1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজান, জীবন চলে কলস বাজিয়ে গান গেয়ে - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
আজকেও হেরে যাবো ভেবেছিলেন: তামিম! মাত্র পাওয়াঃ হু হু করে বাড়েই চলেছে চালের দাম জেনেনিন শেষ আপডেট! ৩০০ করে হারার পর ২৫০ রান মনে হয় ২০০: তামিম অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, পথে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন দিনমজুর, পরিচয় রাখতে চান গোপন এই মাত্র পাওয়াঃ প্রাইমারির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও কিন্তু কেন? অবশেষে মাইলফলকের ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াল টাইগাররা গরম খবরঃ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি! শত চেষ্টার পর জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জিনিসের দাম বাড়ায় কেউ তো মারা যায়নি:পরিকল্পনামন্ত্রী! একশ’র আগেই জিম্বাবুয়ের নয় উইকেট গুড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজান, জীবন চলে কলস বাজিয়ে গান গেয়ে

  • আপডেট করা হয়েছে: শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২০৬ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: গোমস্তাপুরের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজান। বয়স ৩৫ বছর। জীবন চলে কলস বাজিয়ে গান গেয়ে মানুষের দেয়া অর্থে। “এই দুনিয়াই সবারইতো আছে ক্ষুধার জ্বালা, একটু খানি দয়া করো ও ভাই পয়সা ওয়ালা, সেই দয়াতে বেঁচে যাবে আমার কচি সোনা, আমার কচি সোনা।

একটি টাকা দাওনা ও ভাই, একটি টাকা দাওনা, একশ টাকা, পাঁচশ টাকা, হাজার টাকা চাই না”। সৈয়দ আব্দুল হাদী ও বেবী নাজনীন এর কন্ঠে গাওয়া গানটি দিয়েই জীবনের গান শুরু করেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমান মিজান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা চৌডালা ইউনিয়নের নন্দলালপুর গ্রামের আব্দুল জাব্বারের ছেলে মিজানুর রহমান মিজান।

জীবন-জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন হাট-বাজারে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, জনসমাগম স্থল, খেলার মাঠে ও বিভিন্ন মেলাতে কলস বাজিয়ে গান গেয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করে তাদের দেয়া অর্থ দিয়ে সে জীবিকা নির্বাহ করে। এ বিষয়ে মিজানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, জন্ম থেকে আমি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। আমার স্ত্রীসহ ২ ছেলে ও ১ মেয়ে আছে। আমি মাসিক ৭০০ টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা পায়।

আর যে টাকা উপার্জন করি, তা দিয়ে কোন রকমে আমার সংসারটা চলে। আমার বড় ছেলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে, মেয়েটি ৩য় শ্রেণীতে পড়ে ও ছোট ছেলের বয়স ৫ বছর। তাদের চাওয়া-পাওয়া আমি কখনো পূরণ করতে পারিনা। মহান আল্লাহ আমাকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী করে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। মহান আল্লাহ আমাকে চোখের দৃষ্টি না দিলেও, আমি একটি গান ১/২ বার শোনার পরে আয়ত্ত্ব করে ফেলি।

এখন পর্যন্ত আমি ২০০-২৫০টি গান গাইতে পারি। বাস ও যানবাহনসহ রেডিও মহানন্দাতে ২ বছর আগে একটি গান করেছিলাম এবং জেলার বাইরেও কুয়াকাটায় ১৬ ডিসেম্বরের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়েছিলাম। ওই এলাকার নন্দলালপুর মাদ্রাসার সুপার এনামুল হক, চৌডালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাবুল হক ও প্রতিবেশী আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, জন্ম থেকেই আমরা তাকে এরকম দেখে আসছি। সে হাটবাজারে কলস বাজিয়ে গান শুনিয়ে দর্শকদের মাঝে আনন্দ দিয়ে যে টাকা পাই, তাতে তার সংসার চলে। ছোট একটা ভাঙ্গাচোরা বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। এলাকার মানুষ হিসেবে আমরা তাকে যতটুকু পারি সহযোগিতা করে থাকি।

এ বিষয়ে চৌডালা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, মিজানুর রহমান দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হিসেবে ভাতা পায়। আমি তাকে একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ার চেষ্টা করবো। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের সমাজসেবা অফিস থেকে মিজানকে দেয়ার মত এখন বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ আসলে পরবর্তীতে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com