিকল্পনা করতে থাকেন।

একপর্যায়ে নোবেল রান্নাঘর থেকে দুটি পাটের বস্তা এবং ফ্রিজের ওপর থেকে মিষ্টির প্যাকেট বাধার প্লাস্টিকের রশি আনেন। ফরহাদ শিমুর মাথা উঁচু করে ধরেন। আর নোবেল একটি বস্তার ভেতর শিমুর মাথার অংশ এবং আরেকটি বস্তায় পায়ের অংশ

ভরেন। এরপর প্ল্যাস্টিকের রশি দিয়ে দুটি বস্তা একত্রে সেলাই করে দেন নোবেল। পরে শিমুর ম,রদেহ নোবেলের গাড়ির পেছনের সিটে ওঠান ফরহাদ। এরপর কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন আলীপুর ব্রিজ

এলাকার একটি ঝোপে মরদেহ ফেলে দেন তারা। পারিবারিক কলহের জেরেই নোবেল শিমুকে হত্যা করেছেন। শিমু হ,ত্যা মামলাটি তদন্ত করছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com