1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  3. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  4. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
প্রবাসীর স্ত্রীকে 'জুতার মালা' পরিয়ে পেটালেন ইউপি সদস্য! - বিজয়ের বাংলা |২৪ ঘন্টাই নিউজ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ‘জুতার মালা’ পরিয়ে পেটালেন ইউপি সদস্য!

  • আপডেট করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৫০ বার পঠিত

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় অনৈতিক কাজের অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীর গলায় জুতার মালা পরিয়ে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নির্যাতনের ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার চুনখোলা ইউনিয়নের সিঙ্গাতী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে লজ্জায় বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা।এদিকে এ ঘটনা জানার পর বুধবার (৮ ডিসেম্বর) মোল্লাহাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)

আনিন্দ্য মণ্ডল ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুনিয়া আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে চুনখোলা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য কাউছার চৌধুরীসহ বেশকিছু লোক এসে প্রবাসীর স্ত্রীর গলায়

জুতার মালা পরিয়ে দেয়। তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালা ও মারধর করে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন মুঠোফোনে এই নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে।এ ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি কথা বলেননি।ইউপি সদস্য কাওসার চৌধুরী বলেন, ওই নারীর

একাধিক মানুষের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল। সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে তার প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা এক লোকের সঙ্গে তাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে আমি ওই এলাকায় যাই। স্থানীয়রা ওই নারীকে মেরেছে,

আমি না।তিনি আরও বলেন, মোল্লাহাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিন্দ্য মণ্ডল ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুনিয়াআক্তার এসেছিলেন। আমাকে এ ধরনের কাজ করতে নিষেধ করে গেছেন। ভিডিওতে আপনাকেই ওই নারীকে মারধোর করতে দেখা যায় এমন

প্রশ্নে ইউপি সদস্য কাউছার চৌধুরী বলেন, আমি না, স্থানীয়রা।মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিন্দ্য মণ্ডলকে একাধিকবার ফোনে কল করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেননি।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুনিয়া আক্তার

বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমি সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারের সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। আমরা ওই নারীকে খুঁজে পাইনি।মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ বলেন, এ সংবাদটি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আমরা এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com