1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
ওসি প্রদীপ কুমারের সকল হ’ত্যাকাণ্ডের বিচার চান সাবেক সেনা কর্মকর্তারা মেজর সিনহা হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসল জেনে নিন কারা কারা জরিত এবার আরও ৪০০ জন তালেবান বন্দিকে মুক্তি দিল আফগান সরকার মেজর সিনহা হত্যা: পলাতক দুই আসামি পুলিশ নয়, তাহলে তারা কারা? ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নাই: ডা. জাফরুল্লাহ রক্তের সম্পর্ক থাকলে কি স্বামী-স্ত্রী হওয়া যায়? বাংলাদেশের ৮ রুট দিয়ে যে ভাবে পণ্য পরিবহন করতে চায় ভারত ! আল্লামা মনিরুজ্জামান সিরাজীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল রামের জন্ম বা’বরী মসজিদের স্থানে নয়, নেপালের অযোধ্যাপুরীতে : নেপালের প্রধানমন্ত্রী ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ এবং ‘মোদি জিন্দাবাদ না বলায় মুসলিম অটোচালককে বেধড়ক মারধর

নিজে লিভারের রোগী হয়েও দিচ্ছিলেন করোনার সেবা, দায়িত্ব পালন করছিলেন আক্রান্ত চিকিৎসক

  • প্রকাশিত: ০৮:৩৯ am | সোমবার ২২ জুন, ২০২০
  • ১৫৫ বার পঠিত
নিজে লিভারের রোগী হয়েও দিচ্ছিলেন করোনার সেবা, দায়িত্ব পালন করছিলেন আক্রান্ত চিকিৎসক

বিজয়ের বাংলাঃ নিজে লিভারের রোগী হয়েও দিচ্ছিলেন করোনার সেবা,দায়িত্ব পালন করছিলেন আক্রান্ত চিকিৎসক

দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বরিশালের তিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে মৃত্যুকে তুচ্ছ ও ভয়কে জয় করে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। তাদের মধ্যে দুইজন বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন।

একজন সুস্থ হয়ে পুনরায় কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন।  করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিন চিকিৎসক হলেন- বরিশাল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যতীন চন্দ্র রায়, বানারিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এসএম কবির হাসান ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রমিজ আহমেদ।

তাদের মধ্যে এসএম কবির হাসান ও রমিজ আহমেদ করোনা রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে সংক্রমিত হয়েছেন।  বরিশাল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলায় ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক, একটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র

ও আটটি পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যতীন চন্দ্র রায়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে ওসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে রোগীদের সেবা নিশ্চিতে নিয়মিত তাকে তদারকি করতে হয়েছে।

কোথাও কোনো সমস্য দেখা দিলে ছুটে গেছেন যতীন চন্দ্র রায়। দাফতরিক কাজের বাইরেও সপ্তাহের ৩-৪ দিন ওই প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনে যেতে হয়েছে তাকে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। করোনা শনাক্ত হওয়ার পর বর্তমানে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন যতীন চন্দ্র।

চিকিৎসক এসএম কবির হাসান আইসোলেশনে থাকা বরিশাল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যতীন চন্দ্র রায় বলেন, ২৬ মে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক ও একটি স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলাম।

সেখান থেকে ফেরার পর শরীর খারাপ লাগছিল। বিকেলে বাসায় গিয়ে বিশ্রাম নিই। সন্ধ্যার পর জ্বর আসে। এর সঙ্গে শুরু হয় গলাব্যথা। করোনা সন্দেহে ৩০ মে নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠাই। ৩১ মে সেখান থেকে রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

তারপর থেকে বাসায় আইসোলেশনে। চিকিৎসক যতীন চন্দ্র রায় বলেন, বছর দেড়েক আগে লিভার ক্রনিকে আক্রান্ত হয়েছিলাম। এরপর থেকে চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলতে হয়। লিভার ক্রনিক থাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়িয়ে চলার নির্দেশনা ছিল চিকিৎসকের।