1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. alamran777777@gmail.com : Md. Imran : Md. Imran
  4. Mijankhan298@gmail.com : Md Mijankhan : Md Mijankhan
  5. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  6. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  7. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  8. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
সারাদেশে শাটডাউনের প্রস্তুতি: আগের চেয়ে বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে’ যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত: লকডাউন নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সবপ্রকার অনলাইন গেম ব’ন্ধ হচ্ছে !! কৃষ্ণসাগরে আবার কোনো উসকানি দিলে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিশ্চিত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: রাশিয়া মা অন্যের বাড়িতে কাজ করছিলেন, হঠাৎ খবর এলো পাটক্ষেতে তরুণীর মেয়ের লা’শ হিন্দু সুশান্ত ইসলাম গ্রহণ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন! বিয়ের কিছুদিন পর জানলেন প্রেমিকার গ’র্ভের ছেলেটি তার কাকা! ম্যানেজার একে একে সব বোনের স্বামী হলেন! চীনে শুরু হচ্ছে ১০ দিনব্যাপী কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎস কলেজ পড়ুয়া মিমের সারা শরীরে নখের আঁচড়, লা’শের মুখে কামড়ের দাগ

মধ্য প্রদেশের মেয়ের লাশ নিয়ে ৩৫ কিঃমি হেঁটে হাসপাতালে বাবা (ভিডিও)

  • প্রকাশিত: ০১:১৯ pm | মঙ্গলবার ১১ মে, ২০২১
  • ৭৭ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: মধ্য প্রদেশের সিংগ্রাইল জেলায় ময়নাতদন্তের জন্য খাটিয়ায় করে মেয়ের লাশ বহন করে ৩৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন পিতা ধীরাপতি সিং।

৭ ঘণ্টা হেঁটে লাশ নিয়ে পৌঁছান হাসপাতালে। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার ভিডিও টুইটারে ছড়িয়ে পড়ে রোববার।

তাতে দেখা যায়, কয়েকজন গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরীর মরদেহ কম্বলে মুড়ে একটি খাটিয়ায় তুলছেন বাবা। তারপর সেই খাটিয়া কাঁধে নিয়ে খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন গ্রামের পথ দিয়ে। এর আগে গত বুধবার (৫ মে) আত্মহত্যা করে ১৬ বছরের ওই কিশোরী।

বাড়িতে পুলিশ এসে তদন্ত করার পরে জানায়, মরদেহ নিয়ে হাসপাতালে যেতে হবে ময়নাতদন্তের জন্য। সিংগ্রাউলি পুলিশের এক কর্মকর্তা অরুণ সিং জানান, কোনো মরদেহ পরিবারের কাছ থেকে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য তাদের বাজেট নেই।

ময়নাতদন্তের জন্য গাড়ি দিতে পারেন না তারা। মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া-আসা পরিবারেরই কর্তব্য।

কিশোরীর বাবা ধীরাপতি সিঙ্গের বক্তব্য অনুযায়ী, খাটিয়া কাঁধে বহন করে আমরা সকাল ৯টায় রওয়ানা দিয়েছিলাম।

এরপর বিকাল ৪টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছাতে সক্ষম হই। আমরা খুবই অসুস্থ বোধ করেছিলাম। কেউ কোনো সমাধান দেয়নি। উল্লেখ্য, হাসপাতাল থেকে তাদের বাড়ি ৩৫ কিলোমিটার দূরে।

টাকার অভাবে গাড়ি ভাড়া করতে পারেননি তারা বাবা। আবার পুলিশও গাড়ির ব্যবস্থা করেনি। সে কারণে নিজেই খাটিয়ায় মেয়ের মরদেহ বয়ে সারাদিন হেঁটে হাসপাতালে পৌঁছান ধীরপতি সিং গন্দ নামের ওই ব্যক্তি।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »