1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
বিল পরিশোধ না করায় হাসপাতাল ছাড়তে পারছেন না প্রসূতি - ২৪ ঘন্টাই খবর

বিল পরিশোধ না করায় হাসপাতাল ছাড়তে পারছেন না প্রসূতি

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৮১ বার পঠিত

ক্লিনিকের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় রিমা আক্তার (২০) নামে এক প্রসূতি হাসপাতাল ছাড়তে পারছে না।ওষুধ, অস্ত্রোপচার ও ক্লিনিকের শয্যা ভাড়া হিসাবে ১৪ হাজার টাকায়

চুক্তি হয়। ক্লিনিকে ভর্তির পর ধারদেনা করে ৫ হাজার টাকা জমা দেয় রিমার পরিবার। বকেয়া ৯ হাজার টাকা শোধ করতে না পারায় হাসপাতাল ছাড়তে পারছেন না মা ও নবজাতক। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সজীব মিয়া ঢাকার একটি জুতার কারাখানায় কাজ করতেন। রিমা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর বাবার বাড়ি মঠবাড়িয়ায় চলে যান। এক মাস আগে সজীব চাকরি ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান। গত শনিবার বিকেলে রিমার প্রসাব

ব্যথা শুরু হলে মঠবাড়িয়া শহরের ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক জানান, তাঁর অস্ত্রোপচার করতে হবে। এতে ১৪ হাজার টাকা লাগবে বলে রিমার পরিবারকে জানান হাসপাতালের ব্যবস্থাপক। রিমার মা তাসলিমা বেগম পরিচিত এক নারীর কাছ

থেকে ৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে হাসপাতালে জমা দেন। ওই রাতে অস্ত্রোপচারে রিমার একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। এখন বকেয়া টাকা শোধ করতে না পারায় নবজাতক ও মা হাসপাতাল ছাড়তে পারছেন না।

ভুক্তভোগী রিমার মা তাসলিমা বেগম বলেন, মেয়েটা সেদিন বাড়ি ফিরেছে। আমরা আশা করছিলাম তার শিশুসন্তান স্বাভাবিকভাবেই হবে। কিন্তু এখন সিজারিয়ান অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশন ও যাবতীয় খরচসহ ১৪ হাজার

টাকার চুক্তি হয় হাসপাতালের সঙ্গে। প্রতিবেশীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা ধার করে প্রথমে দিয়েছিলাম। আজ টাকার অভাবে আমার মেয়ে ও নাতনিকে বাড়ি নিতে পারছি না। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আবুল বাশার বলেন, শনিবার আমাদের হাসপাতালে

রিমাকে তার পরিবার ভর্তি করায়। আমরা তাদের জানিয়েছিলাম, অস্ত্রোপচার করতে ১৪ হাজার টাকা খরচ হবে। প্রথমে ৫ হাজার টাকা জমা দিলে আমরা ৯ হাজার টাকা বকেয়া রেখে অস্ত্রোপাচার করি। বর্তমানে টাকা না দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দিতে পারছি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com