1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে জরুরি তথ্য প্রকাশ - ২৪ ঘন্টাই খবর

প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে জরুরি তথ্য প্রকাশ

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১২২ বার পঠিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ছাত্র ও শিক্ষক

সংখ্যায় ভারসাম্যহীনতা, দূরত্ব, সিফট ইত্যাদি বিবেচনায় কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একীভূত করা হবে। আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ

সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান। এসময় সিনিয়র সচিব জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে শিক্ষক বদলি চালু করব। এটা চালু না হলে আমরা সঠিক সংখ্যায়ও যেতে পারব না। এই সংখ্যা কত তা এখনই জানা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, অনেক স্কুল আছে যেখানে অবকাঠামো এবং শিক্ষকও আছে কিন্তু শিক্ষার্থী অনেক কম, আবার অনেকগুলোতে শিক্ষক কম ছাত্র বেশি- এরকম ভারসম্যহীনতা কোথাও

কোথাও রয়েছে। আমরা আমাদের পরিসংখ্যানে সেটা দেখছি। আমরা স্কুলভিত্তিক হিসেব করছি। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থী বেশি সেখানে সিফট চালু করতে হচ্ছে, সিফট মার্জ (একীভূত) করে দিয়েছি। এখন

সেই স্কুলগুলোতে সিফট নেই। আমিনুল ইসলাম খান বলেন, এখন আমরা আবার ভাবছি- স্কুল মার্জ। নিকটবর্তী স্কুলে যদি মার্জ করি তাহলে ছাত্রদের শিখন ঘণ্টাও বেশি হবে। যেখানে দুই সিফট সেখানে শিখন ঘণ্টা কম। ‘আমরা মোট

পরিসংখ্যানের ওপরে কাজ করছি যে ছাত্র সংখ্যা ও শিক্ষক সংখ্যা এবং সংযুক্ত (অ্যাটাচ) থাকা শিক্ষক সংখ্যা। নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদেরকে শূন্য পদ চিহ্নিত করতে হবে। কোন স্কুলে ছাত্রের বিপরীতে কতজন শিক্ষক

আছেন। কারণ আমরা অনুমানভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারি না। সেই কাজ আমরা শুরু করেছি।’কোন পদ্ধতিতে মার্জ (একীভূত) হবে- এমন প্রশ্নে সিনিয়র সচিব বলেন, ভৌগোলিক দূরত্বসহ সব বিবেচনা করা হবে।

গাইবান্ধায় চরে অনলাইনে একটি স্কুলে কথা বলেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ৪০-৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে। আবার পার্বত্য অঞ্চলে দূরত্ব কম হতে পারে কিন্তু হাঁটার দূরত্ব অনেক বেশি। সেজন্য

আমরা ভৌগোলিক দূরত্ব, হাওর, চর, বিল, ছাত্র সংখ্যা (যেখানে ছাত্র সংখ্যা বেশি সেখানে আরেক বিষয়) সমস্ত কিছু বিবেচনা করে আগামী ৫-৬ সপ্তাহের মধ্যে হয়তো প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com