1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
ডিজিটাল পোস্ট অফিসের একি হাল! - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
প্রকাশ হলো বাংলাদেশ সময়ে এশিয়া কাপের সূচি! অবশেষে স্ত্রী হ,ত্যার দায় স্বীকার করলেন রেজা এবার সিরাজগঞ্জে ৬০ বছরের বৃদ্ধ ৭ বছরের এক শিশু ধ,র্ষণ চেষ্টায় আটক চাঞ্চল্যকরঃ নতুন করে বাঁচতে শেখার সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করল কে? দারুণ লড়াইয়ের পরও উইন্ডিজে দুই টেস্টই ড্র করল বাংলাদেশ ‘এ’ দল রহস্যঃ যেভাবে উদ্ধার হলো আলোচিত শিক্ষিকা খাইরুন নাহারের ম,রদেহ অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, ওপেনার ছাড়া এশিয়া কাপের দল! অসাধারণ পার্ফমেন্স করে আসামে যুবাদের হ্যাটট্রিক জয় মাত্র পাওয়াঃ খাইরুন নাহারের আত্মহ,ত্যার পর যে দাবি জানালেন কলেজছাত্র স্বামী যে কারণে এত বিতর্কের পরও সাকিবই বার বার বিসিবির ‘সেরা পছন্দ’!

ডিজিটাল পোস্ট অফিসের একি হাল!

  • আপডেট করা হয়েছে: শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৮১ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: জারাজীর্ণ ভবন, বৃষ্টির সময় টিনের ফুটো দিয়ে অঝোরে পড়ে পানি, বেশির ভাগ সময় থাকে ঘরটি তালাবদ্ধ। বাইরে ওয়ালের সঙ্গে ঝুলছে ডিজিটাল পোস্ট অফিসের ডিজিটাল ব্যানার। নাম তার পরানপুরহাট ডাকঘর। এমনিভাবে চলছে এর কার্যক্রম।

সরেজমিন জানা যায়, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার পরানপুরহাট ডাকঘরের নিজস্ব কোনো ভবন নেই। টিনশেডের একটি ভাঙা ঘরে চলছে এর কার্যক্রম। ডাকঘরের বাইরে ‘ডিজিটাল পরানপুর অফিস’ লেখা থাকলেও বাস্তবে ডিজিটালের কোনো অস্তিত্ব নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই টিনের ফুটো দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে পানি। ডাকঘরে কোনো লকার, আসবাবপত্র ও ডিজিটাল স্কেল বা পাল্লা নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই পোস্ট অফিসটি কাজে নয় শুধু নামেই ডিজিটাল পোস্ট অফিস।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পোস্ট অফিসের নামে বরাদ্দকৃত কম্পিউটার ও প্রিন্টারসহ ডিজিটাল সামগ্রী পোস্ট অফিসে না রেখে সেগুলো রাখা হয়েছে পোস্ট মাস্টারের বাড়িতে। ডাকঘর কখন খোলা থাকে তা কেউ জানে না। এ অবস্থায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় সেবা গ্রহীতাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা ভায়ালক্ষীপুর বুদিরহাট কলেজের প্রভাষক নূরে আলম বলেন, জন্মের পর থেকেই দেখছি ভাঙা ঘরে ডাকঘরের কার্যক্রম চলছে। সবকিছুর উন্নয়ন হলেও ডাকঘরের উন্নতি হয়নি। অনেকেই সেখানে সেবা নিতে গিয়ে অনীহা প্রকাশ করেন। এছাড়া ডাকঘরটি ভাঙা হওয়ায় আর্থিক লেনদেন করতে ভয় পান অনেকেই। এতে রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

চাকরিপ্রত্যাশী স্থানীয় যুবক রায়হানুল হক বলেন, আমি অনলাইনের মাধ্যমে চাকরির আবেদন করি। তাই ডাকঘরে তেমন যেতে হয় না। তবে কিছুদিন আগে একটি কাজে ডাকঘরে গিয়েছিলাম। অফিসের অবস্থা দেখে আমি অবাক হয়েছি। অবহেলিতভাবে চলছে সরকারি অফিসটি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, বর্তমানে ডাকঘরের সেবার আওতা বেড়েছে। দেশ-বিদেশে চিঠি, পার্সেল পাঠানো ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানি ট্রান্সফার সেবাও দিচ্ছে। ডাকঘরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি থাকে। ডাকঘরের নিজস্ব ভবন হলে এগুলোর নিরাপত্তাসহ গ্রাহকদের ভোগান্তি কমবে।

বিষয়টি সম্পর্কে চারঘাট উপজেলা ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার জোসের রহমান বলেন, উপজেলার অধিকাংশ শাখা ডাকঘর সরকারি ভবন পেয়েছে। পরানপুরেও যদি কেউ জমি দান করেন তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

পিএমজি উত্তরাঞ্চল রাজশাহীর সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল এনামুল হক বলেন, পর্যায়ক্রমে সব শাখা পোস্ট অফিসই সরকারি দালান ভবন পাচ্ছে। পরানপুরেও যদি কেউ ৫ শতাংশ জমি দান করেন তবে সরকারিভাবে সেখানে ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com