1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD Atikurrahaman : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
ওসি প্রদীপ কুমারের সকল হ’ত্যাকাণ্ডের বিচার চান সাবেক সেনা কর্মকর্তারা মেজর সিনহা হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসল জেনে নিন কারা কারা জরিত এবার আরও ৪০০ জন তালেবান বন্দিকে মুক্তি দিল আফগান সরকার মেজর সিনহা হত্যা: পলাতক দুই আসামি পুলিশ নয়, তাহলে তারা কারা? ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নাই: ডা. জাফরুল্লাহ রক্তের সম্পর্ক থাকলে কি স্বামী-স্ত্রী হওয়া যায়? বাংলাদেশের ৮ রুট দিয়ে যে ভাবে পণ্য পরিবহন করতে চায় ভারত ! আল্লামা মনিরুজ্জামান সিরাজীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল রামের জন্ম বা’বরী মসজিদের স্থানে নয়, নেপালের অযোধ্যাপুরীতে : নেপালের প্রধানমন্ত্রী ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ এবং ‘মোদি জিন্দাবাদ না বলায় মুসলিম অটোচালককে বেধড়ক মারধর

উপসর্গই বদলে যাচ্ছে করোনার! ফুসফুস নয় এবার মারণ ভাইরাস হানা দিচ্ছে পেটে

  • প্রকাশিত: ০৭:৫৮ pm | রবিবার ৫ জুলাই, ২০২০
  • ৪২০ বার পঠিত
উপসর্গই

বিজয়ের বাংলাঃ উপসর্গই বদলে যাচ্ছে করোনার! ফুসফুস নয় এবার মারণ ভাইরাস হানা দিচ্ছে পেটে

ডিসেম্বর থেকে আঘাত হানা শুরু করে করোনা। দ্রুত ফুসফুসে সংক্রমিত করাই ছিল এই ভাইরাসের অন্যতম চরিত্র। এপ্রিল মাসে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশানের তরফ থেকে জানানো হয়, আরও ছ’টি করোনা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে ডায়েরিয়া, বমিভাব ও মাথাযন্ত্রণা রয়েছে। আর জুলাইয়ের শুরুতে এতটাই জাঁকিয়ে বসেছে এই উপসর্গগুলি যে চিকিৎসকরাও মাঝে মাঝে ধোঁয়াশার মধ্যে পড়ছেন।

চিকিৎসকরা বলছেন ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গেই খুব দ্রুত নিজের জিন গঠন বদলাচ্ছে করোনা ভাইরাস। তার ফলে সংক্রমিতের শরীরে উপসর্গও বদলে যাচ্ছে ঝড়ের বেগে। বেশির ভাগের ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, রোগীর ফুসফুস নয়, আক্রান্ত হচ্ছে তার গ্যাস্ট্রো ইনটেস্টিনাল ট্র্যাক। রোগী বমি করে দুর্বল হয়ে পড়ছেন। ডিহাইড্রেশান হচ্ছে। ক্রমে অক্সিজেন লেভেল কমছে তাঁর শরীরে। এর সঙ্গে ব্লাডপ্রেশার, সুগার কমে মৃত্যু হচ্ছে অনেকের।

সবচেয়ে অস্বস্তিকর বিষয় হল, ডায়েরিয়া হওয়ার ফলে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি প্রাথমিক ভাবে বুঝতেও পারছেন না, তিনি মারণ রোগের ফাঁদে পড়েছেন। যখন বুঝতে পারছেন ততক্ষণে সব শেষ।

হায়দরাবাদের চেস্ঠ অ্যান্ড কিং হাসপাতালের চিতিৎসকরা দেখাচ্ছেন, ২০-৩০ জুনের মধ্যে ৬৭টি রোগী এসেছিল তাদের মধ্যে ৩০ জন রোগীরই মৃত্যু হয়েছে কয়েক ঘণ্টায়। তাঁদের কারও শরীরেই চেনা উপসর্গ ছিল না।

আমি মুসলিম, আমাকে বাঁচতে দিন: মৃত্যুর হুমকি পেয়ে বললেন আয়মান সাদিক

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২০ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »