1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. alamran777777@gmail.com : Md. Imran : Md. Imran
  4. Mijankhan298@gmail.com : Md Mijankhan : Md Mijankhan
  5. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  6. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  7. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  8. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
সারাদেশে শাটডাউনের প্রস্তুতি: আগের চেয়ে বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে’ যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত: লকডাউন নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সবপ্রকার অনলাইন গেম ব’ন্ধ হচ্ছে !! কৃষ্ণসাগরে আবার কোনো উসকানি দিলে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিশ্চিত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: রাশিয়া মা অন্যের বাড়িতে কাজ করছিলেন, হঠাৎ খবর এলো পাটক্ষেতে তরুণীর মেয়ের লা’শ হিন্দু সুশান্ত ইসলাম গ্রহণ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন! বিয়ের কিছুদিন পর জানলেন প্রেমিকার গ’র্ভের ছেলেটি তার কাকা! ম্যানেজার একে একে সব বোনের স্বামী হলেন! চীনে শুরু হচ্ছে ১০ দিনব্যাপী কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎস কলেজ পড়ুয়া মিমের সারা শরীরে নখের আঁচড়, লা’শের মুখে কামড়ের দাগ

মনে জানে পাপ, পুলিশ জানে বাপ: নানা যখন নাতনীর সন্তানের বাবা!

  • প্রকাশিত: ০৮:৫৭ am | শুক্রবার ৪ জুন, ২০২১
  • ৮০৩ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থানা পুলিশের তদন্তে মনে জানে পাপ, পুলিশ জানে বাপ- এ প্রবাদটির সত্যতা মিললো।

দীর্ঘ দিনের অনুসন্ধান ও জটিল সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে পুলিশের ধারণাটির সত্যতা মিললো। বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুজ্জামান জানান, উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামে সপ্তম শ্রেণীর এক মাদরাসাছাত্রীর (১৪) সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়ে ছিল ধোঁয়াশা।

ওই ছাত্রী ও পরিবারের পক্ষ থেকে নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের ইউপি সদস্য আয়ুব আলী সরদার ওরফে আয়ুব মেম্বারের ছেলে সোনাপুর মীর মশাররফ হোসেন কলেজের ছাত্র আকিদুল ইসলামকে সন্তানের বাবা বলে দাবি করে আসছিল।

এনিয়ে বালিয়াকান্দি থানায় ওই ছাত্রীর বাবা মামলা দায়ের করেন।

আসামিদের পক্ষ থেকে আদালতে ডিএনএ টেস্টের জন্য আবেদন করেন। এতে ওই কলেজছাত্র নির্দোষ প্রমাণিত হয়। এরপরও ধোঁয়াশা কাটছিল না।

ওসি আরো বলেন, আমি ভিকটিমকে একাধিকবার জিজ্ঞাসা করা সত্ত্বেও সে ওই ছাত্রের নামই বলতে থাকে। পরে সন্দেহমূলক ১০ জনের নাম গ্রহণ করে সত্যতা যাচাইয়ে কাজ করা হয়।

ডিএনএ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর অবশেষে সোমবার রাতে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের জবেদ বিশ্বাসের ছেলে ওই ছাত্রীর ছোট নানা সাঈদ বিশ্বাসকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে সত্যতা স্বীকার করে।

তাকে মঙ্গলবার সকালে রাজবাড়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »