1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
গরম খবরঃ রাজধানীতে শতকোটি টাকা নিয়ে উধাও আর্থিক প্রতিষ্ঠান - ২৪ ঘন্টাই খবর

গরম খবরঃ রাজধানীতে শতকোটি টাকা নিয়ে উধাও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৯৮ বার পঠিত

গ্রাহকের শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রতারণার স্বীকার হয়ে ভুক্তভোগীদের অনেকে একদম পথে বসে গেছে। সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর)

রাতে রাজধানীর মিরপুরে প্রতিষ্ঠানটির সামনে বিক্ষোভ করে ভুক্তভোগীরা। গ্রাহকদের অভিযোগ নানা বাহানা করে প্রায় ২ বছর ধরে তাদের সাথে প্রতারণা করছে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মনির আহমেদ। জানা

গেছে, ১৫ বছর ধরে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক বিভিন্ন উপায়ে সঞ্চয়পত্র ও এফডিয়ারের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতেন প্রতিষ্ঠানটি। শুরুর দিকে গ্রাহকদের লভ্যাংশ ও মুনাফার কিছু টাকা ফেরত

দিলেও ধীরে সুর পরিবর্তন করতে থাকে আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স নামের ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। ১ হাজার ১০০ গ্রাহকের ৯৮ কোটি টাকা আটকে রেখে প্রতিষ্ঠানের মালিক মনির আহমেদ চালু করেন ইউরোস্টার গ্রুপ নামে

নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণার স্বীকার আব্দুল কুদ্দুস জানান, আমি ৫ বছর ধরে একটু একটু করে টাকা জমিয়েছিলাম। কথা ছিল এই টাকা দিয়ে মেয়েকে শ্বশুর বাড়ী পাঠাবো। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ প্রতারিত হওয়ার

আশঙ্কায় উৎকণ্ঠা। তিনি আরও বলেন, গত জানুয়ারিতে আমার টাকাটা দেয়ার কথা ছিল। সেই হিসেবে আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দিই। কিন্তু আমার টাকাটা এ পর্যন্ত দেয়নি। অফিসে এলে শুধু আজ না কাল, কাল পরশু; এ রকম করে হয়রানি করা

হচ্ছে। এর ফলে, আমার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি কিন্তু এখনো শ্বশুরবাড়িতে তুলে দিতে পারিনি। আরেক ভুক্তভোগী বলেন, আমার ৬ লাখ টাকা আছে। টাকা চাইতে আসায়

আমাকে কয়েকবার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। টাকা চাইতে গেলে তারা বলে আপনি কী করবেন? পারলে টাকা নেন, মালিকের কাছে

যান, তাকে গিয়ে ধরেন। আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স এমসিএস লিমিটেডের মহা ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম জানান, আমাদের কাছে ৯৮ কোটি টাকার তালিকা আছে। এছাড়াও ৩২ কোটি টাকা ফ্ল্যাটে সমন্বয় করা হয়েছে। এ সম্পদগুলো তাদের নিজস্ব। বাকি

টাকাগুলোও সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে। আর ছোটগুলো আগামী ডিসেম্বরে ক্লিয়ার করে এটা ক্লোজ করে দেয়া হবে। এদিকে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মনির আহমেদ বেশ কিছু ধরেই লাপাত্তা বলে

জানিয়েছে ভুক্তভোগীর অনেকেই। তবে এ ঘটনায় গ্রাহকরা বিভিন্ন সময়ে থানায় অভিযোগ জানালেও মামলা না করায় ব্যবস্থা নেয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। কাফরুল

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, তারা বিভিন্ন সময়ে থানায় এসেছেন। আমি তাদেরকে সব সময় বলেছি মামলা করেন। কিন্তু তারা বলেছেন, মামলা করলে টাকা পাওয়া যাবে না। আর আমি তো আইনের বাইরে কোনো কথা বলতে পারি না। মামলা ছাড়া আমি তাদেরকে ধরতেও পারি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com