1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
ছায়াপথের বাইরে এই প্রথম গ্রহের লক্ষণ দেখেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা! - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
‘বাজ’ হয়ে উড়া ইংল্যান্ডকে মাটিতে আছড়ে ফেললো প্রোটিয়ারা এবাদতের ঝড় বলে আউট হওয়ার পর ফর্ম হারিয়ে সেঞ্চুরি বিহীন ১০০০ দিন! ‘পাকিস্তানের কাছে নাকানিচুবানি খাওয়ার পর বদলে গেছে ভারত’ মাত্র পাওয়াঃ এটিই দুর্দশার শেষ মাস, আগামী মাস থেকে উন্নয়নঃ পরিকল্পনামন্ত্রী পারফর্মের জড় উঠিয়ে ১১০ বছরের রেকর্ড ভেঙে অ্যান্ডারসনের ইতিহাস গরম খবরঃ বাড়াবাড়ি কইরেন না, মা বইলা গো কওয়ার সুযোগ পাবেন না: শামীম ওসমান শক্তির দাপট দেখিয়ে এশিয়া কাপে নতুন অস্ত্র নিয়ে রশিদ খান মাত্র পাওয়াঃ আমি মোমেনকে ভালোবাসি: আসিফ নজরুল ভয়ঙ্কর ‘কালাপানি গ্যাংস্টার’, নাম সুনলেই আতংক অস্ত্র হাতে মহড়া! কোচ যেই থাকুক, সাকিবের কাছে থাকবে সেই অনন্য ক্ষমতা

ছায়াপথের বাইরে এই প্রথম গ্রহের লক্ষণ দেখেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা!

  • আপডেট করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৬৬ বার পঠিত

ছায়াপথের বাইরে প্রথম কোনো গ্রহের লক্ষণ দেখতে পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। মেসিয়ের ৫১ গ্যালাক্সিতে থাকা এই সম্ভাব্য গ্রহটিকে আবিষ্কার করেছে নাসার চান্দ্রা এক্স-রে টেলিস্কোপ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যে পদ্ধতিতে নতুন গ্রহ শনাক্ত করার ধারণা করা হচ্ছে, সেভাবে এর আগে হাজার হাজার গ্রহ শনাক্ত করা হয়েছে। মূলত সূর্যের চারদিকে যেমন গ্রহগুলো ঘোরে, সেভাবে বিভিন্ন নক্ষত্র ঘিরে ঘুরতে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার গ্রহ এর আগে শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সেগুলোর সবই মিল্কিওয়ে ছায়াপথে দেখা গেছে।

হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্স ইন কেমব্রিজের ড. ডি স্টেফানো বলেছেন, আমরা যে পদ্ধতিতে কাজ করছি, এটাই হল এখন পর্যন্ত অন্য কোন ছায়াপথে থাকা গ্রহ-নক্ষত্র খুঁজে বের করার কার্যকর উপায়।

প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির গবেষক জুলিয়া বার্নটসন বলছেন, বিজ্ঞান যেভাবে কাজ করে, আমরা সেভাবেই কাজ করেছি। আমরা জানি যে আমরা একটি উত্তেজনাপূর্ণ এবং সাহসী দাবি করেছি। আমরা আশা করবো, অন্য জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এটা সতর্কতার সঙ্গে দেখবেন।

আমরা যে নক্ষত্রপুঞ্জে রয়েছি, সেই মিল্কিওয়ে ছায়াপথ থেকে এটির দূরত্ব দুই কোটি আশি লাখ আলোকবর্ষ। অর্থাৎ আলো যে গতিতে ভ্রমণ করে, সেই গতিতে গেলে এই গ্রহটিতে পৌঁছতে দুই কোটি আশি লাখ বছর সময় লাগবে।

নক্ষত্র থেকে আলো বিকিরিত হতে থাকে। কিন্তু যখন কোনো নক্ষত্রের সামনে দিয়ে গ্রহ প্রদক্ষিণ করে, তখন সেই আলোর কিছু অংশ ঢেকে যায়, সেটির এক্স-রে রশ্মি বিকরণ বাধাগ্রস্ত হয়। তখন

সেটির সামনে থাকা গ্রহটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়, যা টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে এর আগে হাজার হাজার গ্রহ শনাক্ত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com