1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
আজ জাতীয় শোক দিবস : বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী! - ২৪ ঘন্টাই খবর

আজ জাতীয় শোক দিবস : বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী!

  • আপডেট করা হয়েছে: সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১২০ বার পঠিত

আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর র’হমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালন করবে। দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী

লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রা’তে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা

করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রা’সেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি

বঙ্গবন্ধুর অনু’জ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছে’লে আরিফ ও সুকান্ত বাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মু’ক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অ’ন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আ”রজু মণি ও আ’বদুল নাঈম খান রি’ন্টু এবং কর্নেল জা’মিলসহ পরিবারের ১৬ জন

সদস্য। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় তাঁরা প্রাণে রক্ষা পান। মূলত, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট থেকেই বাংলাদেশে এক বিপরীত ধারার যাত্রা শুরু হয়। বেসামরিক সরকারকে উৎখাত

করে সামরিক শাসনের অনাচারি ইতিহাস রচিত হতে থাকে। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেলজয়ী পশ্চিম

জা’র্মানির নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বি’শ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মু’জিবকে হত্যা করতে পারে, তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রি’টিশ নাগরিক এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরী বা’ঙালিদের

‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বাঙালি জাতির স্ব’প্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জা’তি বিশ্বের মা’নুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে। দ্য টাইমস অব লন্ডন এর ১৯৭৫ সালের ১৬ আ’গস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয় ‘সবকিছু

সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সব সময় স্মরণ করা হবে। কারণ, তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক শেখ মুজিবের জ’ঘন্য হ’ত্যাকাণ্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা

করবে।’ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অ”র্ডিন্যান্স জারি করে। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটি অ’র্ডিন্যান্সকে আইন হিসেবে অনুমোদন করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু

শেখ মুজিবুর র’হমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সুদীর্ঘ একুশ বছর পর ক্ষমতায় এলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হ’ত্যা মামলার তিন প্রধান আসামি বরখাস্ত লে. ক’র্নেল সৈয়দ ফারুক রহ’মান, সুলতান শা”হরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তা’হের উদ্দিন

ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারি (পিএ) এ এফ এম মোহিতুল ইস”লাম পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি এফআইআর করেন। ১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর খুনিদের বিচারের

হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এই মা’মলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য ম’হানগর হা’কিমের আ’দালতে চার্জশিট দাখিল করে এবং একই ব’ছরের ১২ মার্চ ছয় আ’সামির উ’পস্থিতিতে আদা’লতে বিচার শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com