1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  3. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  4. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
চাকরি করতে গিয়ে স্ত্রী-সন্তান ভুলে পরকীয়ায় লিপ্ত মামুন, অতপর.......! - বিজয়ের বাংলা |২৪ ঘন্টাই নিউজ

চাকরি করতে গিয়ে স্ত্রী-সন্তান ভুলে পরকীয়ায় লিপ্ত মামুন, অতপর…….!

  • আপডেট করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২০৯ বার পঠিত

জামালপুরের মেলান্দহে স্বামী মামুন ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন স্ত্রী। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি চেয়ে গত ৬ মাস ধরে আদালতে দৌড়ঝাঁপ করেছেন তিনি।অভিযোগকারী রিপা আক্তার ঐ উপজেলার

ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাগবাড়ির ইদ্রিস আলীর মেয়ে।মামলা সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার আব্দুল বারেক টিক্কার ছেলে মামুন টিক্কার সঙ্গে রিপা আক্তারের বিয়ে ২০১৯ সালের ১৫ আগস্ট। ঐ সময় মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে জামাইকে স্বর্ণালঙ্কার, সাংসারিক

মালামালসহ দুটি গরু উপহার দেন ইদ্রিস আলী। বছর খানেক সংসার করার পর মামুন বিদেশে যাওয়ার জন্য স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার ও গরু বিক্রি করতে চাপ দেয়। কোনো উপায় নে পেয়ে তাকে দুই লাখ টাকা দেন রিপার বাবা। তবে মামুন বিদেশে না গিয়ে সেই টাকা অবৈধ পথে খরচ

করে ফেলে।ভুক্তভোগী রিপা আক্তার জানান, বিদেশে যেতে না পেরে তাকে বাড়িতে রেখে ঢাকায় চলে যায় মামুন। সেখানে গার্মেন্টসে চাকরি করতে গিয়ে এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে সে। সেই থেকে স্ত্রীর ভরণ-পোষণ তো দূরের কথা খোঁজ-খবরই নিচ্ছিল না মামুন।

উল্টো পরিবারের মাধ্যমে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এরই মধ্যে রিপা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম নেন।তিনি আরো জানান, মামুন ঢাকায় যাওয়ার পর থেকে স্ত্রী-সন্তানের খোঁজ নেয়া বন্ধ করে দেয়। উল্টো শ্বশুর বারেক টিক্কা ও শাশুড়ি সায়েদা বেগমের মাধ্যমে আরো দুই

লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে হুমকি দিতে থাকে। গত রমজানের আগে রিপা ও তার মেয়েকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় মামুন। এরপরই শুরু হয় তার নির্যাতন। মা-বাবার সঙ্গে মিলে প্রতিনিয়ত টাকার জন্য রিপাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে মামুন।রিপা বলেন, যৌতুক

দিতে অস্বীকার করায় মামুন আমাকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালায়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে। অনেক মারধর করার পর শিশু সন্তানসহ আমাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। সেখান থেকে আমি বাবার বাড়িতে চলে যাই। পরে মারধরের ক্ষত বাবা-মাকে দেখালে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। দুইদিন চিকিৎসা নেয়ার পর আমি মামুন ও তার মা-বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি। গত ৬ মাস ধরে আমার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে ছুটোছুটি করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com