1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
ব্রেকিং নিউজঃ ইউরিয়া সারের দাম বাড়ল কেজিতে ৬ টাকা! - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
এইমাত্র পাওয়াঃ পরীক্ষা হলে জালিয়াতি, মিলল ৬টি জাতীয় পরিচয়পত্র চোটের কারণে এশিয়া কাপের দলে অনেকে বাদ পরলেও যে কারণে বাদ পড়লেন না সোহান মাত্র পাওয়াঃ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস সকলকে ভেলকি দেখিয়ে এশিয়া কাপ দলে স্পেশালিস্ট হয়ে ফিরলেন সাব্বির সদ্য পাওয়াঃ প্রাইভেটকার খাদে পড়ে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর মাত্র পাওয়াঃ অবশেষে‘দেশের মানুষ বেহেশতে আছে’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘ ৩ বছর পর সাব্বিরের জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে যা বললেন প্রধান নির্বাচক ব্রেকিং নিউজঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে জেলা-উপজেলা কর্মকর্তাদের নতুন নির্দেশনা! ব্রেকিং নিউজঃ চুরান্ত সিদ্ধান্ত T-20 বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক সাকিব! ব্রেকিং নিউজঃ সাকিবকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা!

ব্রেকিং নিউজঃ ইউরিয়া সারের দাম বাড়ল কেজিতে ৬ টাকা!

  • আপডেট করা হয়েছে: সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ৮৬ বার পঠিত

দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কে’জিপ্রতি ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে এক কেজি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পু’নর্নির্ধারণ করেছে সরকার। আজ সোমবার কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দাম বাড়ানোর

কারণ হিসেবে মন্ত্রণালয় বলছে, ই’উরিয়া সারের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশেও দাম বাড়ানো হয়েছে। পুনর্নির্ধারিত এই মূল্য আজ ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে

প্রতিকেজি ইউরিয়া সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ৬ টাকা দাম বাড়ানোর পরও সরকারকে প্রতি কেজিতে ৫৯ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্র’তিকেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা। প্র’ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত

সারের মূল্য চার দফায় কমিয়ে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে পর্যাপ্ত সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ শতাংশ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সে’জন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় এবং মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য

প্রতিকেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে ডিএপি ব্যবহার হতো ৮ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ১৬ লাখ টন। ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া

সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হা’জার টন। অন্যদিকে, বিগত এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক

বাজারে সারের দাম প্রায় ৩-৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সারে সরকারের ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকিতে লেগেছিল ৭ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, সেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছে ২৮ হাজার কোটি টাকা। কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের

সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমন মৌসুম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ৬ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুত রয়েছে ৭ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় ১ লাখ টন বেশি। অন্যান্য সার যেমন টিএসপির

আমন মৌসুমে চাহিদা ১ লাখ ১৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুত ৩ লাখ ৯ হাজার টন, ডিএপির চাহিদা ২ লাখ ২৫ হা’জার টন, বিপরীতে মজুত ৬ লাখ ৩৪ হাজার টন এবং এমওপির চাহিদা ১ লাখ ৩৭ হাজার টন, বিপরীতে মজুত রয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com