1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
মোবাইলের সূত্র ধরে ১১ মাস পর ব্যবসায়ীর কঙ্কাল উদ্ধার আটক সেই পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা এই পাকিস্তানই একমাত্র আমাদের প্রকৃত বন্ধু: চীনের প্রেসিডেন্ট এসএসসি রেজাল্ট প্রকাশিত হচ্ছে রোববার ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংগ্রাম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের সমান:আয়াতুল্লাহিল খামেনেয়ী কটিয়াদীতে মসজিদে এতেকাফ করা অবস্থায় শিক্ষকের মৃ’ত্যু সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনা নিরসনে চীনের সঙ্গে আলোচনায় ভারত এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জন করোনায় আক্রান্ত লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশীকে গু’লি করে হ’ত্যা নড়াইলের স’ন্ত্রাসীদের হাতে নি’হত ক্রীড়াবিদ ও আ’লীগ নেতার দা’ফন সম্পন্ন অতিতের রেকর্ড ভেঙ্গে আজ আক্রান্ত ২০২৯ জন মৃ’ত্যু ১৫ জনের

নিজের মাকে নি’র্মম নি’র্যাতনকারী সেই ছেলে ও নাতির বিরুদ্ধে মামলা নিলেন ওসি

  • প্রকাশিত: ০২:১৭ pm | শুক্রবার ২২ মে, ২০২০
  • ২৬৬ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা ডেস্ক:নিজের মাকে নি’র্মম নি’র্যাতনকারী সেই ছেলে ও নাতির বিরুদ্ধে মামলা নিলেন ওসি।কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের জমিদারপাড়ায় নিজ নামীয় বসতভীটার জমি রেজিষ্ট্রি করে লিখে না দেয়ায় ৮০ বছর বয়সী বয়োবৃদ্ধা মা আছিয়া বেগমকে ১১দিন ধরে ঘরের একটি কক্ষে

 
জিম্মি করে অ’মানবিক নি’র্যাতন চালানোর ঘটনায় পা’ষন্ড ছেলে ও নাতির বি’রুদ্ধে অবশেষে মামলা রুজু করেছেন মানবতাবাদী খ্যাত চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাবিবুর রহমান। মামলা নং ৩৭, জিআর ১৮৫, তাং ১৯মে’২০ইং।

 
মামলার বাদী সরাসরি নি’র্যাতিত বয়োবৃদ্ধ মা আছিয়া বেগম। আসামী করা হয়েছে পাষন্ড ছেলে আজিজুল হক আলম (৪৪) ও তার ছেলে (নাতি) মেহেরাজুল হক চৌধুরী ইয়াদ (১৮)কে। এদিকে সচেতন মহল চকরিয়া থানার ওসি ও হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।জানাগেছে,

 
চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জমিদার পাড়া গ্রামের ৮০ বছর বয়সী মা আছিয়া বেগম অবসরপ্রাপ্ত পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অফিস সহকারী ছিলেন। স্বামী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ম’রহুম লেদু মিয়া। ছেলে আজিজুল

 
হক আলম অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত।
মামলার আর্জি সূত্রে জানায়,ছেলে আজিজুল হক আলম প্রতিনিয়তই মা’দকাসক্ত থাকেন। ফলে মা ও বাবার নামীয় সম্পত্তি বিক্রি করে আসছেন। বেশ

 
কিছু পরিমানে সম্পত্তি কৃষি ব্যাংকে বন্ধক দিয়ে ঋণ নিয়েছেন ছেলে।মায়ের নামীয় বসতভীটা হলেও পেনশনের টাকা থেকে ছেলেকে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা করে খোরাকি দিয়ে থাকতেন মা। সর্বশেষ চলতি সনের গত ২৬ এপ্রিল সাড়ে ৪টায় ছেলেকে

 
মাদক সেবনের জন্য চাহিদামত টাকা ও মায়ের নামীয় সম্পত্তি ছেলের নামে লিখে না দেয়ায় মাকে লোহার রড হাতুড়ী দিয়ে শাররীক নি’র্যাতন ও মা’রধর শুরু করে ছেলে ও নাতি। মা’রধরের মাঝেও ছেলের নামে জমি লিখে দেবেননা বলে জানিয়ে

 
দিলে মায়ের ব্যবহৃত মোবাইল সেটটি কেড়ে নিয়ে একটি কক্ষের মধ্যে ১১দিন ধরে জিম্মি করে রাখে। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে মেয়ে ছাদিয়া আক্তার নেলী ও সৎছেলে মোঃ খোরশেদ আলমসহ আত্বীয়স্বজনরা খবর পেয়ে গত ৭ মে’২০ইং বাংলাদেশ

 
পুলিশের ৯৯৯ নম্বারে কল করে হারবাং ফাঁড়ি পুলিশের সহায়তায় মাকে জিম্মিদশা থেকে উ’দ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলে একমাত্র মেয়ের মাধ্যমে জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।এঘটনায় মা আছিয়া বেগম বাদী হয়ে ছেলে ও নাতির বি’রুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

 
করেন। অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মোঃ আমিনুল ইসলামকে দায়িত্ব দেন। তিনি সরে জমিনে তদন্ত করে মাকে জি’ম্মি করে রেখে মা’রধরের সত্যতা পেয়েছেন মর্মে চকরিয়া থানায় প্রতিবেদন দাখিল করেন। উক্ত প্রতিবেদন ও মায়ের দেয়া এজাহারের প্রেক্ষিতে ১৯ মে’২০ইং মামলাটি রেকর্ড হয়েছে।মা আছিয়া বেগম (৮০) বাদী হয়ে

 
ইতিপূর্বে চকরিয়া থানায় ও স্থানীয়ভাবে একাধিকবার অভিযোগও করেন, এতে বলা হয়েছে; ছেলে আজিজুল হক আলম শা’ররীক প্র’তিবন্ধী হওয়ায় বনবিভাগে চাকুরীর ব্যবস্থা করেন। বিভিন্নভাবে হু’মকি দিয়ে মায়ের কাছ থেকে দফায় দফায় ২

 
ভরি স্বর্ণ বন্ধক দেয়াসহ ১ লাখ ৩৯,৫০০ টাকা আদায় করেন। স্থানীয় শালিস বিচার ও স্ট্যাম্প দিয়ে শালিসকারদের মাধ্যমে তা অঙ্গীকারও দিয়েছেন।এবিষয়ে ভূক্তভোগি হতভাগা মা আছিয়া বেগম পা’ষন্ড অবাধ্য সন্তান ও নাতির দৃ’ষ্টান্তমমূলক শা’স্তির দাবী