1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
দুঃখ জনক:ঘাস বাঁচাতে আসহায় কৃষকের ১০ হাজার তরমুজ গাছ উপড়ে ফেললেন প্রকৌশলী - ২৪ ঘন্টাই নিউজ
শিরোনাম:
এবার টেস্টের ও ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত! দেখেনিন খেলার সময় সূচি জেনে নিন তালের শাঁসের উপকারিতা দারুন সুখবরঃ অনশেষে বাবর-কোহলিকে টপকে বিশ্বের ১ নাম্বার ব্যাটসম্যান হলেন বাংলাদেশের এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান মাত্র পাওয়াঃ ফর্মে থাকতেই সে বিদায় নেবেন : মুশফিকুর রহিমের বাবা হৃদয়বিদারকঃ যমুনার ভাঙনে পানির সাথে বিলীন কয়েকশ ঘরবাড়ি এলিমিনেটর ম্যাচে লড়বে লখনউ বনাম ব্যাঙ্গালোর, জেনে নিন দুই দলের মহাশক্তিশালী একাদশ! ব্রেকিং নিউজঃ আরো যে ৩ দেশে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত গত ২ বছরের এমন টানা সাফল্যের রহস্য খোলাসার ইস্যুতে লিটনের উত্তরে অবাক হয়ে গেলেন সবাই মাত্র পাওয়াঃ ২ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে খাটো তরুণ হিসাবে স্বীকৃতি পেলেন ! গরম খবরঃ নিজের প্রেমিকাকে ডেকে এনে তুলে দিলো বন্ধুদের হাতে

দুঃখ জনক:ঘাস বাঁচাতে আসহায় কৃষকের ১০ হাজার তরমুজ গাছ উপড়ে ফেললেন প্রকৌশলী

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৭ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
এবার পটুয়াখালীতে কলাপাড়া উপজেলার একজন কৃষকের ১০ হাজার তরমুজের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম নামে একজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি গত রবিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার ধুলাস্বার ইউনিয়নের পশ্চিম ধুলাস্বার গ্রামে ঘটে। ঐ ভুক্তভোগী ভূমিহীন

কৃষক মো: দেলোয়ার হোসেনের
অভিযোগ, তার নিজের লাগানো প্রায় ১৫ হাজার তরমুজের চারার মধ্যে প্রায় দশ হাজারই উপড়ে ফেলেছেন ওই প্রকৌশলী। দেলোয়ার হোসেন আরো বলেন, আমি বেশ কয়েক বছর ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বিভিন্ন সবজির চাষ করে আসছি। বনবিভাগ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়ে ২ মাস আগে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আমি খরচ করে

এই তরমুজের চাষ শুরু করি। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়ে আরও বলেন, “এখানকার দায়িত্বে থাকা মোশাররফ নামে বনবিভাগের একজন অফিসারকে ১০ হাজার টাকাও দেই। তারা প্রতিদিন এখানে এসে গাছ দেখে যেত। কিন্তু আজকে হঠাৎ এসে আমার প্রায় ১০ হাজার গাছ উপড়ে

ফেললো। আমি অনেক কান্নাকাটি করেছি, তার হাত-পাও ধরেছি। কিন্তু তারা আমার কোন কথা শোনেনি। একটা মাস সময় দিলে আমার এই সর্বনাশটা হতো না। এখন আমার গাছ উপড়ে ফেলছে, আর আমাকে বার বার মামলার হুমকি,ভয় দিয়ে গেছে।”

ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী’ মোছা : সালমা বেগম বলেন, “আমরা চাষাবাদের জন্য তিনটি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলাম । এখন সেই ঋণ আমরা কীভাবে পরিশোধ করব? আমি এই ক্ষতিপূরণ চাই, না হয় আমার মরণ ছাড়া আর উপায় নেই।” প্রতিবেশী নাসির

জানান, আমরা গ্রামবাসী সবাই পাউবোর ওই প্রকৌশলীকে অনুরোধ করেছি যেন অন্তত একটি মাস সময় দেওয়া হয় দেলোয়ারকে। ফল আসার আগেই সব গাছগুলো তুলে ফেলা হলো। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বনবিভাগের দায়িত্বে থাকা গঙ্গামতি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: মোশাররফ হোসেন বলেন, “আমি কোনো টাকা পয়সা নেইনি,

এগুলো সব মিথ্যা বানোয়াট কথা। নিষেধ করার পরও সে এই গাছ লাগিয়েছে। ওখানে ঘাস নষ্ট হওয়ার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ইঞ্জিনিয়ার তরমুজ গাছ গুলো উঠিয়েছে।” পাউবোর বেড়িবাঁধ রক্ষা প্রকল্পের প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, “ওখানে যে তরমুজ গাছ গুলো লাগানো

হয়েছে তা আমি আগে দেখিনি, আজকে দেখলাম। আমাদের বেড়িবাঁধ রক্ষায় লাগানো ঘাস কেটে উঠিয়ে ফেলার কারণে কিছু জায়গা রেখে বাকি তরমুজ গাছ আমি উঠিয়ে ফেলেছি।” এই বিষয়ে পাউবো কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ হোসেন বলেন, “ওই জায়াগায়

এখন প্রকল্প-আওতাধীন কাজ হচ্ছে। আমরা নিজেরা আর কিছু দিন পর তার কাজ শুরু করবো। তবে এই ব্যাপারে আমি এখনও শুনিনি। খোঁজ নিয়ে দেখছি।” কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্ম’দ শহীদুল হক বলেন, “বিষয়টি আমি মাত্রই শুনলাম।”এই বিষয়ে আগে কিছি শুনিনি আমি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com