1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেড় বছরে পুরো কোরআন হাতে লিখলেন ঢাবির ছাত্রী -
শিরোনাম:
সুখবরঃ মাধ্যমিকের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য এক দারুণ সুখবর! করোনার কারণে ফের অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে যা বললেন ইউজিসি চেয়ারম্যান ব্রেকিং নিউজঃ এবার টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন তাসকিন-মিরাজ মাত্র পাওয়াঃ সকল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য আসলো মন প্রাণ উজার করা সুখবর! এইমাত্র পাওয়াঃ নতুন করে আবারও অনলাইনে ক্লাস নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ! সকলকে পিছনে ফেলে ভারতের নতুন টেস্ট অধিনায়কের নাম ঘোষণা মাত্রেও পাওয়াঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হাতে সিগারেট, এটা কোন শিক্ষা? মাসআল্লাহঃকুরবানির চাঁদ দেখা গেছে, আগামী ১০ জুলাই ঈদুল আজহা! দুনিয়া কাঁপাতে ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ড দলে অ্যান্ডারসন মাত্র পাওয়াঃ এবার পরীক্ষার খাতায় ‘মাসুদ ভালো হয়ে যাও’

পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেড় বছরে পুরো কোরআন হাতে লিখলেন ঢাবির ছাত্রী

  • আপডেট করা হয়েছে: সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ৫০ বার পঠিত

করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চের মাঝামাঝি থেকে টানা দেড় বছর বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ সময়টা ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধু, আড্ডা, গল্প ইত্যাদির ব্যস্ততা ছেড়ে

চার দেওয়ালের বন্দী জীবনে কাটিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। কেউ সোশ্যাল মিডিয়ার ভার্চ্যুয়াল জগতে, কেউবা গল্পের বই পড়ে, কেউ আবার পরিবারের সঙ্গে গল্প-আড্ডায় কাটিয়েছেন সময়টা।

আর কেউ এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে নিজের সম্ভাবনা ও মেধার জানান দিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৪-১৫ সেশনের ফলিত গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জারিন তাসনিম দিয়া।

মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এই সময়টাতে পুরো কোরআন শরীফ হাতে লিখেছেন তিনি। তারপর নিজ হাতে লেখা সেই পাণ্ডুলিপিগুলো বাঁধাই করে রূপ দিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ কোরআনে।

এখন দেশের ৫০০ মসজিদ, মাদরাসায় তিনি তার হস্তলিখিত কোরআন উপহার দিতে চান। সোমবার (২০ জুন) একটি গণমাধ্যমে আলাপকালে জারিন তাসনিম দিয়া জানিয়েছেন তার নিজ হাতে কোরআন লেখার পেছনের গল্প ও স্বপ্নের কথা।

দিয়া বলেন, ২০২০ সালের মার্চে যখন করোনার কারণে ঘরবন্দী হয়ে গেলাম, তখন ভাবলাম সময় কাটানোর জন্য একটা উদ্যোগ নিই। তখন এই কাজ শুরু করলাম। আমি যে

শেষ করতে পারব এই উদ্দেশ্যে শুরু করিনি। আমি ভাবলাম যে সিরিয়াল ধরে লিখি, যা পারি। কিন্তু এভাবে কখন যে ৫ পারা পর্যন্ত লেখা শেষ হয়ে গেল, আমি বুঝতে পারিনি। তখন তো বাইরে যাওয়া হয় না, বসে বসে প্রতিদিন লিখতে থাকি। এটার প্রতি এক প্রকার নেশা হয়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, আমি হাফেজ না কিংবা মাদরাসাতেও পড়াশোনা করিনি। তবে কোরআন পড়তে পারতাম। আঙুল দিয়ে ধরে দেখে দেখে লিখতে দেড় বছর সময় লেগেছে। এরপর সেটা ডিজাইন

করলাম এবং একজন হাফেজের সাথে আলাপ করলাম কীভাবে, কী করা যায়। উনি বললেন, এটা খুবই ভালো কাজ হয়েছে। এরপর ৩০ জন হাফেজ আমার এই পাণ্ডুলিপি

দেখেন। ৬৫১ পৃষ্ঠার এই কোরআন শরিফ উনারা দেড় মাস দেখে সংশোধন করে আমাকে দেন। তারপর উনাদের থেকে মতামত নিয়ে প্রিন্ট করি।

৫০০ কপি বিতরণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে আমি এক কপি প্রিন্ট করি। তারপর আরও কয়েক কপি করি, আমার মা-বাবার হাতেও তুলে দিই; যেটি আমার জন্য অনেক

বড় পাওয়া। এখন আমার চিন্তা-ভাবনা অন্তত ৫০০ কপি করে বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসা এবং যারা নিয়মিত কোরআন পড়ে তাদের মাঝে বিতরণ করব, যাতে তারা পড়লে আমার সওয়াব হয়। আমাকে কেউ ভুলে গেলেও আমার এই কাজকে কেউ যেন ভুলে না যায়- এখানেই আমার স্বার্থকতা।

মা-বাবার অবদানের কথা উল্লেখ করে দিয়া বলেন, আমার অনুপ্রেরণা আমার বাবা-মা। তাদের অনুপ্রেরণা ছাড়া আসলে এটা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। আমি যখন লিখেছি বাবা আমাকে কাগজ কিনে দিয়েছেন, মা চেক করে দিয়েছেন। তারা সবসময় সাহস যুগিয়েছেন। সর্বোপরি পরিবারের সবাই সাপোর্ট দিয়েছে।

ঢাবির ফলিত গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জারিন তাসনিম দিয়া বলছেন, ইসলামি পরিবেশে বড় হননি তিনি।
অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু কিছু অনুভূতি

বলে প্রকাশ করা যায় না। কোরআন লিখতে আমার অনেক ভালো লাগা কাজ করেছে। আর এই ভালো লাগার কারণেই আমি শেষ করতে পেরেছি। আর সবার এত এত ভালোবাসা

পেয়ে আরও অনেক বেশি ভালো লাগছে। যদিও কেউ কেউ আবার নেগেটিভ কমেন্টও করেছেন। এটা লোক দেখানো কাজ ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে আমার মনের মধ্যে তো আর এসব নেই, তাই এসব নিয়ে এত ভাবি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com