1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  3. msthoney406@gmail.com : Md Rayhan : Md Rayhan
উত্তাল কুমিল্লা,হিন্দুদের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআনকে অবমাননা! - Online newspaper in Bangladesh
শিরোনাম:
ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তির দাবি এসপি মাহিরার হৃদয়বিদারক দৃশ্যঃ সন্তানকে ডুবতে দেখে ঝাঁপ দিলেন মা, বাঁচল না কেউই কন্যাসন্তান বলে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেললো মা স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা নিয়ে সুখবর দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে নতুন সির্ধান্ত জানালেন: শিক্ষামন্ত্রী তলিয়ে গেছে বহু আলু-বাদাম ক্ষেত, ডুবেছে পুকুর মাত্র পাওয়াঃ গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় নতুন নিয়ম প্রকাশ! আরিয়ানের খাবার পাঠানো নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ শাহরুখের কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম নিজের মেয়ের গলায় ব্লেড ধরে হিংস্র রূপ নেন বাবা,মা এসে দেখেন মেয়ে রক্তাক্ত!

উত্তাল কুমিল্লা,হিন্দুদের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআনকে অবমাননা!

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৪০ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
কুমিল্লা শহরের নানুয়া দীঘির উত্তরপাড় পূজা মন্ডপে প্রকাশ্যে কুরআনে কারিমকে মূ”র্তির পায়ে রেখে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছে।জানা যায়,কোরআন অবমাননা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাধারণ জনতার মাঝে ক্ষোভ বাড়তে

থাকে। পরবর্তীতে কুমিল্লা জেলার এসপি, ডিসি, পূজা কমিটি এবং উলামায়ে কেরাম বৈঠকে বসে। বৈঠকে পূজা কমিটিও এতে সম্মত হয় যে এই ঘটনার কারনে অন্তত এই বছর পূজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে কয়েকজন চাচ্ছে পূজা স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যেতে।অন্যদিকে সাধারণ

মানুষের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বেলা যতই বাড়ছে— সাধারন মানুষের সমাগম ততই বাড়তেছিল। অবশেষে পূজা মন্ডপ এরিয়ার চতুর্দিকে সহস্রাধিক জনতা জড়ো হয়ে যায়৷ এত বড় অপরাধের পর এবং পূজা বন্ধ না করে চালিয়ে যাবার ধৃষ্টতা দেখাতে চায় প্রশাসনের কতিপয় লোকজন।

সেখানে থাকা উলামায়ে কেরাম সাধারণ জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করতে থাকেন। পূজা বন্ধ না করে চালিয়ে যাবার কা’রনে সাধারণ জনতার উত্তেজনা বাড়তে থাকে।অবশেষে সেখানে পুলিশ গুলাগুলি করে। পুলিশের গুলিতে অনেক সাধারণ জনতা আহত হন বলে খবর পাওয়া যায়।

কুরআনে কারিমের অপমান করে এতবড় কান্ড ঘটানোর পরও পূজা মন্ডপের পূজা বন্ধ না করে উলটো ক্ষোভরত জ’নতার উপর পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এলাকাবাসি। তারা বলেন,

আজকে যদি কোনো মাসজিদের ভিতরে নিয়ে মূর্তি পোড়া হতো তাহলে সেই মাসজিদ কমিটির ১৪ গুষ্টির জে’ল হতো। আদৌ সেই মাসজিদে নামাজ পড়ার অনুমতি হতো কিনা সেটা সন্দেহ আছে বলেও বন্তব্য করেন অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2021
Site Developed By Bijoyerbangla.com