1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে আরব আমিরাত বললেন: এরদোগান তোমাদেরকে সেলেব্রিটি বানানোর জন্য আমি রাজপথে নামিনি শিপ্রা-সিফাতকে নুর মসজিদে আযান দেয়ার সময় বাবাকে কোপাল ছেলে করোনা আক্রান্ত পুরোহিত ছিলো মোদীর সঙ্গে একমঞ্চে হতে পারে মোদীরও করোনা ! মুসলমানদের ঐক্য নষ্টে করতে চেয়েছিল মোসাদ: ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে জীবনে একবার হলেও যে নামাজ পরতে হয় সেই সালাতুত তাসবিহ পড়ার নিয়ম যে দোয়া পড়লে সব সময় আল্লাহর রহমত নাজিল হয় ইসরাইলীরা ভেঙে দিচ্ছে বাড়ি,কান্নারত ফিলিস্তিনি শিশু বলল ‘আমার আল্লাহ্ ওদের বাড়িও ভেঙে দিবেন জানা গেলো লেবাননে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কারণ পরিচয় মিলেছে প্রদীপের সেই আইনি পরামর্শদাতার

এবার কোরবানির চামড়ার বাজারে ধস !

  • প্রকাশিত: ০৯:১৬ pm | রবিবার ২ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৯ বার পঠিত
কোরবানির চামড়ার

বিজয়ের বাংলা:এবার কোরবানির চামড়ার বাজারে ধস !

ফেনীতে কোরবানির গবাদিপশুর চামড়ার দামে ধস নেমেছে। এবার গ্রামে গ্রামে ঘুরে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের চামড়া কিনতে দেখা যায়নি। কোথাও

কোথাও গরু ও মহিষের চামড়া ৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে অনেক এলাকায় একেবারেই বিক্রি না হওয়ায় চামড়াগুলো স্থানীয় মাদ্রাসায়

দান করা হয়েছে।ফেনীর পাঁচগাছিয়া বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, ঢাকা থেকে তাঁরা চামড়ার কোনো নির্দিষ্ট দর পাননি। তা ছাড়া ঢাকায় ট্যানারিতে

বা বড় আড়তে চামড়া বিক্রি করে বকেয়া টাকা ৫ বছরেও আদায় করা যায় না। এবার তাঁরা গরু ও মহিষের প্রতিটি চামড়া আকার অনুযায়ী ১৫০ থেকে

৩০০ টাকায় কিনেছেন। গতবার গরু ও মহিষের চামড়া ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।পরশুরামের সত্যনগর গ্রামের আবু ইউছুপ বলেন,

সারা দিন কোনো মৌসুমি ব্যবসায়ীকে চামড়া কিনতে দেখা যায়নি। বিকেলে তাঁরা গরুর চামড়া মাত্র ৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন। দাগনভূঞার খুশীপুর

গ্রামের মনির আহম্মদ বলেন, তিনি তাঁর গরুর চামড়া ১০০ টাকায় বিক্রি করেছেন। পাশের গ্রামের এক ব্যক্তি গরুর চামড়া বিক্রি করতে না পেরে দুর্গন্ধ থেকে

বাঁচতে মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন।সোনাগাজীর বাদুরিয়া গ্রামের আবুল বাসার জানান, অন্যান্য বছর একাধিক মৌসুমি ক্রেতা চামড়া কিনতে আসতেন।

এ বছর সারা দিনেও চামড়া কেনার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। এই কারণে তাঁরা স্থানীয় মাদ্রাসায় দিয়েছেন।ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের

আতিয়ার সজল নামের একজন জানান, সারা দিনে চামড়া কেনার কোনো লোক না পেয়ে বিকেলে উল্টো রিকশা ভাড়া দিয়ে চামড়া স্থানীয় একটি এতিমখানায়