1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
অসহায় ও গৃহহীন ৬৬ হাজার পরিবারকে ঘর দিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গরিব তবুও দাদার শেষ ইচ্ছা পূরনে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে হেলিকপ্টারে বিয়ে বাজারে জমিদাতা পিতার জামে মসজিদের মিনার ভেঙ্গে দিল সন্তান! এবার করোনা ধ্বংসকারী নাকের স্প্রে আবিস্কার করল বাংলাদেশ রাতে ভাত না খেয়ে রুটি খাওয়ার উপকারিতা কারাগারে নারীর সাথে কয়েদির সময় পার : ৩ জনকে প্রত্যাহার ভারত থেকে ভ্যাক্সিন যারা নিয়ে আসছে তাদেরকেই আগে প্রয়োগ করা হোক: মুফতি ফয়জুল করিম এবার ধর্মীয় আলোচনায় এলো বাধা: তৌহিদী জনতার স্লোগানে প্রকম্পিত ময়মনসিংহ এবার আশুলিয়ায় শিশু ধ’র্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার এবার রংপুরে নির্মিত হচ্ছে ‘আল্লাহু লেখা স্তম্ভ’

দী’র্ঘস্থা’য়ী কাশির তিন কারণ

  • প্রকাশিত: ১০:৪৮ am | মঙ্গলবার ২২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১০৩ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:-দী’র্ঘস্থা’য়ী কাশির তিন কারণ। শীতকাল হলো কাশির প্রধান মৌসুম। এসময় জীবনযাপনে অস’তর্কতায় যেকেউ সহজেই ভাইরাসে সং’ক্রমিত হতে পারেন ও

উপ’সর্গ হিসেবে কাশতে পারেন। সাধারণত ভাই’রাস সংক্র’মণের কাশি নিয়ে দুশ্চি’ন্তার কিছু নেই। ভাইরাস সং’ক্রমণ চলে গেলে কাশিও দূর হয়ে যায়। সাধারণত স্বা’স্থ্যবান মানুষেরা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হলে

সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেরে ওঠেন, কিন্তু কাশি আরো কিছুদিন থেকে যেতে পারে। কিছু ঘরোয়া উপায়ে ভাইরাস সং’ক্রমণ জনিত কাশি প্রশমিত করা গেলেও মা’রাত্মক কারণে সৃ’ষ্ট কাশি দীর্ঘসময় লেগে থাকতে

পারে। কারণের ওপর ভিত্তি করে কাশির স্থা’য়িত্ব কম-বেশি হতে পারে। তবে নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিন লেক ফরেস্ট হসপিটালের পালমোনলজিস্ট জেসন সি. রাও আশ্ব’স্ত করেছেন যে বেশিরভাগ কাশিই বিপদজনক নয়। তাই কাশতে থাকলে

কাশি নিরাময়ের ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করে দেখতে পারেন। কিন্তু এরপরও কাশি তিন-চার স’প্তাহের মধ্যে চলে না গেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। দীর্ঘস্থা’য়ী কাশিকে মেডিক্যালের পরিভাষায় ক্রনিক কফ

বলা হয়। প্রা’প্তবয়’স্ক মানুষ ও শিশুর কাশি যথাক্রমে ৮ ও ৪ সপ্তাহ বিদ্যমান থাকলে অথবা আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকলে তাকে ক্রনিক কফ বলতে পারেন। ডা. রাও বলেন, ‘অনেক কারণে দীর্ঘ’স্থায়ী কাশি হতে পারে। ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ দীর্ঘ’স্থায়ী

কাশির কারণ তিনটি: হাঁপানি বা কফ ভেরিয়ান্ট অ্যাজমা, পোস্টনাসাল ড্রিপ (আপার এয়ারওয়ে কফ সিন্ড্রোম) এবং জিইআরডি/এসিড রিফ্লাক্স।’ এখানে দীর্ঘ’স্থায়ী কাশির এই তিন কারণ সম্প’র্কে বলা হলো।

* কফ ভেরিয়ান্ট অ্যাজমা: ডা. রাও বলেন, ‘সাধারণত অ্যাজমা হলে শুষ্ক কাশি হয়ে থাকে। এই কাশি শ্বাসনালীকে সরু করতে পারে। অ্যাজমার উল্লে’খযোগ্য প্রচলিত উপস’র্গ হলো- পুনরাবৃ’ত্তিমূলক শুষ্ক কাশি, শ্বাসপ্রশ্বা’সের সময় বুকের ভেতর

শব্দ হওয়া ও শ্বাস’কষ্ট।’ দুই কারণে অ্যাজমা হয়ে থাকে: অ্যালার্জি এবং মানসিক চাপ, শরীরচর্চা ও রো’গের প্রতি নন-অ্যালার্জিক রেসপন্স। কফ ভেরিয়ান্ট অ্যাজমাতে শুষ্ক কাশি ছাড়া অ্যাজমার অন্যান্য প্রচলিত উপ’সর্গ প্রকাশ পায় না বললেই

চলে। প্রায়ক্ষেত্রে শুষ্ক কাশিই একমাত্র উপ’সর্গ। এই ধরনের অ্যাজমা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। অ্যাজমা হয়েছে