1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
মাত্র পাওয়াঃ মহরম সম্পর্কে যা বললেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি - ২৪ ঘন্টাই খবর

মাত্র পাওয়াঃ মহরম সম্পর্কে যা বললেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫৪ বার পঠিত

‘বরগুনায় ১৫ আগস্ট যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা একজন সাধারণ বুদ্ধি বিবেচনা সম্পন্ন মানুষের কাছেও অপ্রত্যাশিত মনে হবে। সুস্থভাবে বলতে গেলে ঘটনাটি বাড়াবাড়ি ও ভুল হয়েছে। এই ঘটনায় বরিশাল

রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে সব বিষয় পরিষ্কার হবে। তদন্ত শেষে সরকারের প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা স্থানীয় এমপিসহ আওয়ামী লীগ

নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ করেছি, তারা তদন্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত আর কোনও পদক্ষেপ নেবেন না। একজন মহরমকে দিয়ে গোটা পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে মূল্যায়ন করবেন না।’ বুধবার (১৭ আগস্ট)

বিকাল ৪টায় ঘটনাটির তদন্তের অগ্রগতি ও আহত ব্যক্তিদের খোঁজ খবর নিতে এসে বরগুনা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে এ কথা বলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান। তিনি

বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আমি মন্ত্রী মহোদয়ের (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সঙ্গে কথা বলেছি। আইজিপি (পুলিশ প্রধান) স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ব্যথিত হয়েছেন। আমরা যেহেতু একটি

সরকারি সংস্থা। আমরা আমাদের নিয়মের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। আগামীকালকের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘১৫ আগস্ট

বরগুনাতে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে এটা অপ্রত্যাশিত। বরগুনাতে আমি সব সময় হাসিমুখে ও আনন্দ করতে আসি। এবারই আমি প্রথম এলাম কষ্ট ও লজ্জা নিয়ে। আমি ভিডিও দেখলাম, একটি বাজে

ঘটনা ঘটেছে। আমি এসে সেদিন যারা আহত হয়েছে তাদের খোঁজখবর নিয়েছি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি। ওনাদের সামনাসামনি এসে ওনাদের মুখের কথা শুনেছি।’তিনি বলেন, ‘মহরমকে (অ্যাডিশনাল

এসপি) ইতিমধ্যে বরিশাল রেঞ্জ কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এরপর তদন্তে যারা অভিযুক্ত হবে তাদের বিরুদ্ধে এসপি যে ব্যবস্থা নেওয়ার সেটা নেবেন। যেটা আমার এখতিয়ারে

থাকবে সেটা আমি ব্যবস্থা নেবো। যেটা মন্ত্রণালয়ের বিষয় সেটা মন্ত্রণালয় দেখবে।’ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তা আছেই এখানে তিন জন। যাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে তিনিই সিনিয়র। জেলা পুলিশের যে কমিটি করা হয়েছে,

এটা তাৎক্ষণিক করা হয়েছিল। পরে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে- তারা কাজ করছে। তাদের তদন্তই চূড়ান্ত। এটা নিয়ে সন্দেহের কোনও

কারণ নেই।’এই ঘটনায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মহরমের এই ঘটনার জন্য আমাকে অনেকেই এ প্রশ্নটা করেছে। আমাদের সবার সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক আছে। আমি মনে

করি, একজন মহরমকে দিয়ে গোটা পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে মূল্যায়ন করবেন না। আমরা সব বিষয়ে আন্তরিক। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।’এ সময় সেখানে

উপস্থিত ছিলেন- বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের

সহ-সভাপতি শওকত হাচানুর রহমান রিমন, বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউল করিম অ্যাটমসহ স্থানীয় আওয়ামী

লীগ নেতৃবৃন্দ। জানা গেছে, আট বছর পর গত ১৭ জুলাই বরগুনা শহরের সিরাজ উদ্দিন টাউন হল মিলনায়তনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও

সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও নিয়মিত কাউন্সিল না করেই বরগুনা ত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এরপর ২৪ জুলাই রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেয়। সদ্যঘোষিত ৩৩ সদস্যের কমিটি

প্রত্যাখ্যান করে গুরুত্বপূর্ণ পদবঞ্চিতরা বিক্ষোভ করে আসছেন। প্রসঙ্গত, ১৫ আগস্ট শোক দিবসের অনুষ্ঠানে সোমবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তার সমর্থক

নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে ফেরার পথে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সামনে এলে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সবুজ মোল্লা, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য রিসাদ হাসান প্রিন্স, তানিম রহমান ও সাইফুল ইসলাম

সমর্থিত পক্ষের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। এ সময় ইটের আঘাতে পুলিশের ব্যবহৃত একটি গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। তখন শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে শোক দিবসের

আলোচনা সভা চলছিল। পরে পুলিশ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত সবাইকে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। এ সময় সংসদ সদস্য বেরিয়ে আসলে তার কাছে বরগুনা জেলার অ্যাডিশনাল এসপি মহরম আলী গাড়ি ভাঙার

কারণ জানতে চান। তখন সংসদ সদস্য নিজে দোষীকে আইনের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলেও পুলিশ সদস্যরা ভেতরে অবস্থান করা ছাত্রলীগ কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com