1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
মোবাইলের সূত্র ধরে ১১ মাস পর ব্যবসায়ীর কঙ্কাল উদ্ধার আটক সেই পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা এই পাকিস্তানই একমাত্র আমাদের প্রকৃত বন্ধু: চীনের প্রেসিডেন্ট এসএসসি রেজাল্ট প্রকাশিত হচ্ছে রোববার ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংগ্রাম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের সমান:আয়াতুল্লাহিল খামেনেয়ী কটিয়াদীতে মসজিদে এতেকাফ করা অবস্থায় শিক্ষকের মৃ’ত্যু সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনা নিরসনে চীনের সঙ্গে আলোচনায় ভারত এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জন করোনায় আক্রান্ত লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশীকে গু’লি করে হ’ত্যা নড়াইলের স’ন্ত্রাসীদের হাতে নি’হত ক্রীড়াবিদ ও আ’লীগ নেতার দা’ফন সম্পন্ন অতিতের রেকর্ড ভেঙ্গে আজ আক্রান্ত ২০২৯ জন মৃ’ত্যু ১৫ জনের

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর বিদায় হজ্বের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ

  • প্রকাশিত: ০৪:৩০ am | মঙ্গলবার ১৯ মে, ২০২০
  • ১৬৮ বার পঠিত
বিদায় হজ্বের ভাষণ
বিদায় হজ্বের ভাষণ

বিজয়ের বাংলা:
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর বিদায় হজ্বের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ। মহান আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-কে প্রেরণ করেছেন দ্বিন ইসলামকে বিজয়ী ও পূর্ণতা দানের জন্য। যখন দ্বিন ইসলাম বিজয় ও পূর্ণতা লাভ করে তখন তিনি তাঁর বিদা’য়ের কথা অনুভব করেন।

তাই তিনি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করে প্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘হে মুয়াজ, সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আর সাক্ষাৎ হবে না। হয়তো তুমি আমার মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে গমন করবে।’

মহানবী (সা.)-এর এ কথা শুনে হজরত মুয়াজ (রা.) প্রিয় নবীর বিদা’য়ের কথা ভেবে কাঁদতে লাগলেন। ৮ জিলহজ রাসুলুল্লাহ (সা.) মিনায় অবস্থান করেন এবং ৯ জিলহজ
বিদায় হজ্বের ভাষণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা বিদায় হজের ভাষণ হিসেবে সুপরিচিত।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর ঐতিহাসিক ভাষণঃ-
১। হে জনতা, আমার কথাগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনো, আমি জানি না, এবারেরপর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর একত্র হতে পারব কি না।

২। হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমাদের আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই।তোমাদের আদি পিতা একজন, অনারবদের ওপর আরবদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তদ্রূপ সাদার ওপর কালোর কোনো প্রাধান্য নেই। আল্লাহ ভীতিই শুধু শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার মানদ’ণ্ড।

৩। তোমাদের পরস্পরের রক্ত ও ধন-সম্পদ আজকের দিন, এ মাস এবং এ শহরের মতো পবিত্র। ৪. শোনো, জাহেলিয়াতের সব কিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জাহেলিয়াতের র’ক্তের দাবিও রহিত করা হলো।
৫। জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। আমাদের মধ্যকার প্রথম যে সুদ আমি রহিত করছি তা হলো, আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের সুদ। এখন থেকে সব ধরনের সু’দ হা’রাম করা হলো।

২। হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমা

৬। স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভ’য় করো। কেননা আল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কলেমার মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে যে তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে স্থান দেবে না,
যাদের তোমরা পছন্দ করো না।তারা এরূপ করলে প্রহার করতে পারো। তবে ক’ঠোর প্রহার করবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো, তোমরা যথাযথ অন্ন-বস্ত্র প্রদান করবে।

৭। আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।
৮। হে জনতা, মনে রেখো, আমার পরে কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মত নেই। ফলে তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে,রমজানের রোজা রাখবে, স্বেচ্ছায় ধন-সম্পদের জাকাত দেবে, আল্লাহর ঘরে হজ করবে,শাসকের আনুগত্য করবে। যদি তোমরা এসব পালন করো, তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে (ইবনে মাজাহ)।

৯। হে মানবমণ্ডলী, পিতার অ’পরাধে পুত্র দায়ী হবে না এবং পুত্রের অ’পরাধে কোনো পিতাকে দায়ী করা হবে না।
১০। তোমাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কী বলবে? সাহাবায়ে কেরাম প্রত্যুত্তরে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দেব যে আপনি দ্বিনের দাওয়াত দিয়েছেন, আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মহানবী (সা.) এ কথা শুনে শাহাদাত আঙুল আকাশের দিকে উত্তোলন করে লোকদের দিকে ঝুঁ’কিয়ে তিনবার বলেন, হে রব, আপনি সাক্ষী থাকুন (সহিহ মুসলিম)।

১১। প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা তোমাদের দাস-দাসী সম্পর্কে সতর্ক থাকবে।তোমরা যা খাবে তাদেরও তা খেতে দেবে। তোমরা যা পরিধান করবে তাদেরও তা পরতে দেবে। তাদের অ’পরাধ ক্ষমা করে দেবে। শা’স্তি দেবে না।

১২। হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতিএ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বং’স হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হবে আমার এ কথাগুলোঅনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।হজরত রাবিয়া ইবনে উমাইয়া ইবনে খালফ জনতার কাছে উচ্চকণ্ঠে এ বাণী পৌঁছে দেন
আরো পড়ুনঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর বিদায় হজ্বের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২০ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »