1. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  2. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  3. [email protected] : Bijoyerbangla News : Bijoyerbangla News
  4. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
  5. [email protected] : বিজয়ের বাংলা : বিজয়ের বাংলা
অবিশ্বাস্যঃ কলেজ স্থাপনে ১০০ শতাংশ জমি দান করলেন রিকশাচালক - ২৪ ঘন্টাই খবর
শিরোনাম:
এইমাত্র পাওয়াঃ বৃত্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আসলো বড় সুখবর! নিয়ম ও বিস্তারিত…… অবশেষে গৃহকর্মীদের চাকরি বদলানোর সুযোগ দিল সৌদি আরব অবশেষে বিসিবিকে নাচিয়ে শেষ খেলাটা সাকিবই খেললো এইমাত্র পাওয়াঃ এশিয়া কাপের দল ঘোষণার দিনে থাকছে নতুন চমক এইমাত্র পাওয়াঃ নতুন করে জন্মনিবন্ধন করা নিয়ে আসলো কঠোর নিয়ম! সাকিব-মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ কঠিন সিদ্ধান্ত আজ এইমাত্র পাওয়াঃ রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণ: দগ্ধদের কেউই আর নেই মাত্র পাওয়াঃ সেই ফেসবুক পোস্ট অবশেষে মুছে দিলেন সাকিব নতুন প্রেম নিয়ে একি বললেন শ্রাবন্তী এবার এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ লুফে নিলো নিউজিল্যান্ড

অবিশ্বাস্যঃ কলেজ স্থাপনে ১০০ শতাংশ জমি দান করলেন রিকশাচালক

  • আপডেট করা হয়েছে: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৭ বার পঠিত

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় কলেজ স্থাপনের জন্য ১০০ শতাংশ জমি দান করলেন ছৈয়দ আহম্মদ নামে এক ব্যক্তি। পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। দানশীলতায় এক নজির

স্থাপন করেছেন তিনি। ইতিমধ্যে এলাকায় চা-চক্র থেকে শুরু করে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করেছেন তিনি। তবে এলাকাবাসী বলছে দান হয়

মনে ধনে নয়। ওনি রিকশাচালক ছিলেন এটা বড় কথা নয়, ওনার মন অনেক উদার, বড় মনের মানুষ। আল্লাহ হয়তো কবুল করেছেন। এলাকায় অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি আছে

তারা তো দেয়নি। আলোচিত এই ব্যক্তি উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ধানের শীষ গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে এবং পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছৈয়দ আহম্মদ

প্রায় ৩৮-৩৯ বছর ধরে প্যাডেল চালিত রিকশা চালাতেন। তার তিন ছেলে ও চার মেয়ে। এক ছেলে প্রবাসে থাকেন। একজন ব্যবসা করেন। অন্যজন বর্তমানে বাড়িতে রয়েছে।পরিবার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গত ১৫ বছর আগ থেকে তিনি রিকশা চালানো

বন্ধ করে দেন। জানা যায়, গত প্রায় ৪০ বছর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রামে একটি বাড়িতে থাকতেন। রিকশা চালানোর উপার্জন দিয়ে ক্রয় করেন জমি। বিভিন্ন অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে

জীবনযাপন করলেও বর্তমানে চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ধানের শীষ গ্রামে স্থায়ীভাবে তার ক্রয়কৃত জমিতে বসবাস করছেন তিনি। এ সমাজে একাধিক বিত্তবান পরিবার থাকলেও কলেজ স্থাপনের

জন্য কেউ জমি দিতে রাজি হয়নি। তিনি স্ব-ইচ্ছায় এ জমি দান করে সমাজে একটি বড় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তিনি কলেজ স্থাপনের জন্য যে জমিটি দিয়েছেন তার বর্তমান বাজার

মূল্য প্রায় ৪৫-৫০ লাখ টাকা হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ইমতিয়াজ আহমেদ বিডি২৪লাইভকে জানান, গত মাসের ২৯জুলাই এলাকার কিছু সচেতন শিক্ষিত যুবকদের উদ্যেগে এ এলাকায় কলেজ স্থাপনের জন্য একটি আলোচনা

সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু সভায় জমি দেয়ার মত কাউকে পাওয়া যায়নি। ঠিক তখনি মাইকের আওয়াজ শুনে ছৈয়দ আহম্মদ মিয়া কলেজের জন্য জমি দিতে ছুটে আসেন। তবে তিনি ওই আলোচনা সভার কোনো অতিথিও ছিলেন না। তার এমন

আগ্রহ দেখে সভার অতিথিসহ সকলে মুগ্ধ ও বিস্মিত। এ বিষয়ে জমির দাতা ছৈয়দ আহম্মদ জানান, আমি পরিশ্রম করে যেভাবে ছোট থেকে বড় হয়েছি। কষ্ট গুলো আমার এখনও মনে পড়ে। দৈনিক রিকশা চালিয়ে টাকা উপার্জন

করে তা থেকে জমিয়ে আমি এ জমি ক্রয় করি। এখানে কলেজ স্থাপনের পর সুশিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়বে সমাজে। আমি এ জমি কলেজ স্থাপনের জন্য দিতে পেরে খুবই খুশি অনুভব করছি।তবে তিনি রিকশাচালক পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যেবোধ

করেন।পেশা যেই হোক মনটার তৃপ্তিই বড় ধন বলে মনে করেন তিনি। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকালে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নে থানারহাট বাজার এলাকায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য মুজিব চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এক মতবিনিময়

সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ছৈয়দ আহম্মদ এ জমি দানের জন্য ঘোষাণা দেন।পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দান করার বিষয়টি চাউরে উঠলে শুরু হয় গঠনমূলক প্রশংসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন
© All rights reserved 2022
Site Developed By Bijoyerbangla.com