1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  4. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  5. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  6. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  7. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 

কষ্ট বুকে চেপে চিরতরে রাজধানী ছাড়লেন সেই স্মার্ট ঝালমুড়ি ওয়ালা

  • প্রকাশিত: ০৮:৫৪ am | বৃহস্পতিবার ১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৮৩ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
কষ্ট বুকে চেপে চিরতরে রাজধানী ছাড়লেন সেই স্মার্ট ঝালমুড়ি ওয়ালা।‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, জু’লহাস কেন পিছিয়ে থাকবে? প্রথমে লুঙ্গি প’ড়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করতাম। এখন পরি’ষ্কার ও স্মা’র্ট কাপড় প’ড়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করি।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুরের মতো

আধুনিক বানাতে চায়। আমার কাছেও যারা ঝালমুড়ি খায়, তারা মনে করে সিঙ্গাপুর বসে খাচ্ছে।’কেউ পরিচয় জানতে চাইলে এভাবেই নিজে’র ব্যাখ্যা দেন স্মা’র্ট ঝালমুড়ি ও’য়ালা খ্যাত বহুল আলোচিত ব্য’ক্তি জুলহাস হাওলাদার। এই স্মা’র্ট ঝালমুড়ি ওয়ালাকে এবার চিরতরে হারাতে

যাচ্ছে রাজধানীবাসী। ছেলের চিকিৎসা এবং সংসারের হাল টানতে না পেরে এবার রাজধানীতে আর না থাকার সিদ্ধা’ন্ত নিয়েছে জু’লহাস।রাজধানীর শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুটপাতে ঝালমুড়ি

বিক্রি করেন জুলহাস। তার মুড়ি রাখার বস্তায় এক’পাশে রাখেন ফুলের মালা দিয়ে সাজানো বঙ্গব’ন্ধুর বাঁধাই করা একখানা ছবি আর অন্য পাশে রাখেন তার বাবার মু’ক্তিযো-দ্ধার সনদের বাঁ’ধাই করা

ফটোকপি। চোখে চশমা, কানে এয়ারফোন, চকচকে শার্ট, গলায় টাই, পায়ে কালো সু, পকে’টে মোবাইল এবং কলম এবং হাতে সিলভার রংয়ের ঘড়ি পরেন জুলহাস। ৪৫ বছর বয়সের এই ব্য’ক্তি সর্বদা এমন পরিপাটি সাজে ঝা’লমুড়ি বিক্রি করে

রীতিমত ভাইরাল।১৯৭৫ সালের ১মে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজে’লার ধানকাটি গ্রামে জ’ন্ম জুলহাসের। বর্তমানে তিন সন্তান এবং স্ত্রী’কে নিয়ে বসুন্ধ’রা সিটি শপিং মলের পেছনে ছোট একটি বাসায় ভাড়া থাকেন তিনি।তার পিতা মো. তছলিম হাওলাদার একজন মু’ক্তযোদ্ধা ছিলেন। যু’দ্ধে বাংলাদেশ জয়ের পর এদেশীয় রাজাকারদের হাতে তার পিতার মৃ’ত্যু

হয়েছে বলে দা’বি জুলহাসের।জুলহাস জা’নান, ‘বাবা যখন মু’ক্তিযু’দ্ধে অংশ নিতে যায় তখন দাদাকে এদেশীয় রাজাকাররা কুকু’রের ভ্যাকসিন দিয়ে মেরে ফে’লে । পরবর্তীতে দেশ জয়ের পর বাবা যখন ফি’রে আসে তখন অন্যান্য মু’ক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গ নিয়ে ওইসব

রাজাকারদের মেরে ফেলা হয়। সেই রাজাকাদের বংশের লোকরাই পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফখরুদ্দিন আহমেদের সময়ে আমা’র বাবা এবং বড় ভাইকে হ’ত্যা করে।’তিনি জা’নান, ‘আমা’র বাবা বঙ্গব’ন্ধু শেখ মু’জিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে যু’দ্ধে যাওয়ার সময় ঘরে দু’মুঠো চাল ও ডাল পর্যন্ত রেখে যেতে পারেননি। যু’দ্ধের চার বছর পর আমা’র জ’ন্ম

হয়েছে।মানু’ষের বাসা থেকে ভাতের মাড়, জুটা খাবার কুড়িয়ে খেয়েছি। অভাবের কারণে লেখাপড়া ক’রতে পারিনি। বাসা বাড়িতে কাজ করেছি, বিভিন্ন পেশার পর এখন স্মা’র্ট হয়ে ঝা’লমুড়ি বিক্রি করছি।’
পূর্বে গণমাধ্যমের নিউজ ও বিভিন্ন ইউ’টিউবারদের ভিডিওতে জুলহাস প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে ঝালমুড়ি বানিয়ে

খাওয়ানোর সখের কথা জা’নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ঝা’লমুড়ি বানিয়ে খাওয়ানোর সখ পূরণ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে জুলহাস বলেন, ‘না, এখনও আমি
প্রধা’নমন্ত্রীকে নিজ হাতে ঝালমুড়ি বানিয়ে খাওয়াতে পরিনি। প্রধানমন্ত্রীর স’ঙ্গে কাছ

থেকে দুটো কথা বলতে পারলে আর তাকে আমা’র হাতে ঝালমুড়ি বানিয়ে খাওয়াতে পারলে আমি স’বথেকে বেশি শান্তি পাবো।
আমা’র বিশ্বা’স একদিন আমি এ সখ নিশ্চয়ই পূরণ ক’রতে পারবো। জননেত্রী ভি’ক্ষুকদের স’ঙ্গে কথা বলেছেন, ভ্যানচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন,

আমা’র স’ঙ্গে এবং তিনি কথা বলবেন।’
বিশ্ব এখন করো’না ভা’ইরাসের প্র’ভাবে কলঙ্কিত। বাংলাদেশও এই প’রিস্থিতির বাহিরে নয়। আগে পরিপাটি পোশাকে স্মা’র্ট এ ঝা’লমুড়ি বিক্রেতা জুলহাসকে ঘিরেই উৎসুক মানুষের ভিড় লে’গে থাকতো।

করো’না র কারণে এখন সেই ভিড় নেই। এই সময়ে ব্যবসা কেমন যাচ্ছেজানতে চাইলে জুলহাস বলেন,‘করো’না য় ঝালমুড়ি আগের মতো এখন আর মানুষ খায় না। তাই বেচা-বিক্রি কম হওয়ায় রাজধনীতে