1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
মাত্র ৭ দিনেই পা ফাটা দূর করবে পেঁয়াজ জেনে নিন কিভাবে! লজেন্সের নামে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে অবুজ শিশুদের ইসলামে মাইর খাওয়া যেমন সুন্নাত তেমনি মাইর দেওয়াটাও সুন্নাত: রফিকুল ইসলাম মাদানী মুফতি মনসূরুল হক এখন হাসপাতালে, দোয়ার আবেদন আল আকসার ‘আবু হুরাইরা’র ইন্তেকালে যেন সেখানের পশু-পাখিরাও কাঁদছে ভারতে করোনার টিকা নিতে তাদের স্বাস্থ্যকর্মীদেরই অনীহা প্রকাশ করছে জিয়াউর রহমানের কাজই ছিল এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা করা: প্রধানমন্ত্রী আমাদের টিকা নিরাপদ অযথা আপনারা ভয় পাবেন না: নরেন্দ্র মোদি অসহায় ও গৃহহীন ৬৬ হাজার পরিবারকে ঘর দিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গরিব তবুও দাদার শেষ ইচ্ছা পূরনে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে হেলিকপ্টারে বিয়ে

বেড মিলল না, ৭ দিন বাহিরে পড়ে থেকে শিশুর মৃত্যু !

  • প্রকাশিত: ০৯:০২ pm | বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩০ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলাঃবেড মিলল না, ৭ দিন বাহিরে পড়ে থেকে শিশুর মৃত্যু !\

আবারও রেফার রোগের বলি এক বছরের শিশু। জন্মের পরেই তার পিঠে টিউমার ধরা পড়ে। সম্প্রতি তার শারীরিক

অবস্থার অবনতি হওয়ায় তড়িঘড়ি সন্তানকে নিয়ে কলকাতায় চলে আসেন বর্ধমানের বাসিন্দা ওই দম্পতি। তাঁদের

অভিযোগ, কলকাতার এনআরএস এবং এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বেড নেই বলে তাকে ভর্তি

নিতে অস্বীকার করেন। বেড পাওয়ার আশায় টানা সাত দিন সন্তানকে নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালের চত্বরেই

ছিলেন বাবা-মা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ মৃত্যু হয় শিশুটির। দু’টি হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসার

গাফিলতির অভিযোগে সরব ওই দম্পতি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ওই দুই হাসপাতাল সূত্রে খবর।ওই

শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জন্মের পর টিউমার ধরা পড়ায় প্রথমে বর্ধমানে গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা

শুরু হয় তার। পরে সেখানে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানকার চিকিৎসকেরা কলকাতায়

নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন বাবা সমীর সর্দারকে। গত কয়েক দিনে টিউমারটি বড় হতে থাকায়, এনআরএস

হাসপাতালে রেফার করা হয়। অভিযোগ, এনআরএস হাসপাতালের চিকিৎসকেরা শিশুটিকে দেখার পর, কয়েকটি

পরীক্ষা করতে হবে বলে লিখে দিয়েছিলেন। ওই দম্পতি পরীক্ষা করানোর পর, শিশুটিকে ভর্তি না নিয়ে রেফার করে