1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য মিলির এক হাতে চায়ের কেটলি অন্য হাতে বই! - ২৪ ঘন্টাই নিউজ
শিরোনাম:
এবার টেস্টের ও ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত! দেখেনিন খেলার সময় সূচি জেনে নিন তালের শাঁসের উপকারিতা দারুন সুখবরঃ অনশেষে বাবর-কোহলিকে টপকে বিশ্বের ১ নাম্বার ব্যাটসম্যান হলেন বাংলাদেশের এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান মাত্র পাওয়াঃ ফর্মে থাকতেই সে বিদায় নেবেন : মুশফিকুর রহিমের বাবা হৃদয়বিদারকঃ যমুনার ভাঙনে পানির সাথে বিলীন কয়েকশ ঘরবাড়ি এলিমিনেটর ম্যাচে লড়বে লখনউ বনাম ব্যাঙ্গালোর, জেনে নিন দুই দলের মহাশক্তিশালী একাদশ! ব্রেকিং নিউজঃ আরো যে ৩ দেশে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত গত ২ বছরের এমন টানা সাফল্যের রহস্য খোলাসার ইস্যুতে লিটনের উত্তরে অবাক হয়ে গেলেন সবাই মাত্র পাওয়াঃ ২ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে খাটো তরুণ হিসাবে স্বীকৃতি পেলেন ! গরম খবরঃ নিজের প্রেমিকাকে ডেকে এনে তুলে দিলো বন্ধুদের হাতে

নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য মিলির এক হাতে চায়ের কেটলি অন্য হাতে বই!

  • আপডেট করা হয়েছে: সোমবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৩৭ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
মিলি আক্তার,যার বয়স ১৭ বছরের কম।দশম শ্রেণির এই ছাত্রীর এক হাতে পরিবার চালানোর ভার এবং অন্য হাতে তার বই।বাবা-মাকে নিয়ে তার সংগ্রামী জীবন। পরিবারের দেখভালের পাশাপাশি সে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। ফরিদপুরের নগরকান্দার তালমা ইউনিয়নের

ধুৎরাহাটি গ্রামের আ.বারেক ব্যাপারীর মেয়ে মিলি আক্তার। সে ধুৎরাহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। আর্থিক অভাব-অনটনের মধ্যেও সে জেএসসি পরীক্ষায় সুনামের সঙ্গে কৃ’তকার্য হয়। মিলির বাবা বারেক ব্যাপারী চায়ের দোকান চালাতেন। ছয়-সাত বছর ধরে চোখের দৃষ্টি

হারিয়ে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন তিনি। টাকার অভাবে চোখের অপারেশন করতে পারেননি।মা সূর্য খাতুন বৃদ্ধা ও শারীরিকভাবে অক্ষম। চার ভাইবোনের মধ্যে বিয়ের পরে সবাই পেতেছেন আলাদা সংসার। একমাত্র মিলিই থাকে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে। তাই উপায়ন্তর না পেয়ে

নিজের এবং বাবা-মায়ের পেটের তাগিদে মিলি আক্তার হাতে তুলে নিয়েছেন গরম চায়ের কেতলি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই বৃদ্ধ অসহায় দম্পতির একমাত্র ভরসা দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে মিলি আক্তার। তাদের জীবন যাপনের একমাত্র অবলম্বন চায়ের দোকান। এই ছাড়া

তাদের আয়ের আর কোনো উৎস নেই। মিলি চার-পাঁচ বছর ধরে স্থানীয় রসুলপুর বাজারে চায়ের দোকান করে সংসার চালাচ্ছে।পাশাপাশি চলছে তার পড়াশোনাও। সকাল হলেই স্থানীয় একটি বাজারে নিজ হাতে চা তৈরি করে বিক্রি

করে মিলি।এভাবে সারাদিন শেষে রাত প্রায় সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলা ওই দোকানের আয়েই চলে তাদের সংসার। চা বা’নানোর ফাঁকে ফাঁকে কথা হয় মিলির সঙ্গে। সে বলে, ‘আমার একটাই আশা লেখাপড়া করে উচ্চশিক্ষা অর্জন করব। মানুষের মতো মানুষ হবো। চাকরি করে জীবন কাটাব।

কিন্তু তা আর পারছি কই? ভাইয়েরা সংসারের কোনো খোঁজ রাখেন না। মা-বাবা কাজকর্ম করতে পারে না। আয়ের ব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে আমাকেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। কিন্তু চায়ের দোকা’ন চালিয়ে সংসারের হাল ধরে আবার পড়াশোনা করা অনেক কষ্টের।’মিলির বাবা আ. বারেক ব্যাপারী আবেক আপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার নিজের প্রতি খুব লজ্জা এবং ঘৃণা হয়। মেয়ে এই বয়সে বাজারে মানুষের হাতে চা দেয়।

কিন্তু খাব কী? সংসার চলবে কীভাবে? আমি চোখে দেখি না, কাজ করতে পারি না। কী আর করার, সবই আল্লাহর ইচ্ছা।’মিলির স্কুল শিক্ষক মো.ইউনুস মিয়া বলেন, ‘মিলি একজন মেধাবী ছাত্রী। দোকানের পা’শাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া খুব সহজ নয়। এরপরও জানামতে সে লেখা পড়ায়ও ভালো। আমাদের স্কুল থেকে

যতটুকু সম্ভব ওকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’মিলির সহযোগিতায় সমাজের বি’ত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেতী প্রু বলেন, ‘খোঁজখবর নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com