1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. alamran777777@gmail.com : Md. Imran : Md. Imran
  4. Mijankhan298@gmail.com : Md Mijankhan : Md Mijankhan
  5. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  6. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  7. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  8. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
সারাদেশে শাটডাউনের প্রস্তুতি: আগের চেয়ে বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে’ যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত: লকডাউন নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সবপ্রকার অনলাইন গেম ব’ন্ধ হচ্ছে !! কৃষ্ণসাগরে আবার কোনো উসকানি দিলে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিশ্চিত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: রাশিয়া মা অন্যের বাড়িতে কাজ করছিলেন, হঠাৎ খবর এলো পাটক্ষেতে তরুণীর মেয়ের লা’শ হিন্দু সুশান্ত ইসলাম গ্রহণ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন! বিয়ের কিছুদিন পর জানলেন প্রেমিকার গ’র্ভের ছেলেটি তার কাকা! ম্যানেজার একে একে সব বোনের স্বামী হলেন! চীনে শুরু হচ্ছে ১০ দিনব্যাপী কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎস কলেজ পড়ুয়া মিমের সারা শরীরে নখের আঁচড়, লা’শের মুখে কামড়ের দাগ

যে পরিণতি হতে পারে জুমার নামাজ ছাড়লে

  • প্রকাশিত: ০৩:৪৩ pm | শুক্রবার ৪ জুন, ২০২১
  • ১২৮ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: শুক্রবারের শ্রেষ্ঠ নামাজ হলো জুমা। জুমার নামাজের বিভিন্ন ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, জুমা হচ্ছে শ্রেষ্ঠ দিবস। জুমা নামে পবিত্র কুরআনে একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল হয়েছে।

আল্লাহতালা জগৎ সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছেন এই দিনে। একজন মুসলমান ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে নামাজ। আর তাই একজন মুসলমান হওয়ার প্রধান শর্ত হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা। সপ্তাহের সেরা দিন শুক্রবার জোহরের নামাজের পরিবর্তে জুমার নামাজকে ফরজ করা হয়েছে।

যা আমাদের জন্য মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার এক অন্যতম রহমত। তাই আমাদের মুসলমান হিসেবে জুমার নামাজ পড়া জরুরি। যারা জুমার নামাজ হতে বিমুখ থেকে অন্য কাজ-কর্মে নিজেকে ব্যস্ত রাখে; আল্লাহ তায়ালাও তার দিক থেকে বিমুখ থাকেন। জুমার দিনের ফজিলত অনেক বেশি। আল্লাহ তায়ালা জগত সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছিলেন এদিনে।

এদিনেই হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-কে জান্নাতে একত্র করেছিলেন এবং এদিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমআ বা জুমার দিন বলা হয়।

প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পরপর তিনটি জুমা বিনা ওজরে ও ইচ্ছা করে ছেড়ে দেবে, আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তির অন্তরে মোহর মেরে দেবেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) আর এরপর তারা আত্মভোলা হয়ে যাবে।

অতঃপর সংশোধন লাভের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়ে যাবে। (মুসলিম)। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পরপর তিনটি জুমা পরিত্যাগ করবে, সে ইসলামকে পেছনের দিকে নিক্ষেপ করল।

(মুসলিম) তবে অপর এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, চার শ্রেণির লোক ব্যতীত জুমার নামাজ ত্যাগ করা কবিরা গোনাহ। চার শ্রেণির লোক হলো- ক্রীতদাস, স্ত্রীলোক, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক, মুসাফির ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। (আবু দাউদ)

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »