1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
প্রকৃত ধার্মিক ব্যক্তি কখনোই অন্য ধর্মকে অসম্মান করেন না : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
আজকেও হেরে যাবো ভেবেছিলেন: তামিম! মাত্র পাওয়াঃ হু হু করে বাড়েই চলেছে চালের দাম জেনেনিন শেষ আপডেট! ৩০০ করে হারার পর ২৫০ রান মনে হয় ২০০: তামিম অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, পথে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন দিনমজুর, পরিচয় রাখতে চান গোপন এই মাত্র পাওয়াঃ প্রাইমারির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও কিন্তু কেন? অবশেষে মাইলফলকের ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াল টাইগাররা গরম খবরঃ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি! শত চেষ্টার পর জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জিনিসের দাম বাড়ায় কেউ তো মারা যায়নি:পরিকল্পনামন্ত্রী! একশ’র আগেই জিম্বাবুয়ের নয় উইকেট গুড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ

প্রকৃত ধার্মিক ব্যক্তি কখনোই অন্য ধর্মকে অসম্মান করেন না : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ২২৮ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, প্রকৃত ধার্মিক ব্যক্তি কখনোই অন্য ধর্মকে অসম্মান করেন না। প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট তার ধর্ম পবিত্র।

সোমবার সকালে ভোলা জেলা প্রশাসন সভাকক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক প্রচার- প্রচারণার আওতায় ‘আন্তঃধর্মীয় সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান আরো বলেন, যারা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, যারা দেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিশ্বাস করেনা, তারাই দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনিষ্ট করে আশান্তি সৃষ্টি করতে
চায়। এদের বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্য যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে সমাজের দুষ্টু চক্র অনেক সময় ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করে। ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করে কেউ যেন সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে সকল জনগণকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সকল ধর্মের অনুসারীদের কল্যাণে গত ১২ বছরে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা তুলে ধরে তিনি বলেন, এতসব উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে জানলে সব সম্প্রদায়ের মানুষই আনন্দিত হবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বৃহত্তর ধর্মীয় জনগোষ্ঠী মুসলমানদের কল্যাণে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সারা দেশে ৫৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করছে। বর্তমান সরকার হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের স্থায়ী মূলধন ২১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। এই প্রথম “সমগ্র দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কার” শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে ২৬২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সারাদেশে মোট ২৩৫১টি মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫৪৭টি মন্দিরের নির্মাণ কাজ ১০০% সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি কর্মসূচির অধীনে শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মোট ১৯৮টি মঠ/মন্দির/শ্মশান সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ঢাকাশ্বেরী মন্দিরের উন্নয়নে আরও ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী ব্জানান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং ব্যক্তিদের কল্যাণে পর্যাপ্ত অনুদান সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মন্দির ও প্যাগোডা ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের আওতায় লক্ষ লক্ষ শিশুকে নিজ নিজ ধর্মীয় ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক ই-লাহী চৌধুরী র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার আহমদ, ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরীফ উদ্দিন, জেলার প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধি, ইমাম সমিতি, আলীয়া মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসার প্রতিনিধি, সাংবাদিক প্রতিনিধি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি, পুজা উদযাপন পরিষদের ভোলা শাখার প্রতিনিধিবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com