1. atikurrahman0.ar@gmail.com : MD : MD Atikurrahaman
  2. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  3. mbbrimon@gmail.com : MBB Rimon : MBB Rimon
  4. rujina666666@gmail.com : Rujina Akter : Rujina Akter
  5. shamimulislamtanvirrana@gmail.com : MD Tanvir Islam : MD Tanvir Islam
  6. shafiulislamtanzil@gmail.com : Safiul Islam Tanzil : Safiul Islam Tanzil
 
সর্বশেষঃ
ইএফটিতে এবার বেতন পাবেন মাদরাসার শিক্ষকরা ৩০ /৩২টা মেয়েকে থুয়ে সে আমাকে চায়,আর আমি একটা স্বামীকে ছাড়তে পারবো না! মাকে হ’ত‌্যার পর তার লা’শ বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে : ছেলেসহ আটক ২ সঠিক নিয়মে ছাড়াছাড়ি না হলে তামিমার বিয়ে বৈধ নয়: শায়খ আহমাদুল্লাহ এবার অনলাইনে ক্লাস করেই কুরআন হিফজ করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৫ জন শিক্ষার্থী Kc ছেলেদের সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় বাবাকে শিকলে বেঁধে রাখে নির্যাতন শহীদ মিনারে পবিত্র কুরআন খতম করলো এবার ইশা ছাত্র আন্দোলন এবার নওমুসলিম নারীকে দিয়ে দেহব্যবসা, কাউন্সিলর রিমান্ডে আগের স্বামীকে তালাক না দিয়েই ৮ বছরের ছোট মেয়েকে রেখে ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে

আবিষ্কার হলো হজরত ঈসা আ.এর শৈশবের বাড়ির সুবহানাল্লাহ!

  • প্রকাশিত: ০২:২৩ am | মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৩২ বার পঠিত

বিজয়ের বাংলা:
আবিষ্কার হলো হজরত ঈসা আ.এর শৈশবের বাড়ির সুবহানাল্লাহ!।
ফিলিস্তিনের উ’ত্তরাঞ্চলীয় নাসেরাহ এলাকায় অবস্থিত একটি বাড়িকে হজরত ঈসা (আ.) এর শৈশবের বাড়ি বলে দাবি করছেন প্র’ত্নতাত্ত্বিকগণ। তাদের দাবি হলো, এই বাড়িতে হজরত ঈসা (আ.) তার

শৈশবকাল কা’টিয়েছেন।বেথেলহেম ও জেরুজালেমের পর এটি তৃতীয় শহর, সেখানে হজরত ঈসা (আ.) তার জীবন অতিবাহিত ক’রেছেন। বাইবেলের ভাষ্য অনুযায়ী, হজরত ঈসা (আ.)-এর শৈশব ও কৈশোরকাল এই সব শহরে

কাটিয়েছেন।১৮৮০ সালে বাড়িটি নাসেরাইট খ্রিস্টান নানরা আ’বিষ্কার করেন। ১৯৩০ সালে বাইবেলের পণ্ডিত ভিক্টর গেরিন বলেন, নাসেরাহ শহরে ১৮৮৮ সালে গবেষণার জন্য খননকাজ অব্যাহত ছিল। সে সময় নানরা সেখনে হজরত ঈসা

(আ.)-এর বসবাস করার কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি, তবে এখন একজন প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক নিশ্চিত হয়েছেন, এটিই হজরত ঈসা (আ.)-এর শৈশবের বাড়ি।লন্ডনের ইউনিভা’র্সিটি অব রিডিংয়ের প্রফেসর কেন ডার্ক ২০০৬ সালে এই

অঞ্চলে প্রথমবারের মতো অন্বেষণ শুরু করেন এবং ২০১৫ সালে তিনি নিশ্চিত হন, এই বাড়িটিতেই হজরত ঈসা (আ.) তার শৈশবকাল কাটিয়েছেন।তিনি গবেষণার জন্য আবিষ্কৃত নানা উপাদান আধুনিক প্রযুক্তি বিজ্ঞানীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তারা

জানিয়েছেন, বাড়িটি খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল।অধ্যাপক ডার্ক বিশ্বাস করেন, সংগৃহীত তথ্য এবং প্রমাণ দ্বারা তার অনুমান সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে।এই প্রত্নতাত্ত্বিকের মতে, বাড়িটি দক্ষ এবং পেশাদার রাজমিস্ত্রি দ্বারা নির্মাণ করা

হয়েছিল।হজরত ঈসা (আ.) ছিলেন বনি ইসরাঈলের সর্বশেষ নবী এবং কিতাবধারী রাসূল। তার ওপর ইনজিল নামের কিতাব নাজিল হয়।তিনি ই’হুদি চক্রান্তের শিকার হয়ে সরকারি নির্যাতনের সম্মুখীন হন। ফলে আল্লাহ তাকে সশরীরে আসমানে উঠিয়ে

নেন। তিনিই একমাত্র নবী, যাকে মহান আল্লাহ জীবিত অবস্থায় দুনিয়া থেকে আসমানে উঠিয়ে নিয়েছেন।কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার অব্যবহিত কাল আগে হজরত ঈসা (আ.) আল্লাহর হু’কুমে আবার পৃথিবীতে অবতরণ করবেন ও মুহাম্মদি শরিয়ত

অনুসরণ করবেন। তিনি ইমাম মাহদির নেতৃত্বে সারা পৃথিবীতে শান্তির রাজ্য কায়েম করবেন। তিনি উম্মতে মু’হাম্মদির সঙ্গে বিশ্বসংস্কারে ব্রতী হবেন। কোরআন এবং হাদিসে তার সম্পর্কে সঠিক এবং বিস্তৃত

আলোচনা করা হয়েছে।হজরত ঈসা (আ.)কে ইহুদিরা নবী বলে স্বীকার করেনি। অন্যদিকে হজরত ঈসা (আ.)-এর ভক্ত এবং অ’নুসারী খ্রিস্টান সম্প্রদায় তাকে ‘আল্লাহর পুত্র’ হিসেবে বিশ্বাস করে। তারা

ত্রিত্ববাদে বিশ্বাস করে।হজরত ঈসা (আ.) সম্পর্কে পবিত্র কো’রআনের মোট ১৫টি সূরায় ৯৮টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ারের অনুরোধ রইলো

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২১ 'বিজয়ের বাংলা'
Developed by  Bijoyerbangla .Com
Translate to English »