1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
কুরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে ইসলামের ছায়াতলে ডক্টর গ্যারি মিলার মানুষ চিকিৎসাবঞ্চিত, তাদের জন্য কিছু করার আছে, আমি সুস্থ্য হয়ে উঠব: জাফরুল্লাহ মোটরসাইকেল চুরির মামলায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রে’ফতার আজ করোনায় মৃ’ত্যু ৩৭ শনাক্ত সর্বোচ্চ ২৯১১ করোনায় সিঙ্গাপুরের পর হজযাত্রা বাতিল করল ইন্দোনেশিয়া হাত নেই, পা দিয়ে লিখেই জি‌পিএ-৪.৬৩ বিয়ের ১ সপ্তাহ পর নববধূর বান্ধবীকে নিয়ে উধাও ছাত্রলীগ কর্মী শালির বিয়েতে করোনা আক্রান্ত দুলাভাই: বর-কনেসহ ১০৫ জন কোয়ারেন্টাইনে ভারত এবং চীন যু’দ্ধের দামামা, সীমান্তে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ ও প্রস্তুত জুনেও কিস্তি আদায় বন্ধ থাকবে জোর করলে লাইসেন্স বাতিল

করোনার এই পরিস্হিতিতে কি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের সামনে?

  • প্রকাশিত: ০১:৩৩ pm | বুধবার ২২ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৬১ বার পঠিত

করোনার এই পরিস্হিতিত কি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের সামনে?।
দেশে করোনাভাইরাস সং’ক্রমণের বিস্তার বাড়ার সাথে সাথে মৃ’ত্যুর সংখ্যাও যে বাড়তে থাকবে এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মনে কোন সন্দেহ নেই।প্রশ্ন হলো সং’ক্রমণ ও মৃ’ত্যুর হার বেড়ে শেষ পর্যন্ত কোথায়

দাঁড়াবে? এবং কোন পর্যায়ে এসে এই হার কমতে শুরু করবে?এসম্পর্কিত একটি মডেল রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট – আইইডিসিআর-এর হাতে রয়েছে।কিন্তু জনমনে আ’তঙ্ক ছড়াতে পারে সেই বিবেচনায় এই মডেলটি সরকার বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে আনতে চাইছে না।

“এক দিক থেকে ঠিক কাজটিই করা হয়েছে। কারণ এই মুহূর্তে প্রজেকশন (পূর্বাভাস) করার মতো যথেষ্ট ডেটা (উপাত্ত) পাওয়া যাচ্ছে না,” বলছেন ভাইরোলজিস্ট ড. নজরুল ইসলাম।তিনি বলছেন, করোনাভাইরাস রোগীদের কাছ থেকে নমুনা-রস সংগ্রহের কাজে নানা

ধরনের সমস্যা রয়েছে। একদিন নমুনা সংগ্রহ করে আরেকদিন তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে অন্য এক দিন। ফলে এর থেকে এখনই কোন সুনির্দিষ্ট মডেল তৈরি করা কঠিন।এর পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে আসা অনেক উপাত্ত

‘সিস্টেম লস’-এর শিকার হচ্ছে বলে ড. ইসলাম সন্দেহ করেন।দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এবং সম্ভাব্য মৃ’ত্যুর হার নিয়ে গত ২৬ মার্চে তৈরি জাতিসংঘের একটি ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল রিপোর্ট বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ফাঁ’স হয়ে যায়।এতে পূর্বাভাস করা হয়, বাংলাদেশে জনঘনত্বের বিবেচনায় করোনাভাইরাসে পাঁচ লাখ থেকে ২০ লাখ

মানুষের জীবনহানি ঘটতে পারে।কিন্তু এই পূর্বাভাসে একটি শর্ত ছিল। আর সেটি হলো করোনাভাইরাসের বিস্তার, প্রশমন এবং অবদমনে সরকারের তরফে একেবারেই যদি কোন ধরনের জরুরি পদক্ষেপ নেয়া না হয় তাহলেই শুধুমাত্র এই পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।রোগতত্ত্ববিদ ড.এ.এম.

জাকির হোসেন বলছিলেন,এই ধরনের পূর্বাভাসের কিছু সমস্যা রয়েছে।তিনি জানান, সংক্রমণ বিস্তারের কিছু শর্ত রয়েছে। এগুলো হলো: রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি, সং’ক্রমণের হার, আরোগ্যের হার, মৃ’ত্যুর হার এবং রো’গাক্রান্ত হওয়ার

সম্ভাবনায় রয়েছেন এমন জনসংখ্যা।”চীনের এক হিসেব মতে, করোনাভাইরাসে যারা মারা যাবেন তাদের মধ্যে ৭১% থেকে ৭৯% মারা যাবেন অন্য কোন রোগে, যাকে ‘কো-মরবিডিটি’ বলা হয়। যেমন, হার্টের সমস্যা,” ব্যাখ্যা করছেন তিনি।”বাংলাদেশের

ক্ষেত্রে চীনা হিসেবটিকে ব্যবহার করে আমরা ধরে নিতে পারি করোনাভাইরাসের আ’ক্রান্ত হওয়ার পর যাদের বয়স ৬০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে, এমন ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার মানুষ কোমরবিডিটিতে মৃ’ত্যুবরণ করতে পারেন।”ড.হোসেন বলছেন, এটা দেখে

আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশে মৃ’ত্যুহার হচ্ছে প্রতি ১০০০ জনে পাঁচ জন। অর্থাৎ প্রতিবছর নানা কারণে নয় লাখ মানুষের মৃ’ত্যু ঘটে থাকে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে একটি চিত্র পাওয়া যাবে সংক্রমণের হার-এর দিকে নজর রাখলে। দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার যদি ‘এক্সপোনেনশিয়াল’ হয় তাহলে সেটা

পরিস্থিতিকে আরো বি’পজ্জনক করে তুলবে বলে তারা স্বীকার করছেন।এক্সপোনেনশিয়াল গ্রোথের একটি চিত্র পাওয়া যায় সেন্টার ফর ইনকুয়ারি-তে প্রকাশিত ভিনোদ ভরদ্বাজের একটি নিবন্ধ থেকে।এখানে তিনি লিখছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৬ মার্চ স্থানীয়ভাবে করোনাভাইরাসে সং’ক্রমিত মানুষের সংখ্যা ছিল ১৫। কিন্তু সারা দেশে লকডাউন