1. atikurrahman0.ar@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. Mijankhan298@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. rabbimollik2002@gmail.com : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. msthoney406@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. abur9060@gmail.com : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
অবিশ্বাস্যঃ দুই দিনের ব্যবধানে দুই বিয়ে! - ২৪ ঘন্টাই খবর

অবিশ্বাস্যঃ দুই দিনের ব্যবধানে দুই বিয়ে!

  • আপডেট করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
  • ২১৪ বার পঠিত

প্রেম করে গোপনে বিয়ে করেছে অনার্স পড়ুয়া মেয়ে। সে বিয়েতে সম্মতি নেই বাবার। তাই বিয়ের দু’দিন পরে মেয়েকে অন্য ছেলের সাথে জোর করে বিয়ে দিয়েছেন অধ্যক্ষ পিতা। এদিকে প্রথম স্বামীর

সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ না করিয়ে দুই দিনের ব্যবধানে তামান্না (১৯) নামের মেয়েটিকে নিজ পছন্দের পাত্রের সাথে বিয়ে দেয়ায় এলাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা। এমন ঘটনা ঘটেছে

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামে। তামান্নার পিতা আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ উপজেলার গজালিয়া মহিলা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। জানা যায়,

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কাশিপুর গ্রামের তাজমুল শিকদারের ছেলে ইমন শিকদারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো তামান্নার। গত ১১ আগস্ট পাটগাতী কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে

করে দুজন। বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষিপ্ত হন তামান্নার বাবা। ১৩ আগস্ট বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার চুরখুলি গ্রামের শরাফাত খানের বড় ছেলে জুয়েল খানের সাথে বিয়ে দেন মেয়েকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক শিক্ষক বলেন, যদি ইসলাম ধর্ম অনুসারে কলেমা পড়ে ও স্বাক্ষীদের সামনে কাজী অফিসে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাহলে প্রথম স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ করিয়ে ৩ মাস ১৩ দিন পর মেয়ের

বিয়ে অন্যত্র দেয়া যায়। তামান্নার স্বামী ইমন বলেন, আমরা ইসলামী শরীয়া মোতাবেক কলেমা পড়ে কাজির সামনে সাক্ষী রেখে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে করি। জানার পরে মেয়ের বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে দুদিন পরে

জোর করে তামান্নাকে বিয়ে দেয়। আমার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগও করতে পারছি না। এছাড়া ওর বাবা স্থানীয় কিছু লোকদের দিয়ে আমাকে ভয় দেখাচ্ছে, এলাকায় গেলে মেরে ফেলবে। স্ত্রীকে

ফেরৎ পেতে প্রশাসন সহ সকলের সহযোগিতা চায় ইমন। তামান্নার বাবা আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে

মোবাইল বন্ধ করে দেন। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন বলেন, বিষয়টি আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com