1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  3. msthoney406@gmail.com : Md Rayhan : Md Rayhan
বই পড়ায় আগ্রহ বাড়ানোর কৌশল - Online newspaper in Bangladesh
শিরোনাম:
ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তির দাবি এসপি মাহিরার হৃদয়বিদারক দৃশ্যঃ সন্তানকে ডুবতে দেখে ঝাঁপ দিলেন মা, বাঁচল না কেউই কন্যাসন্তান বলে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেললো মা স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা নিয়ে সুখবর দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে নতুন সির্ধান্ত জানালেন: শিক্ষামন্ত্রী তলিয়ে গেছে বহু আলু-বাদাম ক্ষেত, ডুবেছে পুকুর মাত্র পাওয়াঃ গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় নতুন নিয়ম প্রকাশ! আরিয়ানের খাবার পাঠানো নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ শাহরুখের কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম নিজের মেয়ের গলায় ব্লেড ধরে হিংস্র রূপ নেন বাবা,মা এসে দেখেন মেয়ে রক্তাক্ত!

বই পড়ায় আগ্রহ বাড়ানোর কৌশল

  • আপডেট করা হয়েছে: সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ১১৮ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হবার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো বই পড়া। বই ছাড়া বিদ্যার্জন অসম্ভব না হলে দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। সেই বই হতে পারে বিদ্যালয়ে পাঠ্য। বা ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় সংগৃহীত। নিজে নিজে পড়ার জন্য। এককথায় জ্ঞান অর্জন করতে গেলেই বইয়ের প্রয়োজন।

যদিও মানুষ প্রকৃতি থেকে শিক্ষা নিয়ে থাকে। এই শিক্ষা যে সবক্ষেত্রেই পরিপূর্ণ তা কিন্তু নয়। অসম্পূর্ণতা থাকে বলেই একাডেমিক শিক্ষার প্রয়োজন হয়। জ্ঞানের জগতকে সমৃদ্ধকরণ ও বিষয়ের বিচার বিশ্লেষণে একাডেমিক শিক্ষা তথা বই এর বিকল্প নেই। এ কারণে গবেষণার একটি অন্যতম অনুষঙ্গ বই।

সময়ের পরিবর্তনে মানুষের চিন্তা ও কর্মে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে মানুষও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেকে কাগুজে মলাটের একটি বই হাতে নিয়ে দেখতে চায় না। দশটি বই থেকে সে তার পছন্দ মতো একটি বই কিনতে অনাগ্রহ দেখায়। ক্রমশ মানুষ বইবিমুখ হয়ে পড়েছে। যা মানুষকে ক্রমান্বয়ে জ্ঞানশূন্যর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যদিও তাদের আইসিটিভিত্তিক জ্ঞানে আগের চেয়ে অনেক ডেভলপ হয়েছে।

আমরা জানি, বই নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করা, পছন্দের তালিকার বেশ কিছু বই থেকে একটি বই চয়েজ করা, এতেও মানুষের মেধার বিকাশ ঘটে। কিন্তু বর্তমানে অনেকেই এই সময় খরচ করতে চায় না। তারা অনলাইনভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গিয়ে সস্তায় তথ্য সংগ্রহ করে নেন। এতে ব্যক্তির মেধার দৈন্যতা তো কাটেই না, বরং আরো বেড়ে যায়।

অনেকেই নিজের চাহিদা মোতাবেক কাঙিক্ষত বিষয়টিকে সাজানো-গোছানো পেলেই তাতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ কারণে একটি বইয়ের পাতায় বিক্ষিপ্তভাবে যে জ্ঞান ছড়িয়ে থাকে তা আত্মস্থ করে নিজের মতো কিছু করে নিতে চান না। তাই অনেকেই এখন তথ্য সংগ্রহের জন্য অনলাইনকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

অনেকের বাসায় বইয়ের সংগ্রহ থাকার পরেও তা সেই বইগুলো ব্যবহার না করে অনলাইন থেকে নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে সংগ্রহ করে নিচ্ছেন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটি খুবই ভয়ংকর। এতে যেমন সে শ্রমবিমুখ করে দিচ্ছে তেমনি অনুসন্ধিৎসু মনটাকে মেরে ফেলছে।

তাকে এমন একটি অভ্যাসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে সে সব কাজেই সর্টকার্ট রাস্তা খুঁজতে চাইবে। ফলে একটি বিষয় অনুসন্ধান করতে গিয়ে আরো দশটি বিষয় জানতে পাবার সে সুযোগটি থাকে সেটিকে সে নষ্ট করে দিচ্ছে। মূলবই একটি দলিল।

অনলাইনের তথ্যগুলো মেরোরি থেকে মুছে গেলে তাকে পুনরায় উদ্ধার করা একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বই সেখানে একটি অন্যরকম আনন্দ দেয়। তাই সরাসরি বই থেকে জ্ঞান সংগ্রহ এক অন্যরকম আনন্দ। তাই আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বইমুখী করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2021
Site Developed By Bijoyerbangla.com