1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  3. alamran777777@gmail.com : Md. Imran : Md. Imran
  4. Mijankhan298@gmail.com : Md Mijankhan : Md Mijankhan
  5. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  6. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  7. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  8. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
সারাদেশে শাটডাউনের প্রস্তুতি: আগের চেয়ে বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে’ যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত: লকডাউন নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সবপ্রকার অনলাইন গেম ব’ন্ধ হচ্ছে !! কৃষ্ণসাগরে আবার কোনো উসকানি দিলে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিশ্চিত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: রাশিয়া মা অন্যের বাড়িতে কাজ করছিলেন, হঠাৎ খবর এলো পাটক্ষেতে তরুণীর মেয়ের লা’শ হিন্দু সুশান্ত ইসলাম গ্রহণ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন! বিয়ের কিছুদিন পর জানলেন প্রেমিকার গ’র্ভের ছেলেটি তার কাকা! ম্যানেজার একে একে সব বোনের স্বামী হলেন! চীনে শুরু হচ্ছে ১০ দিনব্যাপী কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎস কলেজ পড়ুয়া মিমের সারা শরীরে নখের আঁচড়, লা’শের মুখে কামড়ের দাগ

আশরাফ আলী থানভী রহ. যেভাবে সময়ের মূল্য দিতেন: তাকি উসমানি

  • প্রকাশিত: ০৭:৩২ am | রবিবার ৬ জুন, ২০২১
  • ১৮৬ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা: ডাঃ আব্দুল হাই রহ. বলেন, আমি স্বয়ং হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. কে দেখেছি। তিনি যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত তখন চিকিৎসকরা তাকে কথা-বার্তা বলতে নিষেধ করে দিয়েছেন।

তখনকার কথা—একবার তিনি চক্ষু বন্ধ করে বিছানায় শুয়ে আছেন। হঠাৎ চোখ খুলে বললেন, মাওলানা শফী রহ.কে ডাক। তাকে ডাকা হল। থানভী রহ. তাকে বললেন, আপনি তাে আহকামুল কোরআন লিখছেন। আমার এক্ষুণি একটি কথা মনে পড়ল।

এটি আপনি কিতাবের যথাস্থানে সংযােজন করে দিবেন। এরপর কথাটা বলে তিনি আবার চক্ষু বন্ধ করে ফেললেন। একটু পর আবার চক্ষু খুলে অন্য এক লােককে ডাকতে বললেন, তাকে উপস্থিত করা হল। তিনি তাকেও এভাবে একটি কাজ বুঝিয়ে দিলেন।

এরূপ তিনি বার বার করছিলেন। তখন মাওলানা শিব্বীর আলী তাকে ডাক্তার ও হাকিমগণের কথা না বলার পরামর্শের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। প্রত্যোত্তরে থানবী রহ. বললেন, কথা তাে তোমরা ঠিকই বলেছ ; কিন্তু আমি তাে চিন্তা করি وہ لمحات زندگی کس کام کے چوکسی کی خدمت میں خرچ نه هو اگر کسی کی خدمت میں زندگی گزر جائے تويه الله تعالی کی نعمت هے জীবনের সে মুহুর্তগুলাে কি কাজে আসবে যা কারাে খেদমত, এবং কল্যাণে ব্যয় হবে না। যদি কারাে খেদমতে জীবন অতিক্রান্ত হয় তবেই আমি ধন্য।

হযরত থানবী রহ. চব্বিশটি ঘন্টাকে রুটিন মাফিক ব্যয় করতেন একটি মুহুর্তও তার এদিক সেদিক হতনা। আরাে আশ্চর্যের বিষয় যে, তার দু’জন স্ত্রী ছিল। সুন্নাত অনুযায়ী তিনি আসরের নামাযের পর স্ত্রীদের সাক্ষাতে যেতেন। সেখানেও সময় ছিল একেবারে কাটায় কাটায়।

যেমন- যদি এক স্ত্রীর নিকট পনের মিনিট বসতেন, তবে দ্বিতীয় স্ত্রীর নিকটও পনের মিনিটই বসতেন। তার অভ্যাস ছিল তিনি ঘড়ি দেখেই বের হতেন। এমনটি হতনা যে, পনের মিনিটের স্থানে ষােল বা চৌদ্দ মিনিট অবস্থান করতেন। মেপে মেপে তিনি প্রতিটি মুহুর্ত অতিবাহন করতেন। সুধী, সময় নামক আল্লাহর এ নেয়ামতটিকে হেলায়-খেলায় কেটে দিবেন না। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ একটি নেয়ামত। এর প্রতিটি মুহুর্ত বড়ই দামী।

এটি প্রতিনিয়তই বরফের ন্যায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। জনৈক কবি যথার্থই বলেছেন, هورهی هے عمر مثل برف کم * چپکے چپکے رفته رفته دم بدم জীবনের মুহুর্তগুলো তুষার খন্ডের ন্যায় যাচ্ছে কমে, চুপে চুপে চলছে তা ক্ষণে ক্ষণে।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »