1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
ধর্মঘটের আগেই নেতাকর্মীদের বরিশালে আসার নির্দেশ - ২৪ ঘন্টাই খবর

ধর্মঘটের আগেই নেতাকর্মীদের বরিশালে আসার নির্দেশ

  • আপডেট করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২
  • ৭৪ বার পঠিত

বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আগামী ৫ নভেম্বর বিভাগীয় গণসমাবেশ করবে বিএনপি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। এ অবস্থায় বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি এবং পিরোজপুরের নেতাকর্মীদের সমাবেশের দুই দিন আগেই বরিশালে থাকতে বলা হয়েছে।

দলের এই নির্দেশনা পাওয়ার পর ৩ নভেম্বরের মধ্যে বরিশালে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট জেলার নেতাকর্মীরা। বরিশালের গণসমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘গণসমাবেশ বানচাল করতে সরকার পরিবহন ধর্মঘটের মতো পুরনো অস্ত্র ব্যবহার করছে। কিন্তু কাজ হবে না। বরিশালেও জনস্রোত নামবে।’

বাসমালিক ওম শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর সব ধরনের তিন চাকার যানের ধর্মঘট ডেকেছে বরিশাল জেলা মিশুক, বেবিট্যাক্সি, ট্যাক্সিকার ও সিএনজিচালক শ্রমিক ইউনিয়ন। তবে এ ধর্মঘটের সঙ্গে একমত নয় রিকশা, অটোরিকশা-ভ্যান-ইজিবাইকচালক সংগ্রাম পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটি।

সংগঠনের নেতারা বলছেন, বরিশালে তিন চাকার যানের বৈধতা, চলাচলের অনুমতিসহ অধিকার আদায়ে শুরু থেকে লড়াই-সংগ্রাম করছে রিকশা, অটোরিকশা-ভ্যান-ইজিবাইকচালক সংগ্রাম পরিষদ। এটাই জেলার সাধারণ শ্রমিক-চালকদের একমাত্র সংগঠন।

সংগঠনটির আহ্বায়ক দুলাল মল্লিক ও সদস্যসচিব মানিক হাওলাদার বলেছেন, বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে। এর সঙ্গে সাধারণ চালক-শ্রমিকদের কোনো যোগসূত্র নেই।

বিএনপির বরিশাল গণসমাবেশের প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা ও রংপুরে আমরা দেখেছি সমাবেশের আগের দিন থেকে গণসমাবেশের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত

গণপরিবহন ধর্মঘট। পথে পথে বাধা এবং নানা স্থানে হামলা করেও গনসমাবেশমুখী জনস্রোত ঠেকাতে পারেনি সরকার। অনুরূপভাবে বরিশালে গণপরিবহন বন্ধ করা হয়েছে। আমি মনে করি, যে প্রস্তুতি

বরিশাল বিভাগের আট সাংগঠনিক জেলায় নেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের যে আকাঙ্খা, তাতে করে গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে জনস্রোত নামবে। এটা কোনোভাবে ঠেকানো যাবে না।’

বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘বাস চলাচল বন্ধের পর এখন তিন চাকার যানও বন্ধ করা হয়েছে। এরপর একে একে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, ট্রাক, লঞ্চ, রিকশা, খেয়া নৌকাও বন্ধ করবে; এটা ধরে নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছি।’

তিন চাকার যানবাহনের চালকদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মাঠে ছিলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) নেতা মনীষা চক্রবর্তী। তার নেতৃত্বে বরিশালে গড়ে তোলা হয় রিকশা, অটোরিকশা-ভ্যান-ইজিবাইকচালক সংগ্রাম পরিষদ

বরিশাল জেলা কমিটি। তিনি ওই কমিটির প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘বরিশাল জেলা মিশুক, বেবিট্যাক্সি, ট্যাক্সিকার ও সিএনজি চালক-শ্রমিক ইউনিয়নের নামে তিন চাকার যানের যে ধর্মঘট ডাকা হয়েছে, এর সঙ্গে সাধারণ কোনো

শ্রমিক-চালকের সম্পর্ক নেই। আমরা মনে করি, এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে ডাকা হয়েছে। কারণ ওই সংগঠনকে কোনো দিনও তিন চাকার যানের শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের আন্দোলনে পাওয়া যায়নি। সংগঠনটি এখন বিশেষ উদ্দেশ্যে সক্রিয় হয়েছে।’

এর আগে গত মঙ্গলবার বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম মাসরেক ও সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া হয়। চিঠিতে বাস মালিক সমিতির নেতারা দাবি

আদায়ে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন। অন্যথায় ৪-৫ নভেম্বর বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ ও অভ্যন্তরীণ বাস টার্মিনাল রূপাতলী থেকে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

বরিশাল জেলা মিশুক, বেবিট্যাক্সি, ট্যাক্সিকার ও সিএনজি চালক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কামাল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘যেহেতু বাসমালিকরা আমাদের যানবাহন বন্ধের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে, সে কারণে আমরা তার প্রতিবাদে ধর্মঘট ডেকেছি। বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’

গণসমাবেশ সফল করতে বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার প্রচার চালিয়েছেন। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি নগরের কাকলী মোড়, সদর রোড, ফজলুল হক অ্যাভিনিউ এলাকায় ঘুরে ঘুরে লিফলেট বিতরণ করেন।

গত বছরের ৩ নভেম্বর নগর বিএনপির সভাপতির পদ থেকে মজিবর রহমানকে বাদ দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। এরপর থেকে তিনি বরিশালে দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।

দলীয় সূত্র জানায়, গতকাল সরোয়ার একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দেন। পরে বেলা ১১টার দিকে গণসংযোগে নামেন। এ সময় নগর বিএনপির কমিটি থেকে বাদ পড়া নেতা আহসান কবির হাসান, আনোয়ারুল হক, শহিদুল ইসলাম ও হোসেন চৌধুরী তার সঙ্গে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com